মোবাইল চোর সন্দেহে মালদহে স্কুল ছাত্রীকে মারধর

কোনও প্রমাণ ছিল না, শুধু সন্দেহের বশে এক স্কুল ছাত্রীকে বেধড়ক মারধর করার অভিযোগ উঠল প্রতিবেশী এক যুবকের বিরুদ্ধে।

কোনও প্রমাণ ছিল না, শুধু সন্দেহের বশে এক স্কুল ছাত্রীকে বেধড়ক মারধর করার অভিযোগ উঠল প্রতিবেশী এক যুবকের বিরুদ্ধে।

  • Pradesh18
  • Last Updated :
  • Share this:

    #মালদহ: কোনও প্রমাণ ছিল না, শুধু সন্দেহের বশে এক স্কুল ছাত্রীকে বেধড়ক মারধর করার অভিযোগ উঠল প্রতিবেশী এক যুবকের বিরুদ্ধে।মালদহের বৈষ্ণবনগরের জাহাঙ্গিরটোলার ঘটনা। মেয়েকে বাঁচাতে গিয়ে আক্রান্ত হল মা ও আর এক মেয়ে। তিনজনকেই জখম অবস্থায় মালদহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভরতি করা হয়েছে। ঘটনায় এগারোজনের নামে অভিযোগ দায়ের হয়েছে।

    ঘটনার সূত্রপাত দুদিন আগে। জাহাঙ্গিরটোলা গ্রামের বাসিন্দা সফিকুলের বাড়িতে মোবাইল খোওয়া যায় বলে অভিযোগ। ওই বাড়িতে যাতায়াত ছিল পাশের বাড়ির রুকিয়া বিবির ছোট মেয়ের। সন্দেহ গিয়ে পড়ল তার উপরেই। আর সন্দেহ করা মাত্রই বেধড়ক মারধর করা হয় ওই স্কুলছাত্রীকে। মেয়েকে যখন বেধড়ক মারধর করা হচ্ছে, তখন বাড়িতে ছিলেন না ওই কিশোরীর মা ও বাবা। ঘটনার খবর পেয়েই প্রতিবেশী সফিকুলের হাত থেকে মেয়েকে বাঁচাতে যান মা রুকিয়া বিবি। কিন্তু মার তো কমেইনি, উল্টে ধারালো অস্ত্র দিয়ে রুকিয়া বিবিকে মারধর করা হয় বলে অভিযোগ।রুকিয়া বিবির ডান হাতের কবজির নীচ থেকেও কেটে নেওয়া হয় বলেও অভিযোগ।আক্রান্তের পরিবারের অভিযোগ, যে চুরি যাওয়া মোবাইল ঘিরে বিবাদ, তা সফিকুলের বাড়িতেই পাওয়া গেছে।

    স্থানীয় বাসিন্দারাই প্রথমে সবাইকে উদ্ধার করে স্থানীয় বেদরাবাদ হাসপাতালে ভরতি করে। পরে অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাদের মালদহ মেডিক্যাল কলেজে স্থানান্তর করা হয়। দুই মেয়ের অবস্থা স্থিতিশীল হলেও, রুকিয়া বিবির অবস্থা আশঙ্কাজনক। এই ঘটনায় সফিকুল সহ তাদের বাড়ির এগারোজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। যদিও ঘটনার পর থেকে পলাতক অভিযুক্তরা।

    First published: