Home /News /north-bengal /
North Bengal News: ভরা বর্ষায় পাহাড়ে রোদের দাপট, স্কুল যেতে গিয়ে পড়ুয়াদের গলদঘর্ম অবস্থা, বেলার ক্লাস সকালে নেওয়ার আবেদন

North Bengal News: ভরা বর্ষায় পাহাড়ে রোদের দাপট, স্কুল যেতে গিয়ে পড়ুয়াদের গলদঘর্ম অবস্থা, বেলার ক্লাস সকালে নেওয়ার আবেদন

আগামী ৩১ অগাষ্ট পর্যন্ত প্রাথমিকের সব স্কুলই সকালের শিফটে ক্লাস চালু করার আবেদন করা হয়েছে

  • Share this:

    #জলপাইগুড়ি: ভরা বর্ষার মরশুমে উত্তরে অলআউট খেলছে সূর্য। চড়ছে পারদ। ব্যাহত জনজীবন। বিপর্যস্ত ছাত্রছাত্রীরা। জলপাইগুড়ি জেলার প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলি, যেখানে ক্লাস চলে দুপুরে, সেই ক্লাস সকালে আনার প্রস্তাব পাঠাল জেলা প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিদর্শকের দফতর ও ডিপিএসসি (জেলা প্রাথমিক স্কুল শিক্ষা সংসদ)। অনুমোদনদের জন্য চিঠি পাঠানো হয়েছে কলকাতায়।

    জানা গিয়েছে, আগামী ৩১ অগাষ্ট পর্যন্ত প্রাথমিকের সব স্কুলই সকালের শিফটে ক্লাস চালু করার আবেদন করা হয়েছে। আষাঢ়ের শেষে সেভাবে বৃষ্টির দেখা নেই, তাপমাত্রা ৩৭°-৩৯° সেলসিয়াসের মধ্যে ঘোরাফেরা করছে। আপেক্ষিক আর্দ্রতার কারণে সকাল থেকেই অস্বস্তি বাড়ছে। এই অবস্থায় খুদে পড়ুয়াদের নিয়ে কোনও ঝুঁকি নিতে চাইছে না ডিপিএসসি। জলপাইগুড়ি জেলায় ১২০০-র মতো প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে। পড়ুয়া প্রায় দেড় লক্ষ। হাইস্কুল সংলগ্ন প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলি বাদ দিলে সিংহভাগ প্রাথমিক বিদ্যালয়ই দিবা বিভাগের। স্কুল থাকাকালীন দুপুরের তীব্র দাবদাহ সহ্য করেই ক্লাস করতে হচ্ছে কচিকাঁচাদের। স্কুলে যাতায়াতের পথেও ঘেমে- নেয়ে একসা হতে হচ্ছে তাদের। আবহাওয়ার খামখেয়ালিপনার শিকার যাতে শিশুরা না হয়, সেজন্য সময় থাকতেই পদক্ষেপ করতে চান সংসদ চেয়ারম্যান ও জেলা প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিদর্শক। উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের অনুমোদন মিললেই জেলার সব প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পঠনপাঠন শুরু হবে সকালের শিফটে।

    এদিকে, গরমে স্বস্তি পেতে ক্লাস রুমের বাইরে গাছতলায় স্কুল বসল। কোচবিহারের কাটামারি স্কুলের ঘটনা৷ আজ স্কুলের মাঠে গাছতলায় খোলা আকাশের নিচে ক্লাস হয়েছে পঞ্চম ও দ্বাদশ শ্রেণীর৷ জানা গিয়েছে, দ্বাদশ শ্রেণীতে ১৩০ জনের বেশি ছাত্রছাত্রী আছে। তবে ক্লাসরুমে ফ্যানের সংখ্যা মাত্র দুটি ৷ গরমে অস্থির হয়ে উঠেছিলেন ছাত্রছাত্রীরা। তাই গাছতলায় স্কুল হয় আজ।

    অন্যদিকে, পাহাড়ে 'যানজট' ভোগান্তি মেটাতে বিশেষ পরিকল্পনা অনীত থাপার! শহরের আর পাঁচটা সমস্যার মধ্যে অন্যতম যানজট। সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনার অভাবেই বাড়ছে এই সমস্যা। যত্র তত্র বাইক পার্কিং। বাদ যায়না টয় ট্রেনের লাইনও! শপিং মল থেকে মোটর স্ট্যাণ্ড, স্টেশন থেলে ক্লাব সাইড সর্বত্রই একই ছবি। এই অবস্থা বদলাতে আগ্রহী অনীত থাপা নিজেই। GTA দায়িত্ব নেওয়ার পরে অনীত থাপা (Anit Thapa) জানিয়েছেন, দার্জিলিংয়ে পার্কিং সমস্যা দীর্ঘদিনের। দিন দিন তা বাড়ছে। পর্যটন নির্ভর পাহাড়ে দিন দিন বাড়ছে এই সমস্যা। পর্যটকদের ঢল নামে সারাবছর। নিত্য যানজটে সমস্যা হয়৷ ভোগান্তি বাড়ে পর্যটকদের (Darjeeling News)। পর্যটনের মরশুমে শিলিগুড়ি থেকে দার্জিলিং পৌঁছতে ইদানিং ৫ থেকে ৬ ঘন্টা সময় লেগে যাচ্ছে। যা আড়াই থেকে তিন ঘন্টায় হয়ে যাওয়ার কথা। তাই পরিকল্পনা করা হচ্ছে অন দ্য ওয়ে পার্কিংয়ের৷ ট্র‍্যাফিক পুকিশের ওসি দোরজে শেরপা জানান, মোটর স্ট্যাণ্ডে ৫০টি বাইক এবং স্টেশনে ৩৫টি বাইক পার্কিংয়ের বন্দোবস্ত করা হয়েছে। তবুও যথেষ্ট নয় বলে দাবি স্থানীয়দের। মোটর স্ট্যাণ্ডে বিকেল সাড়ে চারটের পর আর বাইক পার্কিং করা যাবে না। চার চাকার গাড়ি পার্কিংয়ের জন্যে আলাদা জায়গা খুঁজছে ট্র‍্যাফিক পুলিশ (Darjeeling | Anit Thapa)।

    Santanu Kar
    Published by:Rukmini Mazumder
    First published:

    Tags: Jalpaiguri

    পরবর্তী খবর