উত্তরবঙ্গ

?>
corona virus btn
corona virus btn
Loading

জাতি-বর্ণ ভুলে অসহায় কনের পাশে স্থানীয়রা, চাঁদা তুলে বিয়ে হল মালদহের বুল্টির

জাতি-বর্ণ ভুলে অসহায় কনের পাশে স্থানীয়রা, চাঁদা তুলে বিয়ে হল মালদহের বুল্টির

কিছুটা সোশ্যাল মিডিয়ায় সাহায্য চেয়ে, কিছুটা নিজেরা চাঁদা তুলে বিয়ের টাকা জোগাড় করলেন স্থানীয় যুবকেরা

  • Share this:

#মালদহ: লকডাউনে দেখা দিয়েছে চৃড়ান্ত আর্থিক অনটন , তারমধ্যেই হাজির বিয়ের তারিখ ! তা হলে উপায় ? অবশেষে  অসহায় কনে পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন স্থানীয় যুবক আবদুল্লাহ, আলমগীর, মিরাজ, যুবরাজ-রা। অনুষ্ঠানে খাওয়ারের ব্যবস্থা থেকে বিয়ের সমস্ত উপকরণ, সবই জোগাড় হল খানিকটা চাঁদার টাকায়, খানিকটা সোশ্যাল মিডিয়ার সাহায্যে। সামাজিক দূরত্ব মেনে, মুখে মাস্ক পরেই চার হাত এক হল বর- কনের।

জানা যায়,  চরিঅনন্তপুর পঞ্চায়েতের দুইশতবিঘি গ্রামের পাত্র পবিত্র সিং পেশায় পরিযায়ী শ্রমিক। কনে বুল্টি সিং বিড়ি বেঁধে সামান্য টাকা রোজগার করেন। দুইজনেরই বাবা মারা গিয়েছেন বেশ কয়েক বছর আগে। লকডাউন পরিস্থিতিতে দুই পরিবারেই চূড়ান্ত আর্থিক অনটন। এই পরিস্থিতিতে বিয়ের সমস্ত খরচা জোগাড় করার সামর্থ ছিল না বাখরাবাদ পঞ্চায়েতের হঠাৎপাড়ার বাসিন্দা বুল্টির পরিবারের। একচালা টিনের ঘরে কোনওরকমে মাথা গুঁজে চলে বুল্টির পরিবারের জীবনযাপন। লকডাউনে বিড়ি বাঁধার কাজও কার্যত বন্ধ। ফলে হাতে নগদ টাকা বলতে কিছুই নেই! মেয়ের বিয়ে দেওয়া নিয়ে যখন দিশেহারা পরিবার, তখনই পাশে দাঁড়ান এলাকার যুবক আবদুল্লাহ,আলমগীর,মিরাজ,যুবরাজ-রা।

সোশ্যাল মিডিয়ায় তুলে ধরা হয় পরিবারের সমস্যার কথা। স্থানীয় যুবকেরা কিছুটা চাঁদা তুলে, বাকিটা সোশ্যাল মিডিয়ার সাহায্য নিয়ে জোগাড় করেন প্রায় ১৬ হাজার টাকা। ওই টাকা দিয়েই ২০ জন বরযাত্রী-সহ প্রায় ৫০ জনের খাওয়ারের ব্যবস্থা করা হয়। মেনুতে ছিল ভাত,ডাল,তরকারি,মাছ ও মিষ্টি।

স্থানীয়দের সাহায্যেই গাটছড়া বাঁধলেন পবিত্র আর বুল্টি। কোভিড প্রোটোকল মেনেই বসে বিয়ের আসর। পাশাপাশি, বিয়েতে আসা  প্রায় ৫০ জনের মাস্ক ও স্যানিটাইজারেরও ব্যবস্থা করা হয়। অসহায় পরিবারের পাশে দাঁড়াতে পেরে খুশি স্থানীয় হিন্দু ও মুসলমান যুবকেরা।  তাঁদের কথায়, '' সোশ্যাল মিডিয়ায় অনেকেই সাহায্য করেন। বাকিটা নিজেরাই জোগাড় করি। ভবিষ্যতেও এমন উদ্যোগ নিতে চাই।''

Sebak DebSarma

Published by: Rukmini Mazumder
First published: July 13, 2020, 10:23 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर