• Home
  • »
  • News
  • »
  • north-bengal
  • »
  • শিলিগুড়ির মা-মেয়ের জোড়া খুনের নেপথ্যে আসল ঘটনা কি জানেন?

শিলিগুড়ির মা-মেয়ের জোড়া খুনের নেপথ্যে আসল ঘটনা কি জানেন?

শিলিগুড়ির মা-মেয়ের জোড়া খুনের নেপথ্যে আসল ঘটনা কি জানেন?

শিলিগুড়ির মা-মেয়ের জোড়া খুনের নেপথ্যে আসল ঘটনা কি জানেন?

শিলিগুড়ির মা-মেয়ের জোড়া খুনের নেপথ্যে আসল ঘটনা কি জানেন?

  • Share this:

    #শিলিগুড়ি: শিলিগুড়ির পাশে পাচকেলগুড়িতে জোড়া খুনের তদন্তে প্রকাশ্যে এল চাঞ্চল্যকর তথ্য। ব্যবসায়ীর স্ত্রী ও মেয়েকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে খুনের অভিযোগ । সাত বছরের ছেলেকে খাটের নীচে বেঁধে রেখে চলে হামলা। দুষ্কৃতী হামলায় গুরুতর জখম ব্যবসায়ী অভিনন্দন সাহা। ঘটনার পরেই ব্যবসায়ী অভিনন্দন সাহার ভূমিকায় সন্দেহ জেগেছিল তদন্তকরীদের।

    এবার এই খুনের তদন্তে যে প্রশ্নগুলো ঘুরপাক খাচ্ছে, তার উত্তর পাওয়া এখন সময়ের অপেক্ষা ৷ প্রশ্নগুলি হল,

    প্রশ্ন - হামলাকারীরা কতজন ছিল? উত্তর - ফিঙ্গারপ্রিন্টে হদিশ মিলবে -- প্রশ্ন - অভিনন্দনের হাতে যে অস্ত্র ছিল, তা দিয়েই কি আঘাত করা হয়েছে? উত্তর - নিহতদের আঘাত দেখে বোঝা যাবে কোন অস্ত্র ব্যবহার হয় -- প্রশ্ন - অভিনন্দনকে কি সত্যিই আঘাত করা হয়? উত্তর - আঘাতের ধরণ দেখলেই তা স্পষ্ট হবে। নিজে আঘাত করে থাকলে তাও বোঝা সম্ভব - প্রশ্ন - অভিনন্দন কি সত্যিই বাধা দেওয়ার চেষ্টা করে? উত্তর - সন্দেহ থাকছে। প্রতিরোধ করলে হাতে বা আঙুলে চোট লাগে। কিন্তু অভিনন্দনের পায়ে, গলায় ও মাথায় আঘাত লাগে। ফরেনসিক পরীক্ষায় বোঝা যাবে -- প্রশ্ন - ঘটনা কখন ঘটে? ঘুমন্ত হলেও মা-মেয়েকে খুন করা সম্ভব? খাবারে কিছু মেশানো হয়? উত্তর - রাত ১১.৪৯ এ ঘরে ঢোকে অভিনন্দন। রাত ১ টা ১৮ মিনিটে ব্যালকনিতে দাঁড়িয়ে চিৎকার করে সে। মাঝের সময় হিসাব করবেন তদন্তকারীরা।

    ইতিমধ্যেই এই জোড়া খুনের ঘটনায় সামনে এসেছে একের পর এক সন্দেহজনক তথ্য ৷

    -সিসিটিভি ফুটেজে রাত ১১টা ৪০ মিনিটে সিঁড়ির ওপর ব্যবসায়ীরা ছেলে ও মেয়েকে খেলতে দেখা যায় -রাত ১১টা ৪৭ মিনিটে অভিনন্দন সাহাকে বাড়িতে ঢুকতে দেখা যায় -রাত ১টা ০৮ মিনিটে পিছনের দরজার কাছে মোবাইলের টর্চ জ্বালানোর মত দুটি আলো দেখা যায় প্রতিবেশীর সিসিটিভি ফুটেজে -সেই ফুটেজে দেখা যায় রাত ১টা ১৮ মিনিটে ব্যালকনিতে এসে অভিনন্দন চিৎকার করছে -কিন্তু কোনও ফুটেজেই অভিনন্দনের বাড়িতে কাউকে ঢুকতে বা বেরোতে দেখা যায়নি -আততায়ীদের বাধা দিতে গেলে অভিনন্দনের হাতে ও আঙুলে চোট পাওয়াটা স্বাভাবিক হলেও তার আঘাত লেগেছে পায়ে ও গলায় -যে বাথরুমের জানালা দিয়ে আততায়ীরা পালিয়েছে বলে অভিনন্দন দাবি করেছে তার কাচ সযত্নে খুলে মেঝেতে রাখা ছিল

    তদন্তে এমনই একাধিক সূত্র মিলছে যাতে অভিনন্দন সাহার বিরুদ্ধেই সন্দেহ জোরাল হচ্ছে। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ২০১১ সালে চোরাই সামগ্রী কেনার জন্য ২৮ দিন জেল খাটে অভিনন্দন সাহা। যদিও পুলিশি জেরায় বিভ্রান্তিকর জবাব দিচ্ছে সে। কিন্তু তদন্ত গুটিয়ে আনতে ফিঙ্গারপ্রিন্ট ও ফরেনসিক বিশেষজ্ঞদের উপরেই ভরসা করছেন গোয়েন্দারা।

    First published: