corona virus btn
corona virus btn
Loading

লকডাউনে বিয়ে নয়! অনড় ছেলের মা, সমস্ত আয়োজন করে মাথায় হাত কনেপক্ষের

লকডাউনে বিয়ে নয়! অনড় ছেলের মা, সমস্ত আয়োজন করে মাথায় হাত কনেপক্ষের

আগে মানুষ বেঁচে থাকুক, তারপর বিয়ে। ফলে লোকডাউন চলাকালীন ছেলের বিয়ে দিতে রাজী নন রায়গঞ্জ ব্লকের বোগ্রামের বাসিন্দা অনিতা দাস।লকডাউনে বড় জমায়েত, সমস্ত ধরনের অনুষ্ঠান বন্ধ রাখার জন্য রাজ্য সরকার নির্দেশ জারি করেছে।

  • Share this:

#রায়গঞ্জ: লকডাউনের কারণে ছেলের বিয়ে স্থগিত রাখলেন রায়গঞ্জ বোগ্রামের বাসিন্দা অনিতা দাস। বিয়ে স্থগিত হয়ে যাওয়ায় চরম বিপাকে পড়েছেন রায়গঞ্জ ব্লকের কমলাবাড়ি গ্রাম পঞ্চায়েতের  বারোগন্ডা গ্রামের বাসিন্দা সুবল দাসের পরিবার৷ দিদির বিয়ে না হওয়ায় মন খারাপ পাত্রীর বোন সূর্যলেখার।

আগে মানুষ বেঁচে থাকুক, তারপর  বিয়ে। ফলে লোকডাউন চলাকালীন ছেলের বিয়ে দিতে রাজী নন রায়গঞ্জ ব্লকের বোগ্রামের বাসিন্দা অনিতা দাস।লকডাউনে বড় জমায়েত, সমস্ত ধরনের  অনুষ্ঠান বন্ধ রাখার জন্য  রাজ্য সরকার নির্দেশ জারি করেছে। তাই অনিতা দাস তার ছেলের বিয়ে আপাতত স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। মেয়ের বিয়ের সমস্ত আয়োজন প্রায় শেষের দিকে করে এনেছিলেন সুবলবাবু। ক্যাটারার, বাজনাবালা, প্যান্ডেল সবাইকে বিয়ের জন্য বায়না করে দিয়েছিলেন। এমনকি বিয়ের কার্ডও ছাপা হয়ে গিয়েছিল। আত্মীয় পরিজনদের ও পাড়া প্রতিবেশীদের বিয়ের কার্ড বিলি করার সময় ছিল। কিন্তু আচমকাই গোটা পৃথিবী জুড়ে করোনা ভাইরাসের থাবা বসিয়েছে। ফলে দেশ জুড়ে চলছে লকডাউন।

কেন্দ্রীয় ও রাজ্য সরকার গত ২৩ মার্চ থেকে দেশ জুড়ে  লকডাউনের নির্দেশ জারি করেছে। জমায়েত করে কোন অনুষ্ঠান করা যাবে না বলে রাজ্যে সরকার একটি নির্দেশ জাড়ি করেছেন। চলতি  মাসের ৮ মে এই বিয়ে হবার কথা ছিল। রায়গঞ্জ ব্লকের  বোগ্রামের বাসিন্দা কমলাকান্ত দাসের ছেলে কুমেশ্বর দাসের সাথে কমলাবাড়ি গ্রাম পঞ্চায়েতের বারোগন্ডার বাসিন্দা  সুবল দাসের মেয়ে শিলা দাসের বিয়ে হবার কথা ছিল। লকডাউনের আগের থেকে তাদের বিয়ের তারিখ ঠিক হয়ে গিয়েছিল। লকডাউন কারনে মেয়ের বিয়ে স্থগিত হয়ে যাওয়ায় চরম সমস্যা মুখে পরতে হল সুবলবাবু।

সুবলবাবুর স্ত্রী শিখা দাস জানিয়েছেন, লকডাউন পিরিয়ড চলায়  মেয়ের বিয়ে স্থগিত হয়ে গেল। বিয়ের সমস্ত জোগার হয়ে গিয়েছিল। সবাইকে বায়নাও করে দেওয়া হয়েছিল। বিয়ের কার্ড দেওয়া  আগেই ছেলের বাড়ির এই সিদ্ধান্তে কার্যত তারা ভেঙ্গে পড়েছেন। যেসমস্ত জায়গায় বায়না করা হয়ে ছিল তারা যদি বায়নার টাকা ফেরত না দেয় তাহলে তাদের চরম সমস্যার মধ্যে পড়তে হবে।তার স্বামী কৃষিকাজের উপর নির্ভরশীল। কবে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে সেদিকেই তাকিয়ে আছেন শিখাদেবী।

অনিতাদেবী জানিয়েছেন, করোনার আক্রমণ যেভাবে ছড়িয়ে পড়ছে তাতে তারা আতঙ্কিত। সবাই ভাল থাকুক, সুস্থ থাকুক। এই পার্দুভাব দূর হোক তারপর বিয়ে নিয়ে ভাববেন। মানুষ বেঁচে থাকিলে অবশ্যই বিয়ের অনুষ্ঠান করা যাবে জানিয়েছেন পাত্রের মা অনিতা দেবী।

First published: May 3, 2020, 12:49 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर