ঝাড়ফুঁকের অভিযোগ, মালদহে একই পরিবারের তিন মহিলাকে কোপাল প্রতিবেশী

দ্রুত তাঁদের তিন জনকে উদ্ধার করে মালদহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য নিয়ে আসা হয়। এর মধ্যে একজনের অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাঁকে কলকাতায় স্থানান্তর করা হয়েছে।

দ্রুত তাঁদের তিন জনকে উদ্ধার করে মালদহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য নিয়ে আসা হয়। এর মধ্যে একজনের অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাঁকে কলকাতায় স্থানান্তর করা হয়েছে।

  • Share this:

Sebak DebSarma

#মালদহ: মালদহে একই পরিবারের তিন মহিলাকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে খুনের চেষ্টা। গুরুতর অভিযোগ উঠল প্রতিবেশীদের  বিরুদ্ধে। চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে মালদহ জেলার মোথাবাড়ি থানার রামনাথপুর এলাকায়। ঘটনায় জখম তিনজন সম্পর্কে মা এবং দুই মেয়ে। এর মধ্যে মায়ের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাঁকে কলকাতায় স্থানান্তর করা হয়েছে। ওই পরিবারকে ঝাড়ফুঁকের সঙ্গে জড়িত বলে সন্দেহ করে হামলা চালানো হয় বলে অভিযোগ। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, আহতরা হলেন অর্চনা মন্ডল(৪০), সুইটি মন্ডল (১৪) ও পূর্ণিমা মন্ডল (১০)। সুইটি স্থানীয় মধুঘাট ভাগীরথী হাইস্কুলের দশম শ্রেণীর ছাত্রী। পূর্ণিমা মন্ডল ভাগীরথী হাইস্কুলের  ষষ্ঠ শ্রেণীর পড়ুয়া। সুইটি এবং পূর্ণিমা দুই বোন। খুনের চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে প্রতিবেশী রতন মন্ডল, ভোলা মন্ডল, সত্যেন মন্ডল ও হরেন মন্ডলের বিরুদ্ধে। ঘটনায় মোথাবাড়ি থানায় অভিযোগ দায়ের হয়েছে।

অর্চনা মন্ডলের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাঁকে মঙ্গলবার সকালে মালদহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল থেকে কলকাতায় পাঠানো হয়। স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, প্রতিবেশী রতন মণ্ডলের বাড়িতে দীর্ঘদিন ধরেই অসুখে ভুগছেন তাঁর পরিবারের লোকেরা। এর ফলে রতনের পরিবারের সন্দেহ হয় তাঁদের পরিবারের অমঙ্গল চেয়ে ঝাড়ফুঁক করছেন অর্চনা মন্ডলের পরিবারের লোকেরা। আগেও প্রতিবেশীর দুই পরিবারের মধ্যে এ নিয়ে সমস্যা হয়েছিল। সেই সময় সমস্যা মেটাতে গ্রামে বসানো হয়েছে সালিশি সভাও। তাতেও কোনও ফল হয়নি। এরই মধ্যে সম্প্রতি আবার রতনের বাড়ির লোক অসুস্থ হয়ে যায়। ফের সন্দেহের মুখে পড়েন অর্চনা ও তাঁর পরিবার। এরই জেরে সোমবার রাতে পরিবারের তিন মহিলাকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কোপানো হয়।

দ্রুত তাঁদের তিন জনকে উদ্ধার করে মালদহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য নিয়ে আসা হয়। আজ সকালে অর্চনার অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাঁকে কলকাতা স্থানান্তর করা হয়েছে। বাকি দুই মেয়ে চিকিৎসাধীন রয়েছেন মালদহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে।পুলিশ জানিয়েছে, অত্যন্ত গুরুত্ব দিয়ে ঘটনার তদন্ত করা হচ্ছে। অভিযুক্তদের খোঁজ চালানো হচ্ছে। ঝাড়ফুঁক ছাড়াও প্রতিবেশীদের মধ্যে জমি বিবাদের ঘটনা থাকতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। সব সম্ভাবনা খোলা রেখেই তদন্ত করা হচ্ছে।

Published by:Simli Raha
First published: