উত্তরবঙ্গ

?>
corona virus btn
corona virus btn
Loading

এনজেপি স্টেশনে ঢোকার রাস্তার হতশ্রী দশা! তিতিবিরক্ত সব মহল, দ্রুত সারানোর দাবি

এনজেপি স্টেশনে ঢোকার রাস্তার হতশ্রী দশা! তিতিবিরক্ত সব মহল, দ্রুত সারানোর দাবি
এরকমই অবস্থা রাস্তার৷

বিভিন্ন রাজনৈতিক দল থেকে স্মারকলিপির পাহাড় জমা পড়েছে রেলের দপ্তরে। কিন্তু হাল ফেরেনি স্টেশন সংলগ্ন রাস্তার।

  • Share this:

#শিলিগুড়ি: উত্তর-পূর্ব ভারতের রেলপথের প্রবেশদ্বার এনজেপি স্টেশন। ক্রমেই আধুনিকতার ছোঁয়ায় ফুটে উঠছে স্টেশন। এক্সেলেটর চালু হয়েছে। ঝাঁ চকচকে প্ল্যাটফর্ম। আরো কত কী! আর সেই স্টেশনের ঢোকা বা বের হওয়ার পথের চেহারাই কঙ্কালসার। মেরেকেটে ২০০ মিটার রাস্তা হবে। পুরোটাই খানাখন্দে ভরা। বর্ষার জলে  দুর্ভোগের একশেষ নিত্যযাত্রীদের! কোথাও কোথাও বড় বড় গর্ত।

মালগাড়ি থেকে নিত্য প্রয়োজনীয় সামগ্রী নিয়ে প্রতিদিনই কয়েকশো পণ্যবাহী লরি যাতায়াত করে এই পথ ধরেই। আবার যাত্রী নিয়ে ঝুঁকিপূর্ণ যাতায়াত সিটি অটো, টোটো থেকে চার চাকার অন্য গাড়ি।  দেশ-বিদেশের হাজার হাজার পর্যটক ওঠানামা করে এই স্টেশনে। যাত্রা করতে যাওয়ার সময়ে অথবা ফেরার পথে হয়রানির সম্মুখীন হতে হয় তাঁদের। এই সমস্যা আজকের নয়। বহু বছর ধরেই তা দেখে আসছেন গাড়ির চালক থেকে নিত্য যাত্রী। পর্যটক থেকে সাধারণ মানুষ।

বিভিন্ন রাজনৈতিক দল থেকে স্মারকলিপির পাহাড় জমা পড়েছে রেলের দপ্তরে। কিন্তু হাল ফেরেনি স্টেশন সংলগ্ন রাস্তার। বেআব্রু দশা! প্রতিদিনই যাত্রীবাহী সিটি অটোর কলকব্জা ভাঙছে। পণ্যবাহী লরির যন্ত্রাংশও নষ্ট হচ্ছে। টোটো উল্টে যাওয়ার মতো ঘটনা ঘটছে। কিন্তু বেহাল রাস্তা দাঁড়িয়ে আছে সেই তিমিরেই। পর্যটন সংস্থাগুলোও রাস্তা সংস্কারের দাবি জানিয়ে আসছে। রেলকে নজর দেওয়ার দাবি উঠেছে। এই মূহূর্তে করোনার জেরে ট্রেনের সংখ্যা খুবই কম। অর্থাৎ রাস্তার উপরেও চাপ কম। তাই দ্রুত রাস্তা সংস্কার করার দাবি জোরালো হচ্ছে।

রাস্তা নিয়ে কার্যত তিতিবিরক্ত সব মহলই। ট্যুর অপারেটার তন্ময় গোস্বামীর কথায়, 'এই রাস্তাটা পর্যটকের কাছে ভুল বার্তা পৌঁছে দিচ্ছে।' অন্যদিকে উত্তর-পূর্ব সীমান্ত রেলের মুখ্য জনসংযোগ আধিকারিক শুভানন চন্দ জানিয়েছেন, রাস্তা সংস্কারের বিষয়টি তাঁদের নজরে এসছে। কাজের টেন্ডারও হয়ে গিয়েছে। বৃষ্টি কমলেই কাজ শুরু করা হবে। দ্রুত এই পরিষেবা চায় সবাই। চায় করুণ দশা রাস্তার হাত থেকে মুক্তি

Partha Pratim Sarkar

Published by: Debamoy Ghosh
First published: October 1, 2020, 10:04 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर