Home /News /north-bengal /
Malda : এ যেন বাস্তবের পুষ্পা! ভুয়ো ফরেঞ্জ রেঞ্জ অফিসার পরিচয়ে লক্ষ লক্ষ টাকার কাঠ পাচার

Malda : এ যেন বাস্তবের পুষ্পা! ভুয়ো ফরেঞ্জ রেঞ্জ অফিসার পরিচয়ে লক্ষ লক্ষ টাকার কাঠ পাচার

Malda

Malda

কাঠ পাচারের তদন্তে নেমে চক্ষুচড়ক গাছ পুলিশ ও বনদপ্তরের।

  • Share this:

#মালদহ: এ যেন কেঁচো খুঁড়তে কেউটে। কাঠ পাচারের ঘটনার তদন্তে নেমে ভুয়ো ফরেস্ট রেঞ্জ অফিসার গ্রেফতার মালদহে। গাজলের বাসিন্দা গৌতম কর্মকার নামে এক যুবককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। রেঞ্জ অফিসার পদমর্যাদা ব্যবহার করে কাঠ পাচারের জন্য ভুয়ো ট্রানজিট পারমিট তৈরির অভিযোগ ওই যুবকের বিরুদ্ধে। বেআইনিভাবে কাঠ পাচারের অভিযোগে এক লরি চালক-সহ আরও দুই জনকে গ্রেফতার করেছে ইংরেজবাজার থানার পুলিশ। বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে এক লরি বোঝাই আম কাঠ।

এই আমকাঠের বাজারমূল্য অন্তত চার লক্ষ টাকা। ভুয়ো "ট্রানজিট পারমিট" তৈরি করে মালদহের রতুয়া থানার পরানপুর থেকে সুদূর রাজস্থানে পাচার করা হচ্ছিল লরি বোঝাই কাঠ। প্রাথমিক তদন্তে পুলিশ জেনেছে, ভুয়ো রেঞ্জ অফিসার গৌতম কর্মকার কাঠ পাচারের প্রয়োজনীয় ভুয়ো কাগজপত্র তৈরি করেছিলেন। ধৃত গৌতম দু'বছর আগে পর্যন্ত মালদহে বনদফতরের অস্থায়ী কর্মী হিসেবে কাজ করতেন। দীর্ঘদিন বনদফতরের মালদহ রেঞ্জ অফিস এবং ডিভিশনাল ফরেস্ট অফিসে কর্মরত ছিলেন গৌতম।

আরও পড়ুন- সিভিক ভলান্টিয়ার নিয়োগের ভুয়ো বিজ্ঞপ্তি সোশ্যাল মিডিয়ায়! প্রতারণার ফাঁদ পেতে গ্রেফতার যুবক

বনবিভাগে চাকরি করার সুবাদে দফতরের কাজকর্ম এবং সরকারি নথি সম্পর্কে সম্যক ধারণা রয়েছে ধৃত গৌতমের। বেশ কিছুদিন আগেই বিভাগীয় ব্যবস্থা নিয়ে তাকে কাজ থেকে সরিয়ে দিয়েছিল বনদফতর। পুলিশের দাবি, এরপর থেকেই ফরেস্ট রেঞ্জ অফিসার পরিচয় দিয়ে কাঠ পাচারের জাল নথি তৈরির সঙ্গে যুক্ত হয়ে পড়েন এই যুবক। তার সাহায্যে ভুয়ো সরকারি নথি তৈরি করে মালদহ থেকে প্রচুর কাঠ ইতিমধ্যে ভিন রাজ্যে পাচার হয়েছে বলে অনুমান পুলিশের।

কিন্তু, কী করে মালদহ ফরেস্ট রেঞ্জ অফিসার পাকড়াও হল? বন দফতর জানিয়েছে, বেশ কিছুদিন ধরেই কাঠের অবৈধ চোরাচালানের অভিযোগ আসছিল। দিন তিনেক আগে মালদহের পরানপুর এলাকায় কাঠ বোঝাই লরি আটক করে বনদফতরের বিশেষ দল। চালকের কাছ থেকে যে ট্রানজিট পারমিট পাওয়া যায় তা দেখে সন্দেহ হয় বনদফতরের আধিকারিকদের। ওই ট্রানজিট পারমিট ভুয়ো বলে বুঝতে পারেন বনদফতর এর আধিকারিকরা।

ভুয়ো সরকারি কাগজ, সিলমোহর, ও সই দিয়ে ওই কাগজ তৈরি করা হয়। এরপরেই গ্রেফতার করা হয় রাজস্থানের বাসিন্দা পেশায় লরি চালক আমরত সিং- কে। পাশাপাশি ইংরেজবাজার থানার ঘটনার লিখিত অভিযোগ দায়ের করে বন দফতর। ওই অভিযোগ পেয়ে তদন্তে নেমে ভুয়ো রেঞ্জ অফিসার গৌতম কর্মকার এবং ইংরেজবাজারের বাসিন্দা সোহেল রানা নামে এক যুবককে গ্রেফতার করা হয়। যদিও নিজের বিরুদ্ধে ওঠা ভুয়ো রেঞ্জ অফিসার পরিচয় এবং ভুয়ো ট্রানজিট পারমিট তৈরির অভিযোগ অস্বীকার করেছে ধৃত যুবক গৌতম কর্মকার। পুলিশ জানিয়েছে, মূল অভিযুক্ত ওই যুবককে হেফাজতে নিয়ে চক্রের বাকিদের খোঁজ চলবে।

সেবক দেবশর্মা

Published by:Swaralipi Dasgupta
First published:

Tags: Malda

পরবর্তী খবর