ধূপগুড়ির বীভৎস দুর্ঘটনায় নিহতদের পরিবার পিছু আড়াই লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরণ, বললেন মমতা

ধূপগুড়ির বীভৎস দুর্ঘটনায় নিহতদের পরিবার পিছু আড়াই লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরণ, বললেন মমতা
ধূপগুড়ির নিহতদের পরিবারের পাশেই রয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

মঙ্গলবার রাত সাড়ে নটা নাগাদ ধূপগুড়ির লাললস্কুল এলাকায় লরির সঙ্গে তিনটি গাড়ির সংঘর্ষে মৃত্যু হয়েছে অন্তত ১৪ জনের। মৃতদের মধ্যে চার শিশু রয়েছে।

  • Share this:

    #কলকাতা: পুরুলিয়ায় জরুরি প্রশাসনিক বৈঠকে ছিলেন। সেখান থেকেই ধূপগুড়ির পথদুর্ঘটনার ঘটনায় শোকপ্রকাশ করলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। পাশাপাশি মৃতের পরিবারের সদস্যদের আড়াই লক্ষ টাকা করে অনুদান এবং আহতদের ৫০ হাজার টাকা দেওয়ার কথা বলেন মমতা।

    মমতা বলেন, "ধূপগুড়ির দুর্ঘটনা অত্যন্ত দুঃখজনক। রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে মৃতদের পরিবারপিছু আড়াই লক্ষ টাকা করে দেওয়া হবে। আহতদের ৫০ হাজার এবং অল্প আহতদের ২৫ হাজার টাকা করে দেওয়া হবে।" মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অরূপ বিশ্বাস এবং গৌতম দেবকে দায়িত্ব দেন এই ক্ষতিপূরণের  বিষয়টা তদারকি করার জন্য।

    প্রসঙ্গত মঙ্গলবার রাতে দুর্ঘটনায় দুঃখপ্রকাশ করেছেন নরেন্দ্র মোদিও। সকালেই নিহতদের পরিবারপিছু দুই লক্ষ টাকা দেওয়ার কথা ঘোষণা করেন নরেন্দ্র মোদিও। আহতদের ৫০ হাজার টাকা দেওয়ার কথাও জানান মোদি।


    কী হয়েছিল ধূপগুড়িতে

    মঙ্গলবার রাত সাড়ে নটা নাগাদ ধূপগুড়ির লাললস্কুল এলাকায় লরির সঙ্গে তিনটি গাড়ির সংঘর্ষে মৃত্যু হয়েছে অন্তত ১৪ জনের। মৃতদের মধ্যে চার শিশু রয়েছে।

    স্থানীয় সূত্রে খবর, ধূপগুড়ি থেকে জলপাইগুড়ি যাওয়ার সময় একটি পাথরবোঝাই লড়ি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে উল্টে যায়। তার তলায় চাপা পড়ে যায় যাত্রীবোঝাই ম্যাজিক ভ্যান ও একটি মারুতি। ওই দুটি গাড়িতে করে বউভাত অনুষ্ঠানে যোগ দিতে যাচ্ছিলেন সকলে।

    ঘটনার জেরে জাতীয় সড়ক বন্ধ করে দেওয়া হয়। উদ্ধারকাজে হাত লাগান দমকল, পুলিশ ও স্থানীয় মানুষ। বেশ কয়েকজনকে ক্ষতবিক্ষত অবস্থায় ওই ডাম্পারের তলা থেকে বের করে ধূপগুড়ি হাসপাতাল ও জলপাইগুড়ি জেলা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। ঘটনাস্থলে আসেন ধূপগুড়ির বিধায়ক মিতালী রায়। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ অন্তত ১৪ জনকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। আরও বেশ কয়েকজন মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছেন।

    অভিযোগ একদল অসাধু ব্যবসায়ী দিনের পর দিন ডাম্পার ওভারলোডিং করে এই এলাকায়। তার জেরেই এমন দুর্ঘটনা ঘটছে বারবার, মনে করছেন এলাকাবাসীরা।

    Published by:Arka Deb
    First published:

    লেটেস্ট খবর