নাড্ডার খিচুড়ি ভোজ ও কৃষ্ণেন্দুর ট্রাক্টর নিয়ে প্রতীকী অবস্থান ঘিরে জমজমাট মালদহ

নাড্ডার খিচুড়ি ভোজ ও কৃষ্ণেন্দুর ট্রাক্টর নিয়ে প্রতীকী অবস্থান ঘিরে জমজমাট মালদহ
ফলাফলের ভিত্তিতেই মালদহকে পাখির চোখ করেছে বিজেপি। সেই কারণেই আজ জেপি নাড্ডার সফরকে ঘিরে রাজনৈতিক লড়াই শুরু করে দিল বিজেপি।

ফলাফলের ভিত্তিতেই মালদহকে পাখির চোখ করেছে বিজেপি। সেই কারণেই আজ জেপি নাড্ডার সফরকে ঘিরে রাজনৈতিক লড়াই শুরু করে দিল বিজেপি।

  • Share this:

#মালদহ: নজরে উত্তরবঙ্গ। লোকসভা ভোটে মালদহের দুই আসনের মধ্যে একটায় জয় ছিনিয়ে নেয় বিজেপি। অন্যটিতে জয় ছিনিয়ে নেয় কংগ্রেস। চেষ্টা করেও জায়গা করতে পারেনি রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস। লোকসভা ভোটের ফল বিধানসভা ভিত্তিক পর্যালোচনা করলে দেখা যাচ্ছে মালদহ জেলায় কংগ্রেস এগিয়ে ৪ আসনে, বিজেপি এগিয়ে ৬ আসনে, তৃণমূল এগিয়ে ২ আসনে।

এই ফলাফলের ভিত্তিতেই মালদহকে পাখির চোখ করেছে বিজেপি। সেই কারণেই আজ জেপি নাড্ডার সফরকে ঘিরে রাজনৈতিক লড়াই শুরু করে দিল বিজেপি। তবে নাড্ডার এই সফরকে ঘিরে লড়াইয়ে রয়েছে তৃণমূল কংগ্রেসও। লোকসভা ভোটের ফল বিশ্লেষণে দেখা গিয়েছে মালদহের রতুয়া ও হরিশচন্দ্রপুর আসনে এগিয়ে রয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। তবে এবার শুধু দুই নয়, আরও বেশি আসনে লড়াই চালাতে প্রস্তুতি নিচ্ছে রাজ্যের শাসক দল।

এদিন মালদহের সভা থেকে তৃণমূলকে আক্রমণ শানিয়েছেন নাড্ডা। তবে নাড্ডাকে নিয়ে জেলায় কোনও বিক্ষোভ করতে রাজি নয় তৃণমূল। জোড়াফুল মনে করছে, এতে আসলে রাজনৈতিক ভাবে সুবিধা পাবে সেই বিজেপি। সেই কারণে রাজনৈতিক ভাবে লড়াই চালাতে চায় তৃণমূল কংগ্রেস। এদিন জেপি নাড্ডা পৌঁছনোর সময় দেখা যায় সাহাপুর অঞ্চলে পদ্ম ফুল ও হাত পাশাপাশি। কারণ গোটা রাস্তা জুড়ে যে সব দেওয়াল লিখন হয়েছে তাতে কংগ্রেস ও পদ্ম ফুলের ছবি রয়েছে।


সাহাপুরের মতো অঞ্চল যেখানে এদিন নাড্ডা সভা করলেন সেখান থেকে খুব কাছেই ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত। এই জায়গা বাছাই করে সীমান্তবর্তী অঞ্চলের গ্রাম গুলিতেও ভোটের হাওয়া ধরতে চাইছে বিজেপি। পিছিয়ে নেই তৃণমূল কংগ্রেস। মালদহের তৃণমূলের নেতা কৃষ্ণেন্দু নারায়ণ চৌধুরী জানিয়েছেন, "২০১৬ সালেও তৃণমূল কংগ্রেস এখানে আরও ভালো ফল করতে পারত। কিন্তু শুভেন্দু ও মুকুল রায়ের জন্যে তা আমরা করতে পারিনি। এবার নাড্ডা যা খুশি বলে যাক আমরা ভালো ফল করবই।"

তবে জেপি নাড্ডাকে কটাক্ষ করতে ছাড়েননি তিনি। এদিন বলেছেন, "যে সময় উনি এলেন, সেই সময়ে তো আর আম খাবার সময় নয়। তাই আমের গন্ধ শুঁকে গেলেন। আর রেশম শিল্পীদের গুটি দেখে গেলেন। সারা বছর কৃষকদের পাশে থাকেন না। আর এখন কৃষক সুরক্ষা অভিযান করতে এসেছেন উনি।"

Published by:Swaralipi Dasgupta
First published: