Landslide In NH 10: সেবকের কাছে ভয়াবহ ধস, মৃত সেনা জওয়ান, বাংলা-সিকিম যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন

ধসে মৃত জওয়ান সেনা বাহিনীর গোর্খা রেজিমেন্টে কর্মরত ছিলেন। ছুটিতে বাড়ি ফিরছিলেন।

ধসে মৃত জওয়ান সেনা বাহিনীর গোর্খা রেজিমেন্টে কর্মরত ছিলেন। ছুটিতে বাড়ি ফিরছিলেন।

  • Share this:

#নয়াদিল্লি:

রাতভর একটানা বৃষ্টির জেরে ধস বাংলা ও সিকিমের লাইফ লাইন ১০ নং জাতীয় সড়কে। সেবক করোনেশন সেতু এবং কালীঝোরার মাঝে হাতিশুঁড় এলাকায় ধস নামে এদিন। সকাল থেকেই বাংলা ও সিকিমের সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন। ১০ নং জাতীয় সড়কের দু'ধারে সারি সারি গাড়ির লাইন। পূর্ত দপ্তরের ন্যাশনাল হাইওয়ে ডিভিশনের কর্মী থেকে শুরু করে পদস্থ ইঞ্জিনিয়ররা সকাল থেকে ঘটনাস্থলে রয়েছেন। ভয়াবহ ধসে ২ জন আহত হয়েছিলেন। একজন একটি অটোতে ছিলেন। আহতদের দ্রুত চিকিৎসা শুরু হয়েছিল। তবে তাঁদের মধ্যে একজনকে বাঁচানো সম্ভব হয়নি। পুলিশ ও স্থানীয়রাই আহতদের উদ্ধার করেছিল।

জানা গিয়েছে, মৃত ব্যাক্তির নাম রিনচেন তামাং (২৪), সেনা বাহিনীর গোর্খা রেজিমেন্টে কর্মরত ছিলেন তিনি। বাড়ি পশ্চিম সিকিমের সোরেংয়ে। ছুটিতে বাড়ি ফিরছিলেন। কিন্তু ধসে আহত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন। তাঁর আঘাত গুরুতর ছিল। ধসের জেরে এমনিতেই বিধ্বস্ত অবস্থা ১০ নং জাতীয় সড়কের। সেবক থেকে রংপো সীমান্ত পর্যন্ত ৮ জায়গায় বড় বড় গর্ত হয়েছে। ধসের জেরে কার্যত উধাও জাতীয় সড়ক। খানাখন্দে ভরা জাতীয় সড়ক। কোথাও রাস্তার ওপর দিয়েই বইছে পাহাড়ী ঝর্ণার জল। কার্যত ঝুঁকি নিয়ে গাড়ি চলাচল করছে। উত্তরবঙ্গে অতি ভারী বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া দফতর। দার্জিলিং কালিম্পং, জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার ও কোচবিহারে। মালদা, উত্তর এবং দক্ষিণ দিনাজপুরে আগামী দুদিন ভারি থেকে অতি ভারি বৃষ্টি হবে। ফলে পরিস্থিতি আরও জটিল হতে পারে।

সেবক-রংপো রেল প্রকল্পের কাজ এখন চলছে জোর কদমে। বিশেষজ্ঞরা দাবি করেছেন, রেল প্রকল্পের কাজের জেরেই ওই এলাকায় একাধিকবার ধসের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। দিনকয়েক আগেও ভয়াবহ ধস নেমেছিল। নিখোঁজ হয়েছিলেন পাঁচ শ্রমিক। মারা যান এক শ্রমিক। তবে হাঁতিশুড়ে ধসের ঘটনা ঘটল অনেকদিন পর। ১০ নম্বর জাতীয় সড়কের প্রায় এক কিলোমিটার রাস্তা ধসের কবলে পড়েছে। বাংলা থেকে সিকিম যাওয়ার পথে বহু পর্যটক রাস্তায় আটকে রয়েছেন।

Published by:Suman Majumder
First published: