এনজেপি স্টেশনে করোনার করাল ছায়া, খাঁ খাঁ করছে ‘মৃত্যুপুরী’ স্টেশন!

এনজেপি স্টেশনে করোনার করাল ছায়া, খাঁ খাঁ করছে ‘মৃত্যুপুরী’ স্টেশন!

কিন্তু করোনার থাবায় সব শেষ! কোথায় ভিড়! দেখে মনে হবে রেল ধর্মঘট চলছে। এক্কেবারে শুনশান গোটা স্টেশন।

  • Share this:

#জলপাইগুড়ি: করোনার কোপ। খাঁ খাঁ করছে নিউ জলপাইগুড়ি রেল স্টেশন। উত্তর-পূর্ব ভারতের রেল পথের প্রবেশ দ্বার এই স্টেশন। হাজার হাজার যাত্রী ও সাধারন মানুষদের ভিড়ে ঠাসা থাকে এনজেপি স্টেশন। তিল ধারনের জায়গা থাকে না। ভিড়ে গিজ গিজ করতে থাকে। এই সময়েও ভিড় উপচে পড়ার কথা ছিল। কেননা পর্যটনের ভরা মরসুম।

কিন্তু করোনার থাবায় সব শেষ! কোথায় ভিড়! দেখে মনে হবে রেল ধর্মঘট চলছে। এক্কেবারে শুনশান গোটা স্টেশন। ইতিমধ্যেই ১৩ জোড়া ট্রেন বাতিল করেছে উত্তর-পূর্ব সীমান্ত রেল। আগামী ৫ এপ্রিল পর্যন্ত বন্ধ থাকবে এই ১৩ জোড়া ট্রেন। যাত্রী সংখ্যাও হু হু করে কমছে। ৩০ শতাংশের নীচে নেমে গিয়েছে যাত্রী সংখ্যা। তার জেরেই ট্রেন বাতিলের সিদ্ধান্ত উত্তর-পূর্ব সীমান্ত রেলের। বাড়ানো হয়েছে প্ল্যাটফর্ম টিকিটের দাম। সিনিয়র সিটিজেন সহ সব সুযোগ প্রাপ্তদের টিকিটে ছাড় বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। ভিড় কমাতেই এই উদ্যোগ ভারতীয় রেলের। খুব প্রয়োজন ছাড়া কেউই ট্রেনে যাত্রা করছে না। চিকিৎসার জন্যে বা চাকরির প্রয়োজন ছাড়া ট্রেনে উঠছেনই না কেউই।

করোনা আতঙ্কে  দূরপাল্লার ট্রেন গুলোতেও ভিড় কমেছে। কাউন্টারে নেই লম্বা লাইনও। এনজেপি স্টেশনে পৌঁছলে অবাকই হতে হবে! এ আবার কোন স্টেশনে এলাম! স্টেশনের বাইরের ছবিও এক। প্রিপেইড বা পোস্ট পেইড ট্যাক্সি বুথ ফাঁকা। উত্তরের সব পর্যটন কেন্দ্র আগামী ১৫ এপ্রিল পর্যন্ত বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। সংকটে পড়েছে কুলি থেকে হকার। প্ল্যাটফর্মের ব্যবসায়ী থেকে গাড়ি চালকেরা। দুশ্চিন্তা গ্রাস করেছে তাদের। কিভাবে সংসার চলবে তা এখন তাড়া করে বেড়াচ্ছে। যা পরিস্থিতি আগামী ১৫ এপ্রিলের আগে স্বাভাবিক হওয়ার কথা নয়! এই সময়ের মধ্যে আরো কিছু ট্রেন বাতিলের সম্ভাবনা থাকছে। রেল সূত্রে জানা গিয়েছে, ৩০ শতাংশের নীচে যাত্রী সংখ্যা নেমে গেলে রেল পরিষেবা বন্ধ করে দেওয়া হবে। সব মিলিয়ে স্টেশন জুড়েও করোনা ছায়া!

 Partha Sarkar

First published: March 20, 2020, 10:59 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर