• Home
  • »
  • News
  • »
  • north-bengal
  • »
  • মানসিক ভারসাম্যহীন এক ব্যক্তিকে পরিবারের হাতে তুলে দিল হেমতাবাদ থানার পুলিশ

মানসিক ভারসাম্যহীন এক ব্যক্তিকে পরিবারের হাতে তুলে দিল হেমতাবাদ থানার পুলিশ

উদ্ধার হওয়া ব্যক্তিকে পুলিশ তার পরিবারের হাতে তুলে দেয়।

উদ্ধার হওয়া ব্যক্তিকে পুলিশ তার পরিবারের হাতে তুলে দেয়।

উদ্ধার হওয়া ব্যক্তিকে পুলিশ তার পরিবারের হাতে তুলে দেয়।

  • Share this:

#হেমতাবাদ: চিকিৎসাধীন অবস্থায় বাড়ি থেকে পালিয়ে এসে হেমতাবাদ পুলিশের হাতে ধরা পড়ল এক মানসিক ভারসাম্যহীন ব্যক্তি। উদ্ধার হওয়া ব্যক্তিকে পরিবারের হাতে তুলে দিল হেমতাবাদ থানার পুলিশ। বেশ কিছুদিন পর নিজের ছেলেকে কাজে খুশি পরিবার।

হেমতাবাদ পুলিশ সুত্রে জানা গেছে, বিহারের ভাগলপুর বাসিন্দা চন্দন কর্মকার বেশ কিছুদিন মানসিক রোগে ভুগছে। স্থানীয় চিকিৎসকের কাছে তার চিকিৎসাও চলছে। চিকিৎসা চলাকালীন বেশ কয়েকদিন আগে বাড়ি থেকে বের হয়ে চলে আসে। পরিবারের লোকেরা তার খোঁজখবর করেও তার সন্ধান করতে পারেনি।পরিবারের লোকেরা স্থানীয় থানায় নিখোঁজ ডাইরি করে।  সোমবার রাতে ঠান্ডার মধ্যে শীতবস্ত্র ছাড়াই হেমতাবাদ বাজারে উদ্দেশ্যহীনভাবে এক ব্যক্তিকে ঘোরাঘুরি করতে দেখে পুলিশের সন্দেহ হয়। পুলিশ তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করাতে অসংলগ্ন কথা বার্তা বলে। পুলিশের প্রাথমিক অনুমান সে মানসিক ভারসাম্যহীন। সেই ব্যাক্তিকে থানায় নিয়ে শীত বস্ত্র তুলে দেয় হেমতাবাদ থানার পুলিশ। রাতে থানায় খাওয়াদাওয়া করিয়ে ঘুমানোর ব্যবস্থা করা হয়।পুলিশ তার কাছ থেকে পরিবারের ঠিকানা সংগ্রহ করে পরিবারকে খবর দেয়। মঙ্গলবার বিকালে ওই ব্যাক্তির কাকা সত্যনারায়ণ কর্মকার এবং ভাই বিশ্বজিৎ কর্মকার হেমতাবাদ থানায় পৌঁছায়। ভাইকে দেখতে চোখের জল ধরে রাখতে পারেনি বিশ্বজিৎ।

উদ্ধার হওয়া ব্যক্তিকে পুলিশ তার পরিবারের হাতে তুলে দেয়। ভাইকে পেয়ে বিশ্বজিৎবাবু জানান, দীর্ঘদিন নিখোঁজ থাকায় তার আশা পরিবারের লোজেরা ছেড়ে দিয়েছিল। হেমতাবাদ থানার পুলিশের ভূমিকায় উচ্ছ্বসিত। পুলিশ তাকে আটকে না রাখলে এই ঠান্ডায় কোথায় মরে যেত পরিবারের লোকেরা হয়ত জানতেই পারত না। আজ হেমতাবাদ থানা পুলিশের তৎপরতায় ভাইকে কাছে পেলেন।পুলিশের এই ভূমিকা তারা চিরদিন মনে রাখবেন।

Published by:Pooja Basu
First published: