• Home
  • »
  • News
  • »
  • north-bengal
  • »
  • টানা বৃষ্টিতে বেহাল পাহাড়-সমতল, যুদ্ধকালীন তৎপরতায় চলছে উদ্ধারকাজ

টানা বৃষ্টিতে বেহাল পাহাড়-সমতল, যুদ্ধকালীন তৎপরতায় চলছে উদ্ধারকাজ

লাগাতার বৃষ্টি।  বাড়িঘর, জাতীয় সড়ক, চাবাগান, কৃষিজমি সব জলের তলায়। বিপদসীমার উপর দিয়ে বইছে তোর্সা, জলঢাকা, রায়ডাক, কালচিনি সহ বিভিন্ন নদীর জল।

লাগাতার বৃষ্টি। বাড়িঘর, জাতীয় সড়ক, চাবাগান, কৃষিজমি সব জলের তলায়। বিপদসীমার উপর দিয়ে বইছে তোর্সা, জলঢাকা, রায়ডাক, কালচিনি সহ বিভিন্ন নদীর জল।

লাগাতার বৃষ্টি। বাড়িঘর, জাতীয় সড়ক, চাবাগান, কৃষিজমি সব জলের তলায়। বিপদসীমার উপর দিয়ে বইছে তোর্সা, জলঢাকা, রায়ডাক, কালচিনি সহ বিভিন্ন নদীর জল।

  • Pradesh18
  • Last Updated :
  • Share this:

    #শিলিগুড়ি: লাগাতার বৃষ্টি।  বাড়িঘর, জাতীয় সড়ক, চাবাগান, কৃষিজমি সব জলের তলায়। বিপদসীমার উপর দিয়ে বইছে তোর্সা, জলঢাকা, রায়ডাক, কালচিনি সহ বিভিন্ন নদীর জল। বাড়িঘর ছেড়ে আশ্রয়ের  সন্ধানে বাসিন্দারা। ত্রাণের দাবিতে চলছে বিক্ষোভ, অবরোধ।

    এক সপ্তাহ টানা বৃষ্টির পর দুপুর থেকে বৃষ্টি কমায় স্বস্তি শিলিগুড়িবাসীর মধ্যে। মাঝবর্ষায় এই জলমগ্ন অবস্থা থেকে রেহাই পেতে বাড়ছে ক্ষোভ। সকালে প্রায় দু-ঘণ্টা ৩১ সি জাতীয় সড়ক অবরোধ করে স্থানীয় বাসিন্দারা। ১৮ মাইলে ধসের জেরে জাতীয় সড়ক ক্ষতিগ্রস্ত। দুর্ঘটনা এড়াতে ভারী যানবাহন চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হয়।

    বেহাল তরাই, ডুয়ার্স এলাকা।  জলমগ্ন জলপাইগুড়ি, শিলিগুড়ি, আলিপুরদুয়ার, কোচবিহারের বিস্তীর্ণ এলাকা।  বহু মানুষ এখন ত্রাণ শিবিরে। প্রশাসন মোকাবিলায় নামলেও, ত্রাণ নিয়ে ক্ষোভ চলছেই।

    বৃষ্টি থামলেও বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি হয়নি জলপাইগুড়ির বানারহাটে। জলঢাকা নদীর জল কমেছে। কিন্তু বৃষ্টির জলে ফুলে ফেঁপে উঠেছে ডুডুয়া, গিলান্ডি, মুজনাই, কলি, কুমলাই নদীতে।  কলি ও ডুডুয়া নদীর জল বাড়তে থাকায় জলমগ্ন হয়ে পড়ে জয়চাঁদপুর, বালাসুন্দর।

    টানা এক সপ্তাহ জলে কাটানোর পরে নতুন করে বৃষ্টি না হওয়ায় জলপাইগুড়ি শহর থেকে জল নামতে শুরু করেছে দ্রুত।  তিস্তা ও করলা নদীর জলেও অনেকটাই নেমেছে। জলপাইগুড়ি শহরের তিস্তানদীর বাঁধ অসংরক্ষিত অবস্থায় থাকায় আতঙ্ক দেখা দিয়েছে এলাকাবাসীর মধ্যে।

    আলিপুরদুয়ারে বৃষ্টি কমায় জল নামতে শুরু করেছে কালচিনি নদীতে। তবে ভুটান পাহাড়ের টানা বৃষ্টিতে কালজানি নদীর জল বেড়েছে অনেকটাই। পুরসভার বেশ কয়েকটি ওয়ার্ড এখনও জলমগ্ন। শিশামারা নদীর জলে শালকুমার এলাকায় প্লাবন পরিস্থিতি। নতুন করে যোগীন্দ্রনগর, জলদাপাড়া, নতুনপাড়াতে ত্রাণশিবির খোলা হয়েছে।

    টানা বৃষ্টিতে তোর্ষা ফুলে ফেঁপে উঠলেও, মঙ্গলবার তোর্ষার জল নেমেছে। ফলে নতুন করে প্লাবন পরিস্থিতির অবনতি হয়নি। তবে মানসাই ও ধরলা নদীর জল বাড়ায় দিনহাটা, মাথাভাঙা ও সিতাই-এর কয়েকটি গ্রামে নতুন করে জল ঢুকতে শুরু করেছে। রায়ডাক ও গদাধর নদীর জল বাড়ায় তুফানগঞ্জ মহকুমার কিছু গ্রামে ফের জল ঢুকে পড়েছে। ফলে ত্রাণ শিবিরে ভিড়ের সংখ্যা বাড়ছে ক্রমশ।

    মঙ্গলবার জলপাইগুড়িতে বন্যা পরিস্থিতির সামান্য উন্নতি হয়েছে ৷ জল কমেছে তিস্তা ও করলা নদীতে ৷ বিভিন্ন ওয়ার্ড থেকে জল নেমেছে ৷ আজ প্লাবিত এলাকা পরিদর্শনে যাবেন উত্তরবঙ্গ উন্নয়নমন্ত্রী ৷

    জেলা প্রশাসনকে যুদ্ধকালীন তৎপরতায় বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলা করার নির্দেশ দিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই মতো বন্যা জল সম্পদ ভবনের কন্ট্রোল রুম থেকে ২৪ ঘণ্টা নজরদারি রাখা হচ্ছে ৷ খোলা হয়েছে ৪৩ ত্রাণ শিবির ৷ ত্রাণ শিবির থেকে শুকনো ও রান্না করা খাবার দুর্গতদের মধ্যে বিলি করা হচ্ছে ৷ মেডিক্যাল টিম ঘুরছে বন্যা কবলিত এলাকায় ৷ বিএসএফ-এর সঙ্গেও নিয়মিত যোগাযোগ রাখা হচ্ছে ৷

    First published: