লাভ বাড়াতে মারাত্মক ক্ষতিকর রাসায়নিক ব্যবহার হচ্ছে আমে, বলছেন মালদহের আম ব্যবসায়ীরাই

লাভ বাড়াতে মারাত্মক ক্ষতিকর রাসায়নিক ব্যবহার হচ্ছে আমে, বলছেন মালদহের আম ব্যবসায়ীরাই
photo source: collected
  • Share this:

#মালদহ: 'আর দিন ২০ বাদে এলেই আম খেতে পারতেন৷' হাসতে হাসতে বললেন মালদহ বাজার সমিতির সভাপতি কমল সরকার৷ মালদহের আম চেখে দেখার সুযোগটা হল না৷ কিন্তু বাঙালির অতিপ্রিয় এই অমৃতসম ফলটি নিয়ে যা শুনলাম, তাতে আম খেতে গিয়ে একটু হলেও ভাবতে হতেই পারে৷ সৌজন্যে একটি মারাত্মক রাসায়নিক৷

বাজার সভাপতি সাফ জানালেন, এ বছর আমের ফলন ভালো হয়নি৷ গতবারের চেয়ে ৫০ শতাংশ কম৷ তাই আম বাগানের মালিকরা আম তাড়াতাড়ি পাকাতে ও অধিক লাভ করতে, দেদার সালফার ব্যবহার করছেন৷ কমল সরকারের কথায়,

'কার্বাইড বাংলাদেশে নিষিদ্ধ৷ আম তাড়াতাড়ি পাকিয়ে রফতানি করতে সালফার ব্যবহার দেদার বাড়িয়ে দিচ্ছেন আম বাগানের মালিকরা৷'

সালফারে কী হয়? বাজার সমিতির সভাপতির কথায়, 'দেখুন, সালফার শরীরের জন্য ক্ষতিকারক৷ সালফারে পাকানো আম ২ থেকে ৩ দিনের বেশি ভালো থাকে না৷ নরম হয়ে যায়৷ রাজ্য তো বটেই, অন্যান্য জায়গাতেও ওই আমই রফতানি করা হবে৷ এতে চাষিদের লাভ নেই৷'

প্রশাসনকে জানিয়েছেন বিষয়টি? অন্যমনস্ক হয়ে উনি বললেন,

'জানিয়ে কোনও লাভ হয় না৷ কেউ খোঁজ নিতে আসে না৷ নেতারা তো নয়ই৷ মালদহে ১৫ রকমের আম পাওয়া যায়৷ গোটা বিশ্বে সেই আম রফতানি হয়৷ অথচ, প্রশাসনের কোনও নজরই নেই৷'

মালদহে সবচেয়ে সুস্বাদু ও বিখ্যাত হল হিমসাগর ও ল্যাংড়া আম৷ এই আম ভারতের মধ্যে সবচেয়ে বেশি রফতানি হয় বিহারে৷ মালদহে আমের গুণগত মানে এগিয়ে কোতুয়ালি৷ বাজারের ব্যবসায়ীদের কথায়, 'প্রশাসন একটু নজর দিক৷ নেতারা ভোট চাইতে আসেন৷ কিন্তু মালদহের এই বিখ্যাত ফলটির ব্যবসা নিয়ে কেউ কিছু জিগ্গেস করেন না৷ বলেও লাভ হয় না৷'

মালদহ থেকে অরিন্দম গুপ্ত

First published: 10:56:29 PM Apr 20, 2019
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर