Home /News /north-bengal /

Lakshmir Bhandar: লক্ষ্মীর ভাণ্ডারে আবেদন করেও মেলেনি টাকা, কোলের সন্তান নিয়ে যা করে বসলেন দম্পতি!

Lakshmir Bhandar: লক্ষ্মীর ভাণ্ডারে আবেদন করেও মেলেনি টাকা, কোলের সন্তান নিয়ে যা করে বসলেন দম্পতি!

লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্প

লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্প

Lakshmir Bhandar: শান্তনা দেবীর অভিযোগ, চলতি বছর অগাষ্ট মাসে দুয়ারে সরকারে লাইনে দাঁড়িয়ে লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের জন্য আবেদন করেন। সকলের টাকা ঢুকলেও তার টাকা ঢোকেনি।

  • Share this:

#ধূপগুড়ি: লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের (Lakshmir Bhandar) টাকা মেলেনি সময়মতো। তাতেই প্রতিবাদে অদ্ভুত কাণ্ড বাধালেন দম্পতি। ঘটনাটি ঘটেছে, ধূপগুড়ি বিডিও অফিসে। এদিন সকাল ১১ থেকে কোলের সন্তানকে নিয়ে ধর্নায় বসেন ওই মহিলা। নাম শান্তনা রায় তিনি ধূপগুড়ি ব্লকের উত্তর আলতাগ্রামের বাসিন্দা বলেই প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে।

আরও পড়ুন: 'অ্যারেঞ্জড ম্যারেজ' করছেন? পার্টনারকে এই ৩ প্রশ্ন করতে একদম ভুলবেন না! জানুন কেন...

শান্তনা দেবীর অভিযোগ, চলতি বছর অগাষ্ট মাসে দুয়ারে সরকারে লাইনে দাঁড়িয়ে লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের (Lakshmir Bhandar) জন্য আবেদন করেন। সকলের টাকা ঢুকলেও তার টাকা ঢোকেনি। অভিযোগ, সমস্ত প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দেওয়ার পরেও তার টাকা না ঢোকায় তিনি বারবার বিডিও অফিসের একধিক আধিকারিকের কাছে ছুটে যান। সকলেই টাল বাহানা করে এক আধিকারিক আরেক অধিকারিককে দেখিয়ে হয়রানি করেন বলে মহিলার অভিযোগ।

শেষমেশ, আজ সরাসরি বিডিওর সঙ্গে সাক্ষাতের কথা বলেন কোনও এক আধিকারিক। তাই বিডিও র অপেক্ষায় সকাল থেকে কনকনে ঠান্ডায় ধর্নায় সন্তানকে কোলে নিয়ে বসেন ওই মহিলা। অভিযোগ, দিনভর অপেক্ষার পরেও বিডিওর দেখা মেলেনি। এমনকি গেট পর্যন্ত লাগিয়ে দেওয়া হয়েছে বলে মহিলার স্বামীর অভিযোগ। ঘটনায় রীতিমত প্রশ্নের মুখে ধূপগুড়ি বিডিও অফিসের ভূমিকা।

আরও পড়ুন: নয়া আতঙ্ক 'ডেলমিক্রন'? ‘ওমিক্রন’-এর পিছু পিছু কি আসছে এই ভাইরাস? জানুন আসল পরিচয়...

শান্তনা রায় বলেন,"আমি লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের (Lakshmir Bhandar) জন্য আবেদন করেছি। কিছুদিন পর সবার মোবাইলে এসএমএস ঢুকে যায়। আমার মোবাইলে কোনও এসএমএস আসেনি। এমনকি ফোনও করা হয়নি। গ্রাম পঞ্চায়েতে গিয়েছিলাম সেখান থেকে বিডিও অফিসে আসতে বলে।

বিডিও অফিসে এসে সকল আধিকারিকদের সাথে কথা বলি। সকালে ১১টা নাগাদ সময় বিডিও অফিসে এসেছি, সেখান থেকে আবার নতুন করে জমা দিতে হয় কাগজপত্র। কিন্তু আমার প্রশ্ন, এতদিন হয়রানি হলাম নতুন করে কেন জমা দেব। আমার সমস্ত কাগজপত্র ঠিক রয়েছে। কী ভুল হয়েছে সেটা আমাকে দেখাক। প্রধানকে জানিয়েছিলাম প্রধান বলেছে আমরা সমস্ত কাগজপত্র বিডিও অফিসে পাঠিয়ে দিয়েছি। এখনও পর্যন্ত কিন্তু তার সঙ্গে কথা বলতে পারিনি, অপেক্ষায় রয়েছি। দরকার হলে সারারাত অপেক্ষা করবো।"

উল্লেখ্য, এবিষয়ে ধূপগুড়ির বিডিও শঙ্খদ্বীপ দাস কে ফোন করা হলে ফোন রিসিভ না করায় তার প্রতিক্রিয়া মেলেনি। তবে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে প্রবল উত্তেজনা ছড়িয়ে পরে গোটা এলাকায়।

শেখ রকি চৌধুরী

Published by:Sanjukta Sarkar
First published:

Tags: Lakshmir bhandar, North bengal news

পরবর্তী খবর