উত্তরবঙ্গ

corona virus btn
corona virus btn
Loading

অতিভারী বৃষ্টিতে কৃষি জমি জলের তলায়, ব্যপক ক্ষয়ক্ষতি মালদহে

অতিভারী বৃষ্টিতে কৃষি জমি জলের তলায়, ব্যপক ক্ষয়ক্ষতি মালদহে

ফলে রাতের বৃষ্টির জল জমি থেকে বের হওয়ার পথ বন্ধ। এতেই জলের তলায় কৃষি জমি। ইতিমধ্যেই জেলা জুড়ে ক্ষয় ক্ষতির হিসেব তৈরির কাজ শুরু করেছে কৃষি দপ্তর।

  • Share this:

#মালদহ:- রাতভর অতি ভারী বৃষ্টিতে বিঘার পর বিঘা কৃষি জমি জলের তলায় মালদহে। জেলার হবিবপুর,পুরাতন মালদহ, বামনগোলা, প্রভৃতি এলাকায় ধানের জমি জলে ডুবে যাওয়ায় ব্যাপক ক্ষতির মুখে কৃষকেরা। সবেমাত্র বিভিন্ন জমিতে ধান ফোটা শুরু হয়েছিল। তাঁর মধ্যেই এক রাতের বৃষ্টিতে কোথাও হাটু  কোথাও কোমড় সমান জলের তলায় বিস্তীর্ন এলাকার কৃষি জমি। গত কয়েকদিন ধরেই ভারী বৃষ্টি হওয়ায় অধিকাংশ নদী এবং পুকুর ও বিল বর্তমানে ভরা অবস্থায় রয়েছে। ফলে রাতের বৃষ্টির জল জমি থেকে বের হওয়ার পথ বন্ধ। এতেই জলের তলায় কৃষি জমি। ইতিমধ্যেই জেলা জুড়ে ক্ষয় ক্ষতির হিসেব তৈরির কাজ শুরু করেছে কৃষি দপ্তর।

মালদহের হবিবপুরের ইংলিশমোহনপুর, দোলমালপুল, খাটিয়াখানা, সোলাডাঙ্গা, শ্রীরামপুর, ডাল্লা,কেন্দপুকুর, কানতুর্কা|বামনগোলার শোনঘাট, খুটাদহ, পুরাতন মালদহের মাধাইপুর, সুর্যাপুর, যাত্রাডাঙ্গা প্রভৃতি এলাকায় ফসলী জমিতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির ছবি ধরা পড়েছে। বহু এলাকায় কৃষি জমির ওপর দিয়ে কার্যতঃ জলস্রোত বইতে দেখা যায়।

আবহাওয়া দপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, গত ২৪ ঘন্টায় মালদহের হবিবপুরে প্রায় ১১৬ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে। এছাড়া পুরাতন মালদহে ৬২.৩ মিলিমিটার, গাজোলে ৫৩ মিলিমিটার এবং ইংরেজবাজারে ৬৪.৪ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়। চলতি মাসে মালদহে এ পর্যন্ত বৃষ্টি হয়েছে ৩২২.৬ মিলিমিটার যা স্বাভাবিকের চেয়ে ১৮ শতাংশেরও বেশি।

কৃষি দপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে এ বছর মালদহে প্রায় দেড় লক্ষ হেক্টর জমিতে  আমন ধানের চায় হয়েছিল। ফলনের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছিল প্রায় সাত লক্ষ মেট্রিক টন। এ বছর জুলাই মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহ থেকে মালদহে আমন ধানের চাষ শুরু হয়। আর এক মাস পরে ধান কাঁটার কথা ছিল। এরইমধ্যে একরাতে অতি ভারী বৃষ্টিতে বেশ কয়েক হেক্টর জমিতে চাষ ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। এদিকে ক্ষতিগ্রস্থ কৃষকেরা জানিয়েছেন, প্রায় সকলেই ঋন নিয়ে চাষ আবাদ করেছিলেন। যেভাবে জমি জলে ডুবে গিয়েছে তাতে আর ধান হওয়া সম্ভব নয়। এই  অবস্থায় সরকারি ক্ষতিপূরনের দাবিও জানিয়েছেন কৃষকেরা।

সেবক দেবশর্মা

Published by: Elina Datta
First published: September 28, 2020, 10:25 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर