corona virus btn
corona virus btn
Loading

লকডাউনে ওঁদের পাতে মাংস ভাত, সঙ্গে নদীয়ালি মাছের ঝোল! 

লকডাউনে ওঁদের পাতে মাংস ভাত, সঙ্গে নদীয়ালি মাছের ঝোল! 

নতুন করে লকডাউনের মেয়াদ বাড়বে কি না তা সময়ই বলবে। কিন্তু এর জেরে সমস্যায় পড়েছে অসহায় দিনমজদুর থেকে ভবঘুরেরা। রাস্তার পথঘাটই যাদের ঠিকানা।

  • Share this:

লকডাউনে পাতে মাংস ভাত! কারো পাতে নদীয়ালি মাছের ঝোলের সঙ্গে ভাত! হ্যাঁ, আজ মেনুতে ছিল এই সুস্বাদু খাবার! রাস্তার ভবঘুরেদের পাতে এই ছিল শনিবারের মেনু৷

শিলিগুড়ির বিধাননগরের জাতীয় সড়কের পাশে থাকা ভবঘুরেরা আজ পেল এই মেনু! লকডাউনে একেই দিশেহারা ভবঘুরেরা। কিন্তু বিধাননগরের সচেতন মানুষেরা এগিয়ে এসছেন এই অসহায় ভবঘুরেদের জন্যে। আজ এক পরিবার তো, অন্যদিনে আর এক পরিবার। প্রতিদিনই কেউ না কেউ এগিয়ে আসছেন। লকডাউনে এই সহৃদয় ব্যক্তিদের জন্যেই নিশ্চিন্তে রয়েছেন ভবঘুরেরা।

নতুন করে লকডাউনের মেয়াদ বাড়বে কি না তা সময়ই বলবে। কিন্তু এর জেরে সমস্যায় পড়েছে অসহায় দিনমজদুর থেকে ভবঘুরেরা। রাস্তার পথঘাটই যাদের ঠিকানা। দু'বেলা খাবার জোটে এর-ওর কাছ থেকে। কিন্তু লকডাউনের জেরে বন্ধ বাজার, দোকানপাট। কিন্তু শিলিগুড়ি মহকুমার বিধাননগরের বাসিন্দারা এগিয়ে এসছেন। এই কঠিন সময়ে ওদের পাশে দাঁড়িয়েছেন এলাকার সহৃদয় লোকেরা।

প্রতিদিনই জুটছে দু'বেলা খাবার। নিরামিষ বা খিচুড়ি নয়, এক একদিন পাতে আসছে আমিষ মেনু। এর আগে মটন বিরিয়ানি দিয়েছিলেন এক দম্পতি। আবার এসছে রুই, কাতলা মাছের ঝোলও। আবার কেউ ওদের খাইয়েছে ফ্রায়েড রাইস আর চিকেন! আজ এগিয়ে এসেছেন মুরলীগছের বাসিন্দা সুশান্ত রায়। তাঁর স্ত্রী সোমা দাস রায় নিজের হাতেই রান্না করেন ছোটো মাছের ঝোল, আর মাংস।

ফয়েল প্যাকেটে ভাত, মাছের ঝোল, মাংস নিয়ে রায় দম্পতি নেমে পড়েন ভবঘুরেদের মাঝে। শেষ পাতে আবার ছিল পাপড় ভাজা! সোমাদেবী জানান, অনেকদিন ধরেই ইচ্ছে ছিল। আজ সেই সুযোগ পেয়েছি। তাই আর হাতছাড়া করিনি। ভবঘুরেদের পাশাপাশি বিধাননগর এলাকায় কর্তব্যরত পুলিশ কর্মীদের হাতেও তুলে দেন খাবারের প্যাকেট। স্থানীয় সমাজসেবিকা রুমা দাস এহেন উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন। লকডাউনের ৩২ তম দিনেও ভবঘুরেরা নিশ্চিন্তেই রয়েছেন। লকডাউন কি! তা যেন ওরা বুঝতেই পারছে না।

First published: April 25, 2020, 9:23 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर