কোচবিহারের সভায় মমতাকে ‘স্পিডব্রেকার’ বলে আক্রমণ মোদির

Bangla Editor | News18 Bangla
Updated:Apr 07, 2019 01:23 PM IST
কোচবিহারের সভায় মমতাকে ‘স্পিডব্রেকার’ বলে আক্রমণ মোদির
Bangla Editor | News18 Bangla
Updated:Apr 07, 2019 01:23 PM IST

#কোচবিহার: কোচবিহারের জনসভা থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে বেনজির আক্রমণ নরেন্দ্র মোদির। প্রধানমন্ত্রীর অভিযোগ, রাজ্যে গুন্ডা, তোলাবাজদের প্রশ্রয় দিচ্ছে পিসি-ভাইপোর সরকার। চিটফান্ড নিয়েও তৃণমূলকে বিঁধেছেন তিনি।

নরেন্দ্র মোদির দাবি, ‘সভায় আসতে বাধার চেষ্টা ব্যর্থ হয়েছে ৷ সভায় উপচে পড়া ভিড়ই তার প্রমাণ ৷ সভামঞ্চ গড়তে বাধা দেওয়া হয় ৷ এসব বাচ্চাদের মতো আচরণ ৷ দিদি ও তাঁর কর্মীরা ড্রামা করছেন ৷ দুষ্টুমি করে ভোটে জেতা যায় না ৷ আপনারা যত মোদি মোদি করেন... ততই স্পিডব্রেকার দিদির ঘুম উড়ে যায় ৷’

ভোটের মুখে রাজ্যে পুলিশ কর্তাদের রদবদলের নির্দেশ দিয়েছে নির্বাচন কমিশন৷ কলকাতা পুলিশের কমিশনার অনুজ শর্মাকে সরিয়ে আনা আইপিএস অফিসার রাজেশ কুমারকে৷ রাতারাতি সরিয়ে দেওয়া হয়েছে বিধাননগরের পুলিশ কমিশনার জ্ঞানবন্ত সিংকে৷ নতুন কমিশনার নটরাজন রমেশ বাবু৷ এ ছাড়াও রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় পুলিশকর্তাদের রদবদলের নির্দেশ দিয়েছে কমিশন৷ বড়সড় পুলিশি রদবদলের এই পদক্ষেপে যারপরনাই ক্ষুব্ধ রাজ্য সরকার৷ নির্বাচন কমিশনকে কড়া চিঠি দিচ্ছে নবান্ন ৷ এই ঘটনায় যথেষ্ট ক্ষুব্ধ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও ৷ এই প্রসঙ্গ টেনে মোদি বলেন, ‘কমিশনের উপর রাগ দেখাচ্ছেন দিদি ৷ এতেই স্পষ্ট দিদি ভয় পেয়েছেন ৷ দিদির শিকল থেকে বাংলা মুক্ত হতে চায় ৷’

সভায় বিশৃঙ্খলা নিয়ে মমতাকে কটাক্ষ মোদির ৷ তাঁর মন্তব্য, ‘ধাক্কাধাক্কি করবেন না ৷ পড়ে গেলে আমার নামে এফআইআর হবে ৷ জনসমর্থন চলে গেলে কী অবস্থা হয়... সেটা দিদির আচরণে স্পষ্ট হয়েছে ৷’

ভোটব্যাঙ্কের রাজনীতি করছেন তৃণমূল সুপ্রিমো ৷ কোচবিহারের সভা থেকে এমনটাই দাবি করলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ৷ পাশাপাশি মোদি আরও বলেন, ‘যারা দেশ ভাগ চায়, তাদের পাশে দিদি ৷ দিদির জন্যই রাজ্যবাসী কষ্টে আছেন ৷ দেশে দু’জন প্রধানমন্ত্রী চান দিদি ৷ দেশ ও কাশ্মীরের আলাদা প্রধানমন্ত্রী চান ৷’

Loading...

একের পর এক দুর্নীতির অভিযোগ তুলে রাজ্য সরকারকে কাঠগড়ায় তোলার পাশাপাশি ইউপিএ সরকারকেও আক্রমণ করলেন নরেন্দ্র দামোদরদাস মোদি ৷ তিনি বলেন, ‘আগের সরকার সিদ্ধান্ত নিতে ভয় পেত ৷ পাকিস্তান একের পর এক হুমকি দিত ৷ দিল্লির সরকার কোনও সিদ্ধান্তই নিত না ৷ পাকিস্তানের সাহস বেড়ে গিয়েছিল ৷ সন্ত্রাসবাদ নিয়ে কিছু করেনি ইউপিএ ৷ চৌকিদার আসতেই পরিস্থিতির বদল হয়েছে ৷’

First published: 01:09:03 PM Apr 07, 2019
পুরো খবর পড়ুন
Loading...
अगली ख़बर