পাহাড়ের আন্দোলনে কি মদত দিচ্ছে কেন্দ্র? বিমল গুরুঙের কথায় মিলছে ইঙ্গিত

পাহাড়ের আন্দোলনে কি মদত দিচ্ছে কেন্দ্র? বিমল গুরুঙের কথায় মিলছে ইঙ্গিত

পাহাড়ের আন্দোলনে কি মদত দিচ্ছে কেন্দ্র? বিমল গুরুঙের কথায় মিলছে ইঙ্গিত

পাহাড়ের আন্দোলনে কি মদত দিচ্ছে কেন্দ্র? বিমল গুরুঙের কথায় মিলছে ইঙ্গিত

  • Share this:

    #দার্জিলিং: পাহাড়ে গোর্খাল্যান্ডের আন্দোলনে কি মিলছে কেন্দ্রের মদত? সিংমারির ঘটনার পর প্রথমবার ক্যামেরায় ধরা দেওয়ার পর বিমল গুরুঙের কথায় মিলেছে এমনই ইঙ্গিত ৷

    জিএলপি-র ইউনিফর্মে গোপন ডেরা থেকে নিউজ ১৮ বাংলাকে দেওয়া এক্সক্লুসিভ সাক্ষাৎকার বিমল গুরুংয়ের। এবার গোর্খাল্যান্ড হবেই। কেউ আটকাতে পারবে না, দাবি মোর্চা প্রধানের ৷ তিনি আরও দাবি করেন, কেন্দ্রীয় সরকারও পৃথক রাজ্যের দাবি বিবেচনা করে দেখছে। তাঁর অভিযোগ, পুলিশের গুলিতেই মৃত্যু হয়েছে তিন মোর্চা সমর্থকের।

    সিংমারি সংঘর্ষের পর মোর্চাপ্রধানের এই সাক্ষাৎকারের তৈরি হয়েছে ধন্দ ৷ উঠেছে বিতর্ক ৷ বৃহস্পতিবার, কেন্দ্রীয় কমিটির বৈঠকেই স্থির হয়, এখন গোর্খাল্যান্ডই লক্ষ্য মোর্চার। পৃথক রাজ্যের দাবি আদায়ে গোপন ডেরা থেকে লড়াই চালানোর হুমকিই দিচ্ছেন মোর্চা প্রধান।

    গোর্খাল্যান্ডের দাবিতে বারবারই কেন্দ্রকে জড়াতে চেয়েছে মোর্চা। এবারও সেই দাবি কার্যত এড়িয়ে গিয়েছে দিল্লি। উলটে দার্জিলিঙে শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষার বার্তাই দিয়েছে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক। যদিও, পৃথক রাজ্যের জন্য কেন্দ্রের দিকেই তাকিয়ে গুরুংরা।

    অন্যদিকে, কিরেণ রিজিজুর সঙ্গে গ্যাংটকে বৈঠক হয় মোর্চার ৷ তারপরেই গোর্খাল্যান্ডের সমর্থনে পবন চামলিঙের বেনজির চিঠি ৷

    মোর্চার গোর্খাল্যান্ডের দাবি সমর্থন করে কেন্দ্রকে চিঠি দিলেন সিকিমের মুখ্যমন্ত্রী পবন চামলিং। সিকিমের মুখ্যমন্ত্রীর সমালোচনায় রাজ্য। ঘটনায় কড়া প্রতিক্রিয়া দিয়েছে রাজ্য। আর রোশন গিরি সরব কেন্দ্রের হস্তক্ষেপের দাবিতে।

    মোর্চার পৃথক গোর্খাল্যান্ডের দাবিকে উসকে দিয়েছেন সিকিমের মুখ্যমন্ত্রী পবন চামলিং। গোর্খাল্যান্ডের দাবিতে ইন্ধন দিয়ে রাজনাথ সিংকে চিঠি পাঠিয়েছেন সিকিমের মুখ্যমন্ত্রী। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে চিঠিতে তিনি লিখেছেন-

    শ্রদ্ধেয় রাজনাথ সিং, দার্জিলিঙের মানুষের সাংবিধানিক দাবিপূরণের বিষয়টি ভারতীয় গোর্খা জাতির পরিচয়ের সঙ্গে গভীর ভাবে জড়িয়ে। এই দাবিপূরণ হলে গোর্খাদের দেশপ্রেমের প্রতিও উপযুক্ত বিচার হবে। গোর্খাল্যান্ড তৈরি হলে সিকিম ও আশপাশের অঞ্চলের উন্নতি হবে। স্থায়ী ভাবে শান্তি প্রতিষ্ঠা হবে। পবন চামলিং মুখ্যমন্ত্রী, সিকিম

    ক্ষুব্ধ পার্থ চট্টোপাধ্যায় রাজ্যগুলির সাংবিধানিক এক্তিয়ার নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। তিনি বলেন, ‘অন্য রাজ্যের দায়িত্বশীল হওয়া উচিত ৷’

    একইসঙ্গে রাজ্যের বাড়তি কেন্দ্রীয় বাহিনী চেয়ে পাঠানোর প্রস্তাবে কেন্দ্র সাড়া না দেওয়ায় আরও ঘনীভূত হচ্ছে ধন্দ ৷ যদিও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে, আরও বাহিনী পাঠালে আরও অশান্ত হয়ে উঠবে পাহাড়ের পরিস্থিতি ৷ হিংসা ছড়িয়ে পড়া রুখতেই রাজ্যে আরও অতিরিক্ত তিন কোম্পানি বাহিনীর প্রস্তাবে রাজি হয়নি কেন্দ্র৷

    সব মিলিয়ে গোর্খাল্যান্ড-পৃথক রাজ্যের দাবি নিয়ে সরগরম রাজ্য থেকে জাতীয় রাজনীতি ৷

    First published:

    লেটেস্ট খবর