KLO: তৃণমূলকে হুঁশিয়ারি দিয়ে ফের কেএলও পোস্টার! প্রাক্তন লিংকম্যান বলছেন, 'ভালোই আছি'

ফের কেএলও পোস্টার

KLO: রাজবংশী সম্প্রদায়ের উপর তৃণমূল কংগ্রেসের হামলা বন্ধের দাবিতে চোপড়া ব্লকের মাঝিয়ালি গ্রাম পঞ্চায়েতের বিভিন্ন এলাকার কেএলও নামে পোস্টার পড়ে।

  • Share this:

#চোপড়া: কেএলও-র পোস্টারকে ঘিরে রাজনৈতিক চাপানউতর শুরু হয়েছে উত্তর দিনাজপুর জেলার চোপড়ায়। পুলিশ পোস্টারগুলি তুলে থানায় নিয়ে আসে। এই ঘটনার পর চোপড়ার বিভিন্ন এলাকায় নাকা চেকিং শুরু করে চোপড়া থানার পুলিশ।

রাজবংশী সম্প্রদায়ের উপর তৃণমূল কংগ্রেসের হামলা বন্ধের দাবিতে চোপড়া ব্লকের মাঝিয়ালি গ্রাম পঞ্চায়েতের বিভিন্ন এলাকার কেএলও নামে পোস্টার পড়ে। রবিবার সকালে সেই পোস্টার নিয়ে রাজনৈতিক চাপানউতোর শুরু হয়েছে। সাদা কাগজের পোস্টার লেখা হয়েছে...'চোপড়া ভূমিপুত্র রাজবংশী লার উপরত যদি টি এম সি উত্তাচার বন্ধ না হয় তাহলে হামরা আছি।' যদিও তৃণমূল কংগ্রেসের দাবি ,চোপড়ায় শুধু মাত্র রাজবংশীরাই কেন ভূমিপুত্র, এখানে বহু সম্প্রদায়ের মানুষ আছেন তারাও ভূমিপুত্র। কেউ রাজবংশীদের উপর অত্যাচার করছে না। যদি কেউ তাদের নাম জানাতে পারেন তৃণমূল কংগ্রেস নেতৃত্ব তাদের পাশে দাঁড়াবে।আসলে বিজেপি সম্প্রদায়িক বিভাজন করে এলাকায় অশান্তি সৃষ্টি করতে চাইছে।

একসময় যারা কে এল ও করতেন তাদের মধ্যে অনেকেই চাকরি পেয়েছেন। এখনও কয়েকজন চাকরি পাননি।  তাদের তালিকা আছে।  সরকারি ঘোষনা অনুযায়ী চাকরি পাবেন। বিজেপি জেলা সাধারণ সম্পাদক সুরজিৎ সেনের অভিযোগ, 'তৃণমূল কংগ্রেসের অত্যাচারের চোপড়ার বহু মানুষ ঘরছাড়া। তারা রাজবংশীদের উপর বিভিন্নভাবে অত্যাচার করছে। তৃণমূল কংগ্রেস না করার অভিযোগে জরিমানা, চা পাতা কেটে নেওয়া হচ্ছে। বিজেপি কোন ভাবে এই ধরনের শক্তিকে সমর্থন করে না। তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী বিমল গুরুংয়ের মত মানুষদের প্রশয় দেয়। ' চোপড়া কে এল ও প্রাক্তন লিঙ্কম্যান সুনীল সিংহ জানান, দীর্ঘ কয়েক বছর আগে তারা কে এল ও লিঙ্ক ম্যান থেকে সরে এসেছেন। এখন তারা কৃষি কাজ করে সংসার চালাচ্ছেন। তারা এখন তৃণমূল কংগ্রেসের উন্নয়নের পাশে আছেন।  তারা এধরনের কোন পোস্টার দেননি। স্থানীয় বাসিন্দা বাদল সিংহ জানান, কে এল ও নামে এধরনের পোস্টারে মাঝিয়ালি এলাকার মানুষ আতঙ্কিত।এখন এই এলাকায় কে এল ও বলে কাউকে দেখা যায়। পুলিশ প্রশাসনের উচিত যারা এই কাজ করছে তাদের খুঁজে বের করা। এবিষয়ে ইসলামপুর পুলিশ জেলার পুলিশ সুপারের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি ফোন ধরেননি। দুপুর নাগাদ চোপড়া থানার পুলিশ সেই পোস্টারগুলো তুলে থানায় নিয়ে আসে।এলাকায় কেউ যাতে নতুন করে অশান্তি ছড়াতে না পারে তার জন্য চোপড়ার বিভিন্ন এলাকায় নাকা চেকিং চালু করে চোপড়া থানার পুলিশ।

Published by:Suman Biswas
First published: