• Home
  • »
  • News
  • »
  • north-bengal
  • »
  • John Barla: সরকারি জমি দখল করে প্লট বিক্রি? জন বার্লার বিরুদ্ধে মারাত্মক অভিযোগের তদন্ত শুরু

John Barla: সরকারি জমি দখল করে প্লট বিক্রি? জন বার্লার বিরুদ্ধে মারাত্মক অভিযোগের তদন্ত শুরু

মারাত্মক অভিযোগে বিদ্ধ বার্লা

মারাত্মক অভিযোগে বিদ্ধ বার্লা

John Barla: জানা গিয়েছে, ইতিমধ্যেই ভূমি ও ভূমি সংস্কার দফতরকে জন বার্লার বিরুদ্ধে ওঠা ওই জমি 'দুর্নীতি' নিয়ে যাবতীয় অভিযোগ খতিয়ে দেখে রিপোর্ট দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে জেলা প্রশাসন।

  • Share this:

    #আলিপুরদুয়ার: হঠাৎই পৃথক উত্তরবঙ্গের দাবিতে সুর চড়িয়েছিলেন আলিপুরদুয়ারের বিজেপি সাংসদ জন বার্লা। সম্প্রতি মোদি মন্ত্রিসভায় ঠাঁইও পেয়েছেন তিনি। কেন্দ্রীয় সংখ্যালঘু উন্নয়ন মন্ত্রকের প্রতিমন্ত্রী করা হয়েছে তাঁকে। তারপর পৃথক উত্তরবঙ্গ রাজ্য বা উত্তরবঙ্গকে কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল করার দাবি থেকে কিছুটা সরে এসেছেন বার্লা। এহেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর বিরুদ্ধে আগেই উঠেছিল সরকারি জমি দখল করে বাড়ি তৈরির অভিযোগ। এবার সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই নড়েচড়ে বসল জেলা প্রশাসন। জানা গিয়েছে, ইতিমধ্যেই ভূমি ও ভূমি সংস্কার দফতরকে ওই জমি 'দুর্নীতি' নিয়ে যাবতীয় অভিযোগ খতিয়ে দেখে রিপোর্ট দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে জেলা প্রশাসন। জমির স্ট্যাটাস রিপোর্ট জমা দেওয়ার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে।

    আলিপুরদুয়ার জেলা তৃণমূল নেতৃত্বের দাবি, চামুর্চিতে সরকারি জমি দখল করে যে বহুতল নির্মাণ করা হচ্ছে, তার নেপথ্যে রয়েছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জন বার্লা। এ বিষয়ে জমির নথি ও ভবনের ছবিও জেলা প্রশাসনের কাছে জমা দেওয়া হয়েছে। জেলা তৃণমূল নেতৃত্বের অভিযোগ, ওই সরকারি জমিতে প্লট তৈরি করে ২০-২৫ লক্ষ টাকায় বিক্রি করা হচ্ছে। এ নিয়ে জেলা প্রশাসনের কাছে নালিশও জানিয়েছেন তৃণমূলের জেলা সভাপতি কৃষ্ণকুমার কল্যাণী।

    অভিযোগ পাওয়ার পরেই বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে দেখছে আলিপুরদুয়ার জেলা প্রশাসন। জমিটি বর্তমানে কী পরিস্থিতিতে রয়েছে, তা জানতে রিপোর্ট চেয়ে পাঠিয়েছে প্রশাসন। এব্যাপারে ভূমি ও ভূমি সংস্কার দফতরকে তৎপর হওয়ার জন্যও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। উত্তরবঙ্গকে পৃথক রাজ্য করার দাবি উঠিয়ে আগেই বিতর্কে জড়িয়েছিলেন জন বার্লা। এবার তাঁর বিরুদ্ধে জমি দখলের অভিযোগকে কেন্দ্র করে নয়া বিতর্ক তৈরি হয়েছে।

    যদিও সরকারি জমি দখলের অভিযোগ অস্বীকার করতে পারেননি বিজেপি সাংসদ তথা সদ্য নিযুক্ত কেন্দ্রীয় মন্ত্রীও। বরং তিনি পাল্টা তৃণমূলের বিরুদ্ধেও সরকারি জমি দখলের অভিযোগ করেছিলেন। ওই জমি দখলের অভিযোগ প্রসঙ্গে বার্লা আগেই দাবি করেছিলেন, 'দখল করিনি ওই জমি। সরকারি জমিতে যে বাড়ি তৈরি হয়েছে, সেখানে কমিউনিটি সেন্টার বানানো হবে, মহিলাদের ট্রেনিং দেওয়া হবে।' বিজেপি সাংসদের আরও অভিযোগ ছিল, 'তৃণমূলের পার্টি অফিসও তো আছে সরকারি জমির উপর।' কিন্তু এ বিষয়ে সরকারি তরফেও যে তৎপরতা বাড়ানো হচ্ছে, তা স্পষ্ট। আর তাতে কিছুটা হলেও চাপ বাড়ছে কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর।

    Published by:Suman Biswas
    First published: