corona virus btn
corona virus btn
Loading

‘‘মোবাইলে ইংরেজি প্রশ্নপত্রের ছবি তুলে এক আত্মীয়কে হোয়াটসঅ্যাপ করেছি...’’জেরায় স্বীকার ধৃত ছাত্রের

‘‘মোবাইলে ইংরেজি প্রশ্নপত্রের ছবি তুলে এক আত্মীয়কে হোয়াটসঅ্যাপ করেছি...’’জেরায় স্বীকার ধৃত ছাত্রের

জেরার মুখে ওই পরীক্ষার্থী স্বীকার করে যে, মোবাইলে ইংরেজি প্রশ্নপত্রের ছবি তুলে সে তাঁর এক আত্মীয়কে হোয়াটসঅ্যাপ করেছে।

  • Share this:

#মালদহ: পরীক্ষা কেন্দ্রের ভিতর থেকে হোয়াটসঅ্যাপে প্রশ্নপত্র পাচার। ঘটনায় মালদহে গ্রেফতার করা হয়েছে মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীকে। আটক করা হয়েছে ওই ছাত্রের ব্যবহৃত মোবাইল ফোন। ঘটনাটি ঘটেছে মালদহের রতুয়া থানার বৈদ্যনাথপুর হাইস্কুলের। গ্রেফতার করা হয়েছে বাহারাল পি,এল,এস হাইস্কুলের এক পরীক্ষার্থীকে।

সংশ্লিষ্ট পরীক্ষা কেন্দ্রের ভেন্যু সুপারভাইজারের অভিযোগের ভিত্তিতে মামলা শুরু করেছে পুলিশ। পরবর্তী পরীক্ষা গুলির জন্য বরখাস্ত করা হয়েছে ওই মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীকে।

বুধবার ছিল মাধ্যমিকের ইংরেজী পরীক্ষা। কিন্তু মধ্যশিক্ষা পর্ষদ আর পুলিশ ও প্রশাসনের নিয়েধাঞ্জাকে অমান্য করে পরীক্ষা কেন্দ্রের ভিতর মোবাইল ফোন নিয়ে হাজির পরীক্ষার্থী। দুপুর পৌনে একটা নাগাদ রতুয়ার বৈদ্যনাথপুর হাইস্কুলে মোবাইল-সহ হাতেনাতে ধরা পড়ে এক পরীক্ষার্থী। জেরার মুখে ওই পরীক্ষার্থী স্বীকার করে যে, মোবাইলে ইংরেজি প্রশ্নপত্রের ছবি তুলে সে তার এক আত্মীয়কে হোয়াটসঅ্যাপ করেছে। ওই আত্মীয়ও দ্বাদশ শ্রেনীর পড়ুয়া। এরপরেই তাঁকে পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়।

কিন্তু কেন, কি উদ্দেশ্যে প্রশ্নের ছবি তুলে বাইরে পাঠাল ওই পরীক্ষার্থী তার কোনও সদুত্তর মেলেনি। মালদহের অতিরিক্ত জেলাশাসক উন্নয়ন অর্নব চট্টোপাধ্যায় জানিয়েছেন, সাধারণ ভাবে পরীক্ষায় ঢোকার সময় ছাত্রছাত্রীদের শরীরে কোনওরকম তল্লাশি করা হয় না। এই সুযোগেই ওই ছাত্র লুকিয়ে মোবাইল ফোন ভেতরে নিয়ে যায় বলে মনে করা হচ্ছে। এরজন্য আইনানুগ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

উল্লেখ্য মঙ্গলবার মাধ্যমিকের প্রথম দিন বাংলা পরীক্ষার সময় মালদহের রতুয়ায় ভালুকা রায়মোহন মোহিনী মোহন বিদ্যাপীঠে বাইরে থেকে পরীক্ষা কেন্দ্রে টুকলি সরবরাহের চেষ্টার ছবি ধরা পড়ে। শুধু তাই নয়, মাধ্যমিকের প্রথম দিনই টুকলি সাপ্লাই এর চেষ্টা এবং বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির অভিযোগে রতুয়ার দুটি স্কুল থেকে তিনজন বহিরাগতকে আটক করা হয়। এরপর ফের বুধবার রতুয়ায় হোয়াটসঅ্যাপে প্রশ্ন পাচার নিয়ে হৈচৈ শুরু হয়েছে।

Published by: Siddhartha Sarkar
First published: February 20, 2020, 11:02 AM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर