• Home
  • »
  • News
  • »
  • north-bengal
  • »
  • KALIACHAK MURDER TERROR TWO FRIENDS OF MAIN ACCUSED ASIF GOT 10 DAYS JAIL CUSTODY RC

Kaliachak Murder Terror: কালিয়াচক-কাণ্ডে ক্রমে বাড়ছে রহস্য, আসিফের দুই বন্ধুর ১০ দিনের জেল হেফাজত!

কালিয়াচক-কাণ্ডে ক্রমে বাড়ছে রহস্য

কালিয়াচক-কান্ডে (Kaliachak Murder Terror) মূল অভিযুক্ত আসিফের দুই বন্ধু সাবির আলি এবং মহম্মদ মাফুজের ১০ দিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ দিল মালদহ আদালত।

  • Share this:

#মালদহ: কালিয়াচক-কান্ডে (Kaliachak Murder Terror) মূল অভিযুক্ত আসিফের দুই বন্ধু সাবির আলি এবং মহম্মদ মাফুজের ১০ দিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ দিল মালদহ আদালত। চার দিনের পুলিশ হেফাজতের শেষে বৃহস্পতিবার দু'জনকে হাজির করা হয় মালদা জেলা আদালতে। পুলিশ এদিন নতুন করে হেফাজতে নেওয়ার কোনও আবেদন জানায়নি। এই অবস্থায় মালদা জেলা আদালত ১০ দিনের জেল হেফাজতে রাখার নির্দেশ দেয়।

এদিকে এই খুনের ঘটনায় মূল অভিযুক্ত আসিফ মহম্মদের দাদা আরিফ মহম্মদ এবং মামা শিস মহম্মদের গোপন জবানবন্দি রেকর্ড করা হয়েছে মালদা জেলা আদালতে। খুনের ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী এবং একইসঙ্গে অভিযোগকারী আরিফ মহম্মদ। এছাড়া মামা শিস মহম্মদের কাছ থেকেও টাকা হাতানো এবং খুনের হুমকি দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে আসিফের বিরুদ্ধে। এই মামলায় দাদা ও মামার বয়ান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছে পুলিশ। মালদা আদালতের সরকারি আইনজীবী দেবজ্যোতি পাল বলেছেন, 'দাদার সামনেই খুনের ঘটনা হয়। থানায় এ নিয়ে অভিযোগকারী দাদা আসিফের কাছ থেকে ওই দিনের ঘটনা ঠিক কী হয়েছিল তা জানতেই জবানবন্দি নেওয়া হয়েছে।'

এর আগে আসিফকে জেরা করে দুই বন্ধুর নাম পায় পুলিশ। এর পর সাবির আলি এবং মহম্মদ মাফুজের হেফাজত থেকে প্রচুর অস্ত্র, গুলি, ম্যাগাজিন উদ্ধার হয়। পুলিশ জানিয়েছে, প্রথম দিনই অস্ত্র উদ্ধার হয়। এর পর তাদের প্রয়োজনীয় জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে ফলে, নতুন করে আর জিজ্ঞাসাবাদ করার প্রয়োজন নেই। তাই তাদের আর হেফাজত নিতে চায় না পুলিশ। কালিয়াচক-কান্ডে মূল অভিযুক্ত আসিফ কী করে এত অস্ত্র পেল তা ভাবাচ্ছে পুলিশ কর্তাদের। এখন তাই খুঁজে বের করার চেষ্টায় পুলিশ। যদিও জেরায় এখনও এনিয়ে কোনও মুখ খুলতে চাইছে না আসিফ। অস্ত্র উদ্ধারের সূত্র পেলে তদন্তের কাজ অনেকটাই গতি পাবে বলে আশাবাদী তদন্তকারীরা। বর্তমানে পুলিশ হেফাজতে থাকা আসিফকে এ নিয়ে আর কয়েকবার জেরার পরিকল্পনা রয়েছে পুলিশের।

Published by:Raima Chakraborty
First published: