• Home
  • »
  • News
  • »
  • north-bengal
  • »
  • কাল থেকে টানা ৮ দিন লকডাউন পাহাড়ের দু'জেলার ৪ পুর এলাকায়! আওতায় পাঁচ পাহাড়ি বাজারও! 

কাল থেকে টানা ৮ দিন লকডাউন পাহাড়ের দু'জেলার ৪ পুর এলাকায়! আওতায় পাঁচ পাহাড়ি বাজারও! 

সাদা অর্কিডের দেশ হিসেবে পরিচিত কার্শিয়ং থেকে মিরিক। গিজ গিজ ভিড়। একে বৃষ্টি। সামনে লকডাউন। সব ভুলে শুক্রবার পাহাড়বাসী ছিল বাজারমুখী। লম্বা লাইন এটিএমগুলোতেও লক্ষ্য করা গিয়েছে।

সাদা অর্কিডের দেশ হিসেবে পরিচিত কার্শিয়ং থেকে মিরিক। গিজ গিজ ভিড়। একে বৃষ্টি। সামনে লকডাউন। সব ভুলে শুক্রবার পাহাড়বাসী ছিল বাজারমুখী। লম্বা লাইন এটিএমগুলোতেও লক্ষ্য করা গিয়েছে।

সাদা অর্কিডের দেশ হিসেবে পরিচিত কার্শিয়ং থেকে মিরিক। গিজ গিজ ভিড়। একে বৃষ্টি। সামনে লকডাউন। সব ভুলে শুক্রবার পাহাড়বাসী ছিল বাজারমুখী। লম্বা লাইন এটিএমগুলোতেও লক্ষ্য করা গিয়েছে।

  • Share this:

#শিলিগুড়ি: শনিবার রাজ্যজুড়ে লকডাউন। আর পরশু অর্থাৎ রবিবার থেকে টানা ৭ দিন লকডাউন পাহাড়ে। গতকালই, বৃহস্পতিবার, ঘোষণা করেছেন জিটিএ'র চেয়ারম্যান অনীত থাপা। পাহাড়ের কোথায় কোথায় লকডাউন? দার্জিলিং পুরসভা, কার্শিয়ং পুরসভা, মিরিক পুরসভা এবং কালিম্পং পুরসভা এলাকায় কড়া লকডাউন। সেইসঙ্গে লকডাউনের আওতায় থাকছে পাঁচটি পাহাড়ি বাজার এলাকাও। যেখানে সংক্রমণের গ্রাফ ঊর্ধমুখী। এই পাঁচটি বাজার হল সুকনা, তিনধরিয়া, সুখিয়া, পোখরিবং এবং বিজনবাড়ি।

মাঝখানে পাহাড় একেবারেই কোভিড ফ্রি হয়ে গিয়েছিল। কিন্তু ভিন রাজ্য এবং ভিন দেশ থেকে পাহাড়বাসী ঘরে ফিরতেই ফের সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ছে। তার মোকাবিলায় জরুরি বৈঠক করে লকডাউনের সিদ্ধান্ত নেন জিটিএ'র চেয়ারম্যান। সবমিলিয়ে কাল থেকে টানা ৮ দিনের লকডাউন শুরু হচ্ছে পাহাড়ের দুই জেলার চার পুর এলাকায়। আর তাই পাহাড়ের বিভিন্ন বাজারে শুক্রবার ভিড় ছিল লক্ষনীয়। উপচে পড়া ভিড়। কোথায় সোশ্যাল ডিস্টেনশিং? স্বাস্থ্য বিধিকে উপেক্ষা করে সবজি বাজার থেকে মুদিখানা। মাছ, মাংসের দোকান থেকে এটিএম। সর্বত্রই ছিল ভিড়ে ঠাসা।টানা ৮ দিনের লকডাউন। তাই খাদ্য সামগ্রী মজুত করতে হিড়িক নেমে পড়ে। এই ছবি শৈলশহর দার্জিলিং থেকে কালিম্পং-এ দেখা গিয়েছে।

সাদা অর্কিডের দেশ হিসেবে পরিচিত কার্শিয়ং থেকে মিরিক। গিজ গিজ ভিড়। একে বৃষ্টি। সামনে লকডাউন। সব ভুলে শুক্রবার পাহাড়বাসী ছিল বাজারমুখী। লম্বা লাইন এটিএমগুলোতেও লক্ষ্য করা গিয়েছে। এক ব্যবসায়ী তো বলেই ফেললেন এমন ভিড় বহুদিন পর নজরে এল। ৭ দিন নয়, অন্তত ১৫ দিন পাহাড়ে লকডাউনের পক্ষে সওয়াল করেছেন তিনি। এক ক্রেতার মুখেও একই সুর। যদিও জিটিএ সূত্রে জানা গিয়েছে, সাত দিনের পরিস্থিতি খতিয়ে দেখা হবে। তারপর পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। কালিম্পংয়ে আক্রান্তের সংখ্যা বেশি। এই কালিম্পংয়েই প্রথম করোনা আক্রান্তের মৃত্যু হয় উত্তরে। দার্জিলিংয়ের বিজনবাড়ি, পোখরিবং, সুখিয়াতে আক্রান্তের গ্রাফ ঊর্ধ্বমুখী। তেমনি কার্শিয়ংয়ের সুকনা ও তিনধরিয়ায় গ্রাফ ঊর্ধ্বমুখী।

Published by:Pooja Basu
First published: