Home /News /north-bengal /
Jalpaiguri : গেমে আসক্ত ছেলের থেকে মোবাইল কেড়ে নেন বাবা! সাংঘাতিক পদক্ষেপ নবম শ্রেণির ছাত্রের

Jalpaiguri : গেমে আসক্ত ছেলের থেকে মোবাইল কেড়ে নেন বাবা! সাংঘাতিক পদক্ষেপ নবম শ্রেণির ছাত্রের

প্রতীকী ছবি৷

প্রতীকী ছবি৷

Jalpaiguri : জানা গিয়েছে, সাত- আট মাস আগে অমিত হাতে পায় মোবাইল সেট। ক্রমশ অনলাইন গেমে আসক্ত হয়ে পড়ে সে।

  • Share this:

    #জলপাইগুড়ি: মোবাইলে নিয়ে নেওয়ায় অভিমানে আত্মঘাতী নবম শ্রেণির ছাত্র। অনলাইন গেমে আসক্ত ছিল সেই ছাত্র। আর তাই তার থেকে মোবাইল নিয়ে নেওয়া হয়। তার পরেই আত্মঘাতী হয় সে। মঙ্গলবার বানারহাট ব্লকের ফটকটারি এলাকার ঘটনা। জানা গিয়েছে, মৃতের নাম অমিত রায়(১৬)।

    নাথুয়া বানিয়াপাড়া চৌরাস্তা হাইস্কুলের নবম শ্রেণির ছাত্র ছিল অমিত। এদিন বাড়ির পাশের বাঁশঝাড়ে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পাওয়া যায় তাকে। স্থানীয়রাই তাকে উদ্ধার করে ধূপগুড়ি হাসপাতালে নিয়ে যান। কিন্তু হাসপাতালে নিয়ে গেলেও সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।

    জানা গিয়েছে, সাত- আট মাস আগে অমিত হাতে পায় মোবাইল সেট। ক্রমশ অনলাইন গেমে আসক্ত হয়ে পড়ে সে। পড়াশোনা ছেড়ে গেমেই মেতে থাকত বলে জানা যাচ্ছে। সেই কারণেই মঙ্গলবার অমিতের বাবা ছেলের মোবাইল কেড়ে নেন। এতেই অভিমানী হয়ে পড়ে অমিত। সন্ধ্যায় বাড়িতে কেউ না থাকার সুযোগে সে আত্মঘাতী হয়েছে বলে দাবি পরিবারের।

    ঘটনার জেরে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। আজ ময়নাতদন্তের জন্য মৃতদেহ জলপাইগুড়িতে পাঠানো হয়েছে।

    আরও পড়ুন- এ যেন বাস্তবের পুষ্পা! ভুয়ো ফরেঞ্জ রেঞ্জ অফিসার পরিচয়ে লক্ষ লক্ষ টাকার কাঠ পাচার

    প্রসঙ্গত, এর আগেও এরকম আরও কয়েকটি ঘটনা দেখা গিয়েছে। যেখানে নাবালক বা নাবালিকার কাছ থেকে মোবাইল নিয়ে নেওয়ায় তারা এমন মারাত্মক সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এই নিয়ে মনরোগ বিশেষজ্ঞ স্বস্তিশোভন চৌধুরী বলছেন, "গেমের প্রতি অতিরিক্ত আসক্তিকে আমরা মানসিক অসুখ বলে চিহ্নিত করছি আজকাল। সারা পৃথিবীতেই অসুস্থতা হিসেবে এটি চিহ্নিত হচ্ছে।"

    বিশেষজ্ঞ আরও জানাচ্ছেন যে এই গেম আসক্তদের মধ্যে কম বয়সি বা বয়ঃসন্ধির ছেলেমেয়েরা বেশি থাকে। তাঁর কথায়, "তাঁদের থেকে এই আনন্দের উৎস সরিয়ে দেওয়া হলে আবেগের বশে তারা অনেক কিছু করে ফেলতে পারে। তাৎক্ষণিক আবেগের বশবর্তী হয়ে তারা এ ধরনের কাজ করে ফেলে।"

    Shekh Rocky Chowdhury

    Published by:Swaralipi Dasgupta
    First published:

    Tags: Jalpaiguri

    পরবর্তী খবর