corona virus btn
corona virus btn
Loading

ভূমিকম্প হলেই সতর্ক করতে বেজে উঠবে এলার্ম, আবিষ্কার নয়া যন্ত্রের

ভূমিকম্প হলেই সতর্ক করতে বেজে উঠবে এলার্ম, আবিষ্কার নয়া যন্ত্রের
চলতি বছরের ১২ এপ্রিল থেকে ২৯ মে-এর মধ্যে মোট ১২ বার ভূমিকম্পে কেঁপে উঠেছে রাজধানী ও তার পার্শ্ববর্তী অঞ্চল ৷ বারবার ভূমিকম্প হওয়ায় বেশ চিন্তিত বিশেষজ্ঞরা ৷ তবে পরপর এই কম্পন কম মাত্রায় হওয়ায় কোনও বড় বিপর্যয় ঘটেনি ৷ কিন্ত এই ভূমিকম্প আগামী দিনের কোনও বিপর্যয়ের সঙ্কেত কিনা সেই নিয়ে আশঙ্কা তৈরি হয়েছে ৷

কম্পনের তীব্রতায় বেজে উঠবে এলার্ম।

  • Share this:

#শিলিগুড়ির: ভূমিকম্পকে কে না ভয় পায়! আর এই কম্পনে স্ত্রী আর মেয়ের কাঁপুনি দেখেই নয়া যন্ত্রের আবিষ্কার করলেন শিলিগুড়ির এক কম্পিউটার মেকানিক। সময়টা ২০১৫-এর এপ্রিল মাস। পরপর ভূমিকম্পে কেঁপে উঠেছিল নেপাল। কেঁপে উঠেছিল শিলিগুড়ি-সহ গোটা উত্তরবঙ্গ। তিন তলায় স্বপরিবারে থাকেন শিলিগুড়ির সুব্রত পাল। বাণিজ্য বিভাগ নিয়ে পড়াশোনা। আর ছোটবেলা থেকেই ইলেক্ট্রনিক্সের সরঞ্জামের সঙ্গে প্রেম। ভূমিকম্পে স্ত্রী আর মেয়ের কাঁপুনি আজও বার বার মনে করায়। তিন তলার ঘরেই বন্দী ছিলেন। ভয়ে নীচে নামতে পারেননি। তারপরই তাঁর ভাবনা। এমন কিছু একটা যন্ত্র তৈরী করবেন, যাতে অন্তত ভূমিকম্প হচ্ছে সেটার টের পাওয়া যায়। সেই থেকে শুরু হয় তাঁর চেষ্টার। ইলেক্ট্রনিক্স ডিভাইস তৈরী করতে যা যা প্রয়োজন, যেমন ট্র‍্যানজিস্টার, আইসি, রেজিস্টেন, কম্পেসিটার দিয়ে তৈরী করে ফেলেন একটি বোর্ড। বোর্ডে থাকছে একটি এলার্ম। কম্পনের তীব্রতায় বেজে উঠবে এলার্ম। তড়িঘড়ি সুরক্ষিত জায়গায় চলে যেতে পারবেন বাসিন্দারা।

স্ত্রীর জন্যই পরীক্ষামূলকভাবে তৈরী করেছিলেন। যন্ত্রটির মান্যতা নিয়ে ২০১৬ সালে কলকাতায় কেন্দ্রীয় মন্ত্রকের পেটেন্ট অফিসে যাবতীয় নথি জমা করেন। সেখান থেকেই সম্প্রতি মান্যতার ছাড়পত্র এসছে। আজ শিলিগুড়ি পুরসভায় তাঁর তৈরী ভূমিকম্প এলার্ম সিস্টেম যন্ত্রটি বসানো হয়। ভূমিকম্পে সাধারনত দু'ধরনের ওয়েব বা তরঙ্গ কাজ করে। একটি প্রি ওয়েব, অপরটি সেকেণ্ড ওয়েব। এই যন্ত্রের মাধ্যমে ধরা পড়বে ভূমিকম্প হচ্ছে। আগামিদিনে রিখটার স্কেল এবং উৎপত্তি স্থলও ধরা পড়বে তাঁর এই যন্ত্রে। অনেক সময় ঘরে বসেও ভূমিকম্প সচরাচর টের পাওয়া যায় না। এই যন্ত্র ঘরে থাকলে অনায়াসেই বোঝা যাবে ভূমিকম্প। প্রয়োজনীয় সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নিতে পারবে সাধারন মানুষ। তিনি চান, শিলিগুড়ির প্রতিটি ঘরে পৌঁছে যাক এই এলার্ম যন্ত্র। কোনও শিল্পপতি এগিয়ে এলে তৈরীতে খরচ কম পড়বে। সাধারন মানুষের হাতের নাগালেই থাকবে এই যন্ত্র। প্রতিটি স্কুল, কলেজেও এই যন্ত্র বসালে ভূমিকম্পের সময়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে পারবে কর্তৃপক্ষ। তবে বাড়ির পাশ দিয়ে ট্রেন বা ভারী গাড়ি গেলে যে কম্পন অনূভূত হয় রিখটার স্কেলে ৩-এর কাছাকাছি। তাঁর এই যন্ত্রে তিন দশমিক ৫ থেকে ধরা পড়বে। সুব্রতর এই প্রয়াসকে অভিনন্দন জানিয়েছেন শিলিগুড়ির মেয়র অশোক ভট্টাচার্য।

Partha Pratim Sarkar

Published by: Ananya Chakraborty
First published: March 3, 2020, 3:44 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर