দশভূজার প্রতিভায় এ শহর পুজোয় সেজেছে পটচিত্রে

কোচবিহার সাজছে পটচিত্রে

দশভূজার প্রতিভায় এ শহর পুজোয় সেজেছে পটচিত্রে

  • Share this:

    #কোচবিহার: যে সৃষ্টি করে, অশুভকে ধ্বংস করে। সেই তো আজকের দুর্গা। আমরা দশভূজার পুজো করি। তবে আমাদের চারিদিকে এরকম অনেক দশভূজাই ছড়িয়ে রয়েছেন। যাঁরা সারা বছরই সমাজ গড়ছেন। তৈরি করছেন অনন্য নজির। বাংলার দশভূজায় আজ কোচবিহারের সেই দশভূজা সুচেন্দ্রার কথা।

    কয়েকশো বছরের পুরনো জনপদ। পরে শহরে পরিণত হয়েছে কোচবিহার। সেই রাজার শহরে পটচিত্রের ছোঁয়া। কোচবিহার শহরে রয়েছে বহু পুরনো মন্দির ও বাড়ি। সময়ের সঙ্গে বেড়েছে শহর। তৈরি হয়েছে বহুতল। ইট-পাথরের জঙ্গলে হারিয়েছে শহরের রূপ। নেই সেই জৈলুসও। জমেছে নোংরা, আবর্জনা। শহরের রূপ ফেরাতে উদ্যোগী সুচেন্দ্রা ভট্টাচার্য। সঙ্গী একদল ছেলে-মেয়ে। শহর সাজানোর এই উদ্যোগের নাম দেওয়া হয়েছে, চিত্রলেখা।

    একদল ছেলে মেয়ে উদ্যোগী শহর সাজাতে। প্রথমে তাঁরা শহরের বিভিন্ন মন্দির সাজাচ্ছে। কোথাও আলপনা দিয়ে, তো কোথাও পটচিত্রের মাধ্যমে। এঁদের উদ্যোগেই সেজে উঠেছে কোচবিহারের ঐতিহ্যবাহী মদনমোহন মন্দির। ধর্মসভা ও ব্রক্ষ্মচারী কালীবাড়িও সাজিয়ে তোলা হয়েছে।

    শহরের কয়েকজন ছেলে-মেয়েকে প্রথমে পটচিত্র আঁকা শেখান সুচেন্দ্রা ভট্টাচার্য। পরে তারাই শহরের মন্দিরগুলো সাজিয়েছে।

    কোথাও যামিনী রায়ের স্টাইলে দেওয়াল চিত্র আঁকা হয়েছে। কোথাও শান্তিনিকেতন স্টাইলে ছবি আঁকা হয়েছে। ইতিমধ্যেই মদনমোহন মন্দিরের সামনের বেদি, আল্পনা দিয়ে সাজিয়েছে এই ছেলে-মেয়েরা। শুধু ফেসবুক বা হোয়াটস অ্যাপে বুঁদ হয়ে থাকা নয়, আজকের প্রজন্ম এই ধরনের ভাল কাজও করে। তা প্রমাণ করতেই এই কাজের সঙ্গে যুক্ত হওয়া বলে দাবি উদ্যোক্তাদের।

    সুচেন্দ্রাদের এই উদ্যোগে খুশি স্থানীয় বাসিন্দারা। মন্দিরের পর শহরের বিভিন্ন পুরনো বাড়ি ও হোটেল সাজানোর পরিকল্পনা রয়েছে তাঁদের।

    First published: