ঠাকুরদার পুরনো ট্রাঙ্কে চিতার ছাল, চোখ কপালে জলপাইগুড়ির ব্যবসায়ীর

ঠাকুরদার পুরনো ট্রাঙ্কে চিতার ছাল, চোখ কপালে জলপাইগুড়ির ব্যবসায়ীর
চিতার চামড়া

পাচারকারীদের খপ্পর থেকে বন্যপ্রাণীর দেহাংশ উদ্ধারের খবর জলপাইগুড়িতে জল-ভাত। সে সবের মাঝে ব্যতিক্রম জলপাইগুড়ির টেম্পল স্ট্রিটের বাসিন্দা অনিমেষ দেব।

  • Share this:

#জলপাইগুড়ি: ঘর পরিষ্কার করতে গিয়ে চোখ ছানাবড়া। ঠাকুরদার আমলের পুরোন ট্রাঙ্ক বেরিয়ে এল দশ ফুট লম্বা চিতাবাঘের চামড়া। প্রাথমিক ঘোর কাটিয়ে বন দফতরে খবর দেন জলপাইগুড়ির টেম্পল স্ট্রিটের বাসিন্দা ব্যবসায়ী অনিমেষ দেব। চিতাবাঘের চামড়া বনকর্মীদের হাতে তুলে সচেতনতার বার্তা দিলেন ব্যবসায়ী।

পাচারকারীদের খপ্পর থেকে বন্যপ্রাণীর দেহাংশ উদ্ধারের খবর জলপাইগুড়িতে জল-ভাত। সে সবের মাঝে ব্যতিক্রম জলপাইগুড়ির টেম্পল স্ট্রিটের বাসিন্দা অনিমেষ দেব। পরিষ্কার করতে গিয়ে বাড়ির এককোণে অবহেলায় পড়ে থাকা ট্রাঙ্কটা চোখ পড়ে। ট্রাঙ্ক খুলতেই হতবাক। পুরোন ট্রাঙ্ক থেকে বেরিয়ে এল দশ ফুট লম্বা চিতাবাঘের চামড়া। ষাট বছর ধরে বাড়িতেই ছিল বাঘছাল। অনিমেষের দাবি, ঘর সাজাতে চামড়াটি এনেছিলেন বাবা আদিত্যচন্দ্র দেব। বাবার দেওয়া উপহার পরম যত্নে রাখতেন মা। বছর ষাটেক আগে শিকারে নিষেধাজ্ঞা ছিল না। তাই চিতাবাঘের চামড়া উপহার দিয়েছিলেন বলে জানান অনিমেষ।

বন্যপ্রাণ সংরক্ষণ আইন সম্পর্কে সচেতন অনিমেষ। সময় নষ্ট না করে তিনি বন দফতরে খবর দেন। চিতাবাঘের চামড়া তাদের হাতে তুলে দেন। চিতাবাঘের চামড়া বন দফতরের হাতে তুলে দিয়ে যেন দায়ভার মুক্ত হলেন অনিমেশ দেব।

First published: 12:07:10 PM Sep 16, 2019
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर