উত্তরবঙ্গ

corona virus btn
corona virus btn
Loading

শিলিগুড়িতে বিনামূল্যে মাস্ক ও স্যানিটাইজার বিলি করছেন পুলিশকর্মী বাপন দাস !

শিলিগুড়িতে বিনামূল্যে মাস্ক ও স্যানিটাইজার বিলি করছেন পুলিশকর্মী বাপন দাস !

হাসপাতালে চিকিৎসা করাতে আসা অনেকেরই মাস্ক বা ফেস কভার, স্যানিটাইজার কেনার সামর্থ্য নেই। তাই অনেকেরই মুখ ঢেকেছে শাড়ির আঁচল বা গামছায়! এই ছবি চোখে আসতেই নেমে পড়েন বাপন দাস।

  • Share this:

 #শিলিগুড়ি: করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বেড়েই চলেছে। শিলিগুড়ি শহর তো বটেই গ্রামীন এলাকাতেও ছড়াচ্ছে করোনা। পাহাড়ও বাদ নেই। সংক্রমণ বাড়ছে। চূড়ান্ত অসাবধানতার জন্যেই বাড়ছে আক্রান্তের গ্রাফ। দাবী চিকিৎসকদের। লকডাউন যদি ঠিক মতো মেনে চলত, তাহলে এমন ঊর্ধমুখী গ্রাফের ছবি সামনে আসত না। এখনও রাজ্যজুড়ে যে লকডাউন হচ্ছে নির্দিষ্ট কয়েকটি দিনে, তাও অনেকেই মানছে না। যেখানে বিশিষ্ট চিকিৎসকেরা বার বার বলছেন, ন্যূনতম স্বাস্থ্য বিধি মেনে চললে আজ আক্রান্তের গ্রাফ এই জায়গায় পৌঁছত না। আর তাই করোনা সচেতনতায় অন্যভাবে প্রচারে কলকাতা পুলিশের কর্মী বাপন দাস। তিনি আবার বিধাননগর সোশ্যাল ওয়েলফেয়ার সোসাইটির প্রতিষ্ঠাতাও।

ছুটিতে নিজের বাড়িতে এলে সমাজ সেবায় ব্যস্ত রাখেন নিজেকে। লকডাউনের প্রথম দিন থেকেই রাস্তায় দাঁড়িয়ে ঝুঁকি নিয়ে ভবঘুরে থেকে অসহায়, দরিদ্রদের মুখে দু'বেলা খাবার তুলে দিয়েছেন। করোনা সচেতনতায় কখনও গাড়ির চালকের মুখে পরিয়ে দিয়েছেন মাস্ক। কখনও বা বিনে পয়সার হাট বসিয়ে চা বাগানের শ্রমিক মহল্লায় পৌঁছে দিয়েছেন শাক, সবজি থেকে নিত্য প্রয়োজনীয় সামগ্রী। এবারে নামলেন নিজের বাইককে সঙ্গী করে। সঙ্গে মাস্ক, হ্যান্ড স্যানিটাইজারের থলে। ছুটছেন এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে।

কোনওদিন উত্তরবঙ্গ মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে, কোনওদিন আবার শিলিগুড়ি জেলা হাসপাতাল। আবার কখনও ফাঁসিদেওয়া ব্লক হাসপাতাল। হাসপাতালে চিকিৎসা করাতে আসা অনেকেরই মাস্ক বা ফেস কভার, স্যানিটাইজার কেনার সামর্থ্য নেই। তাই অনেকেরই মুখ ঢেকেছে শাড়ির আঁচল বা গামছায়! এই ছবি চোখে আসতেই নেমে পড়েন বাপন দাস। বিনে পয়সায় বিলি করছেন মাস্ক, হ্যান্ড স্যানিটাইজার! কেন? বাপনবাবুর কথায়, করোনা মোকাবিলায় কিছু সরকারি নির্দেশিকা মেনে চলতে হবে। ইচ্ছে থাকলেও গ্রামের কোণে কোণে আর্থিক কারণে তা সম্ভব হয়ে উঠছে না। তাই তাদের হাতে প্রয়োজনীয় কিট তুলে দিতেই পথে নামা। তাঁর এই উদ্যোগকে অভিনন্দন জানিয়েছেন গ্রামবাসীরা।

PARTHA PRATIM SARKAR 

Published by: Piya Banerjee
First published: August 7, 2020, 12:09 AM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर