corona virus btn
corona virus btn
Loading

লকডাউনের অন্ধকারেই আশার প্রদীপ, হাসি ফেরাল মোদির ঘোষণাই

লকডাউনের অন্ধকারেই আশার প্রদীপ, হাসি ফেরাল মোদির ঘোষণাই
লকডাউনেও শুরু হল কাজ

গত দুদিন ধরে মাটির প্রদীপের চাহিদা তুঙ্গে। অনেক বাড়িতে এসে প্রদীপের অর্ডার দিয়ে গিয়েছেন। মৃৎশিল্পীদের আশা, অসময়ে কিছু পয়সা পেলে কিছুটা পরিস্থিতি সামাল দেওয়া যাবে।

  • Share this:

প্রধানমন্ত্রী ঘোষনায় রায়গঞ্জ ব্লকের পটুয়াপাড়ায় ব্যস্ততা চরমে।মাটির প্রদীপ তৈরীতে ব্যস্থ রায়গঞ্জ ব্লকের কাঞ্চনপল্লী, সুভাষগঞ্জ সহ আশেপাশের পটুয়া পাড়ায়।লকডাউনের মধ্যেও কিছু আয়ের সুযোগ এসেছে।সেই সুযোগকে কাজে লাগাতে পরিবারের প্রত্যেক সদস্য দিনরাত কাজ সুদৃশ্য প্রদীপ তৈরিতে ব্যস্ত।

আজ রাত্রি ন'টায় সারা দেশে বিদ্যুতের আলো নিভিয়ে মোমবাতি,প্রদীপ এমনকি মোবাইলের টর্চ জ্বালানোর জন্য ভারতবাসীর কাছে আহ্বান জানিয়েছেন। করোনা সংক্রমন প্রতিরোধে দেশজুড়ে চলা লকডাউনের ফলে ঝিমিয়ে পড়েছিলেন  রায়গঞ্জের মৃৎশিল্পীরা। কিন্তু প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির  ঘোষনায় চরম  ব্যাস্ততা তাদের মধ্যে।

আজ রাত নটায় প্রদীপ জ্বালিয়ে করোনা মোকাবিলায় ঐক্যবদ্ধ সংকল্পের ডাক দিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী।  আর এর জেরেই চাহিদা তুঙ্গে উঠেছে মাটির প্রদীপের। লকডাউনের এই অসহায় মুহূর্তে সাময়িক হলেও বাড়তি কিছু পয়সার মুখ দেখছেন মৃৎশিল্পীরা। স্বাভাবিক ভাবেই কাজ হারানো মানুষগুলোর মুখে প্রধানমন্ত্রীর এই ঘোষনা পরিতৃপ্তির হাসি ফিরিয়ে এনেছে। রায়গঞ্জ শহরের কাঞ্চনপল্লী, সুভাষগঞ্জ সহ অন্যান্য কিছু জায়গায় মাটির হাঁড়ি,কলসী,গ্লাস, প্রদীপ, গৃহসজ্জার সামগ্রী বিক্রি করে জীবিকা নির্বাহ করেন মৃৎশিল্পীরা। কিন্তু দেশজুড়ে চলা লকডাউনের ফলে উৎপাদিত মাটির জিনিসের বিক্রি প্রায় তলানীতে এসে ঠেকেছিলো। অর্থের অভাবে সংসার চালাতে গিয়ে হিমশিম খেতে হচ্ছিল মৃৎশিল্পীদের।

গত দুদিন ধরে মাটির প্রদীপের চাহিদা তুঙ্গে। অনেক বাড়িতে এসে প্রদীপের অর্ডার দিয়ে গিয়েছেন। মৃৎশিল্পীদের আশা, অসময়ে কিছু পয়সা পেলে কিছুটা পরিস্থিতি সামাল দেওয়া যাবে।

Published by: Arka Deb
First published: April 5, 2020, 8:36 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर