corona virus btn
corona virus btn
Loading

পর্যটকদের জন্য তৈরি শৈলরানি, পাহাড়ে এখন সাজো সাজো রব, অপেক্ষা শুধু ট্রেনের

পর্যটকদের জন্য তৈরি শৈলরানি, পাহাড়ে এখন সাজো সাজো রব, অপেক্ষা শুধু ট্রেনের

এখন প্রয়োজন যোগাযোগ ব্যবস্থা চালু করা। অর্থাৎ ট্রেন পরিষেবা স্বাভাবিক হলেই তো পর্যটকেরা বেড়াতে যেতে পারবেন।

  • Share this:

#শিলিগুড়ি: আনলক-এর চতুর্থ পর্যায়ে বহু পরিষেবাই চালু হয়েছে। করোনা আবহেই স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরছে দেশ। সেখানে উত্তর-পূর্ব ভারতের অর্থনীতির অন্যতম স্তম্ভ পর্যটন শিল্পও চায় ছন্দে ফিরতে। এই জন্য তৈরি পর্যটন ব্যবসায়ী থেকে হোটেল মালিক, গাড়ির চালক, হোম স্টে-র কর্ণধাররা। কেন না ২৩ মার্চ থেকে বন্ধ হয়ে রয়েছে পর্যটন শিল্প।

ধীরে ধীরে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়েছে। উড়ান পরিষেবাও অনেকটাই স্বাভাবিক। লকডাউনের বন্দিদশা কাটিয়ে সাধারণ মানুষও চাইছে ঘুরতে বেরোতে। ইতিমধ্যেই ট্যুর অপারেটারদের কাছে পর্যটকদের ফোন আসছে। ঘোরার বিষয়ে বেশ কিছু জিজ্ঞাসা আসছে অপর প্রান্ত থেকে। সামনেই বাঙালির সেরা পার্বণ শারোদৎসব। তার আগেই পর্যটনের একটা আবহ তৈরির চেষ্টা পাহাড়ের হোটেল মালিকদেরও।

ফাঁকা দার্জিলিঙের ম্যাল ফাঁকা দার্জিলিঙের ম্যাল

এখন প্রয়োজন যোগাযোগ ব্যবস্থা চালু করা। অর্থাৎ ট্রেন পরিষেবা স্বাভাবিক হলেই তো পর্যটকেরা বেড়াতে যেতে পারবেন। টানা পাঁচ মাস বন্ধ থাকায় পর্যটন ব্যবসায়ীদের পিঠ দেওয়ালে ঠেকে গিয়েছে। এই অবস্থায় ঘুরে দাঁড়ানোর জন্যে প্রয়োজন রেল পরিষেবা দ্রুত চালু করা। তাহলেই পর্যটকেরা এক প্রান্ত থেকে নির্দিষ্ট গন্তব্যে পৌঁছতে পারবেন। অনাবিল আনন্দে মেতে উঠতে পারবেন। আর তাই আজ অর্থাত্‍ মঙ্গলবার নিউ জলপাইগুড়ির এডিআরএম-এর কাছে স্মারকলিপি দিয়ে দ্রুত ট্রেন পরিষেবা চালুর দাবি জানালেন হিমালয়ান হসপিটালিটি অ্যান্ড ট্যুরিজম ডেভেলপমেন্ট নেটওয়ার্কের প্রতিনিধিরা।

অন্তত ধাপে ধাপে শিয়ালদহ এবং হাওড়া থেকে এনজেপি পর্যন্ত কয়েক জোড়া ট্রেন চালু করা হয়। কেননা পর্যটকদেরও আর তর যে সইছে না৷ সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক সম্রাট সান্যাল জানান, ট্রেন চালু না হলে পর্যটকেরা কোন পথে আসবেন। বহু পর্যটক ফোনে জানতে চাইছেন। পর্যটন শিল্পকে ফেরাতে হলে ট্রেন পরিষেবা চালু অত্যন্ত জরুরি। অপেক্ষায় পাহাড়ও। ইতিমধ্যেই জেলাশাসকের নির্দেশ মতো শৈলশহরের হোটেল ফের খুলেছে। অনলাইনে বুকিংও হচ্ছে। যোগাযোগ ব্যবস্থা চালু হলেই পর্যটকেরা পাহাড়ে বেড়াতে আসতে পারবেন, জানালেন দার্জিলিংয়ের এক হোটেল ম্যানেজার বাদল মজুমদার। তাঁর কথায়, 'সম্পূর্ণভাবে কোভিড প্রোটোকল মানা হবে।'

প্রহর গুনছেন গাড়ির চালকেরাও। কোভিড বিধি মেনেই গাড়ি পিছু ৫ জন করে পর্যটক নেওয়া হবে। সঙ্গে অন্য সব সতর্কতামূলক ব্যবস্থাও নেওয়া হবে। সব মিলিয়ে পাহাড়েও সাজো সাজো রব।

PARTHA PRATIM SARKAR

Published by: Arindam Gupta
First published: September 8, 2020, 7:35 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर