বুঝে ওঠার উপার নেই, পুলিশ সেজে মহিলাকে লুঠল দুষ্কৃতীরা!

বুঝে ওঠার উপার নেই, পুলিশ সেজে মহিলাকে লুঠল দুষ্কৃতীরা!

গয়নাগুলো না পেয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েন তিনি

  • Share this:

# মালদহ : নাকের ডগায় পুলিশ লাইন। তিন জনের গায়ে ছিল পুলিশেরই উর্দি। ওই তিনজন মিলে এক মহিলার সোনার গয়না নিয়ে চলে গেল। মঙ্গলবার সকালে এই ঘটনা মালদহ শহরে। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। তারপরেও উঠছে নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন। 

জানা গিয়েছে, শ্যামলী দাস নামের বছর আটান্নর ওই মহিলা মালদহ শহরের গৌড় রোড এলাকার বাসিন্দা। এদিন সকালে টোটো করে তিনি শহরের পুলিশ লাইন এলাকায় মেয়ের ফ্লাটে যাচ্ছিলেন। সেইসময় পুলিশের পোশাক পরে তিন যুবক টোটো থামান। মহিলার অভিযোগ, পুলিশের পোশাকধারী ওই দুষ্কৃতীরা বলে এলাকায় পরপর চুরি-ছিনতাই হয়েছে। তাই, তিনি যেন গায়ের সোনা গয়না খুলে ব্যগে ঢুকিয়ে নেন।

পুলিশের পোশাক পরে থাকায় আচমকা এমন ঘটনাকে পুলিশি নির্দেশ ভেবে গলায়, ও হাতের  সোনার অলংকার খুলে ফেলেন শ্যামলীদেবী। এরপর দুষ্কৃতীদের দেওয়া একটি কাগজের মধ্যে সেগুলিকে মুড়েও ফেলেন।

অভিযোগ, তাড়াতাড়ি গয়না খুলতেও সাহায্য করে ওই যবুকরাই। সেই সুযোগে হাতের কারসাজিতে পুলিশের পোশাক পরা দুষ্কৃতীরা প্রায় একই ধরনের কাগজে মোড়া অন্যকিছু তাঁর হাতে দিয়ে সোনার গয়নাগুলি হাতিয়ে নেয়। সেই সময় বিষয়টি আঁচ করতে পারেননি মহিলা। এরপর বাড়িতে এসে কাগজ খুলে দেখেন ভেতরে রয়েছে শুধু কয়েকটি প্লাস্টিকের চুড়ি।

এরপরে গয়নাগুলো না পেয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েন তিনি। পরে আত্মীয়দের সঙ্গে এসে ইংরেজবাজার থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। মহিলা জানিয়েছেন, সব মিলিয়ে প্রায় তিন ভরি গয়না ছিনতাই করে চম্পট দেয় দুষ্কৃতীরা। মালদহের পুলিশ সুপার অলোক রাজোরিয়া বলেন, 'যে কায়দায় ঘটনাটি ঘটেছে সাধারণত সেইভাবে পুলিশ পথচারীদের থামিয়ে, বা কখনোই গয়না খুলে ফেলতে বলেনা। মানুষকে বিশেষ করে মহিলাদের এবিষয়ে আরো সচেতন হতে হবে'।

একইসঙ্গে অত্যন্ত গুরুত্ব দিয়ে এই ঘটনার তদন্ত করা হবে বলেও জানিয়েছেন পুলিশ সুপার  ।

সেবক  দেবশর্মা

First published: February 11, 2020, 6:31 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर