• Home
  • »
  • News
  • »
  • north-bengal
  • »
  • NO TOURISTS IN HILLS LEADS TO NO BUSINESS LOCAL PEOPLE SELL MAIZE TO RUN THIER LIVELIHOOD PBD

চলছে কড়া বিধিনিষেধ, পর্যটকশূণ্য পাহাড়ে ভুট্টাই ভরসা রোহিণীর জিনুদের!

সমতলের বিভিন্ন জেলা থেকে বাসিন্দারা বেড়াতে আসতেন। সবসময়ই ভিড় লেগে থাকতো। আজ সবই শুনশান।

সমতলের বিভিন্ন জেলা থেকে বাসিন্দারা বেড়াতে আসতেন। সবসময়ই ভিড় লেগে থাকতো। আজ সবই শুনশান।

  • Share this:

#দার্জিলিং: জিনু বিশ্বকর্মা। কিছুদিন আগেই ওর বাবার মৃত্যু হয়। খবর পেয়েই মুম্বই থেকে ছুটে আসেন কার্শিয়ংয়ের রোহিণীর বাসিন্দা জিনু। কাজের জন্যেই মুম্বইয়ে পাড়ি দিয়েছিলেন। ওখানে বিউটিশিয়ান হিসেবে কাজ করতেন। তারপর আর মুম্বই ফেরা হয়নি। কোভিডের সংক্রমণের মোকাবিলায় রাজ্যজুড়ে চালু হয়েছে কড়া বিধি নিষেধ। বন্ধ যানবাহন চলাচল। বন্ধ উড়ান পরিষেবাও। আপাতত ঠিকানা রোহিণী। হঠাতই বাবার মৃত্যুতে পরিবারেও উপার্জনেও ধাক্কা নেমে আসে। আর তাই কড়া বিধি নিষেধের জেরে ঘরবন্দি জিনু সংসার চালাতে বেড়িয়ে পড়েছেন।

পড়শী এক চাষীর কাছ থেকে ভুট্টা কিনে পাহাড়ি রাস্তার ধারেই বসে পড়েছেন। দিনান্তে যা আয় হয়, ও দিয়েই কোনোক্রমে সংসার চালানোর পথে জিনু। তাঁর কথায়, "এছাড়া উপায় নেই। কোনও গাড়ি চলছে না। কাজের জন্যে অন্যত্রও যাওয়া সম্ভব নয়।" শুধু জিনুই নয়, শিলিগুড়ি থেকে দার্জিলিং যাওয়ার পথে রোহিণী রোডের দু'পাশেই এখন ভুট্টার বাহার! ভুট্টাই এখন এখানকার বাসিন্দাদের কাছে বিকল্প আয়ের একমাত্র উৎস। এই সময়টা ভুট্টার ভাল ফলন হয় পাহাড়ে। দোকানপাট সব বন্ধ। পর্যটক শূণ্য গোটা পাহাড়। চিন্তার ভাঁজ রাস্তার ধারের হোটেল সহ ফাস্টফুডের স্টলের মালিকদের। চারপাশ খাঁ খাঁ করছে। দেখা মিলছে শুধুই কালো ধোঁয়া। পোড়ানো হচ্ছে ভুট্টা। পর্যটনের পাহাড়ে এখন ভুট্টাই ভরসা রোহিণীর বাসিন্দাদের কাছে। সঙ্গে আবার রয়েছে মধুও! পর্যটকের তো দেখা নেই।

সমতলের বিভিন্ন জেলা থেকে বাসিন্দারা বেড়াতে আসতেন। সবসময়ই ভিড় লেগে থাকতো। আজ সবই শুনশান। রোহিণী রোডের দু'পাশের বড় অংশ এখন ভুট্টার দখলে। হোটেল ব্যবসায়ী সঙখে তামাংয়ের কথাতেও একই সুর। ১৬ জুনের পর যান চলাচল স্বাভাবিক হলেও পাহাড়ে চেনা ভিড় দেখা যাবে না। কেন না, পর্যটকেরা এই সময়ে কেউই পাহাড়ে বেড়াতে আসবেন না। স্থানীয় এক রেস্তোরাঁর মালিক ভূপেন্দ্র ঘিসিং বলেন, সমস্যা তো বাড়ছেই। এখন তাকিয়ে কোভিড পরিস্থিতির দিকে। তাঁর আশা আবারও সবকিছুই স্বাভাবিক হয়ে আসবে। ডিসেম্বরের দিকে পাহাড়ে ফের ভিড় বাড়বে পর্যটকদের। আর তাই ১৬ই জুনের পর রাজ্যে কড়া বিধি নিষেধ লাঘব হলেও পাহাড়ে তার বিন্দুমাত্র প্রভাব পড়বে না। কেননা পাহাড়েও প্রতিদিনই বাড়ছে সংক্রমণ। তবুও তারা আশাবাদী, একদিন কোভিড ঝড়ও থামবে। পাহাড়মুখো হবে ভ্রমনপিপাসুরা। চওড়া হাসি ফুটবে কাঞ্চনজঙ্ঘার মুখেও!

Published by:Pooja Basu
First published: