উত্তরবঙ্গ

?>
corona virus btn
corona virus btn
Loading

লাগাতার বৃষ্টিতে বিপাকে উত্তরবঙ্গ! প্লাবিত একাধিক এলাকা, শিলিগুড়িতে জল যন্ত্রণা

লাগাতার বৃষ্টিতে বিপাকে উত্তরবঙ্গ! প্লাবিত একাধিক এলাকা, শিলিগুড়িতে জল যন্ত্রণা
জলমগ্ন হয়ে পড়েছে শিলিগুড়ির বহু এলাকা৷

পুরসভার কোনও কো-অর্ডিনেটর এবং প্রশাসক মণ্ডলীর সদস্যকেই দেখা যায়নি বলে অভিযোগ বাসিন্দাদের।

  • Share this:

#শিলিগুড়ি: রাতভর নাগাড়ে বৃষ্টি। পাহাড় ও সমতলে মুষলধারায় বৃষ্টির জেরে বিপাকে শিলিগুড়ি ও লাগোয়া একাধিক এলাকা। নিচু এলাকাগুলি প্লাবিত। বহু বাড়িতে জল ঢুকে পড়েছে। চরম সঙ্কটে পুরসভা সহ গ্রামীণ এলাকা। জলমগ্ন শিলিগুড়ি পুরসভার ২৫, ৩১, ৩৯, ৪৬ সহ আরও কয়েকটি ওয়ার্ড। অভিযোগ, বেহাল নিকাশি নালার জন্যই বৃষ্টির জলে বন্দি বাসিন্দারা।

পুরসভার কোনও কো-অর্ডিনেটর এবং প্রশাসক মণ্ডলীর সদস্যকেই দেখা যায়নি বলে অভিযোগ বাসিন্দাদের। চূড়ান্ত জল যন্ত্রণায় পুরবাসীরা। কোথাও কোমর সমান তো কোথাও আবার হাঁটু পর্যন্ত জল। রান্না করার উপায় নেই। এ দিন উনুনে ভাতের হাঁড়ি চড়েনি বহু বাড়িতে। ফের আকাশের মুখ ভার। যা চিন্তা বাড়াচ্ছে নিচু এলাকার বাসিন্দাদের। ফের ভারী বৃষ্টি হলে যন্ত্রণা যে বাড়বে!

একেই শনিবার মধ্য রাত থেকে ঘুম ছুটেছে। জল কাদার সঙ্গে রাত জাগতে হয়েছে। শিলিগুড়ি মহকুমার নকশালবাড়ি, মাটিগাড়া এবং ফাঁসিদেওয়া ব্লকের একাধিক এলাকা জলমগ্ন। ঘরবন্দি মানুষ। দূর্ভোগ ক্রমেই বাড়ছে। ২ দিন ধরে জলের সঙ্গেই ওদের সংসার!

শহর লাগোয়া ডাবগ্রাম এবং ফুলবাড়ির বহু এলাকাও প্লাবিত। বৃষ্টির জল ঘরে ঘরে ঢুকে পড়েছে। ডাবগ্রামের মাঝাবাড়ি, বাড়িভাসা, ঠাকুরনগর এলাকা জলমগ্ন! ঘরবন্দি কয়েক হাজার বাসিন্দা। ত্রাণও মিলছে না বলে অভিযোগ উঠেছে। ফুলবাড়ির নিপানিয়া, পশ্চিম ধনতলার একাধিক বাড়িও জলের তলায়। স্থানীয় পঞ্চায়েত সদস্যের দেখা মেলেনি বলে অভিযোগ বাসিন্দাদের।

অন্যদিকে জলের স্রোতে পাঁচিল ভেঙে পড়ায় বিপত্তি বেড়েছে উত্তর শান্তিনগরে। উপড়ে পড়েছে বিদ্যুতের খুঁটি। তিনটে বাড়ি ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। একেই বৃষ্টি, তারউপর বাড়ির ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় আরও বেশি সমস্যায় উত্তর শান্তিনগরের বাসিন্দারা। এদিকে বৃষ্টির জেরে জল বেড়েছে মহানন্দা এবং বালাসন সহ একাধিক পাহাড়ি নদীতে। শিলিগুড়িতে গত ২৪ ঘণ্টায় বৃষ্টি হয়েছে ২৩২ মিলিমিটার। এছাড়া আলিপুরদুয়ারে ৩৪৫ মিমি, জলপাইগুড়িতে ১৪৫. ৪০ মিমি, কোচবিহারে ১৬২ মিমি, হাসিমারায় ১৬১.৪৯ মিমি, মালবাজারে ২৯০.৬৯ মিমি, বানারহাটে ২১৯ মিমি, তুওহানগিঞ্জে ১১৫. ২০, ময়নাগুড়িতে ১১০ মিমি এবং মাথাভাঙায় ১০১.৪০ মিমি বৃষ্টি হয়েছে।

Partha Pratim Sarkar

Published by: Debamoy Ghosh
First published: July 12, 2020, 4:39 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर