• Home
  • »
  • News
  • »
  • north-bengal
  • »
  • ৮০ দিন পর খুলল ইন্দো-বাংলা ফুলবাড়ি সীমান্ত, মানা হচ্ছে একগুচ্ছ বিধিনিষেধ

৮০ দিন পর খুলল ইন্দো-বাংলা ফুলবাড়ি সীমান্ত, মানা হচ্ছে একগুচ্ছ বিধিনিষেধ

লকডাউনের আগে থেকেই সতর্কতা হিসেবে বন্ধ করা হয়েছিল শিলিগুড়ি লাগোয়া ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত। বন্ধ ছিল আমদানি, রফতানি বাণিজ্য

লকডাউনের আগে থেকেই সতর্কতা হিসেবে বন্ধ করা হয়েছিল শিলিগুড়ি লাগোয়া ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত। বন্ধ ছিল আমদানি, রফতানি বাণিজ্য

লকডাউনের আগে থেকেই সতর্কতা হিসেবে বন্ধ করা হয়েছিল শিলিগুড়ি লাগোয়া ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত। বন্ধ ছিল আমদানি, রফতানি বাণিজ্য

  • Share this:

#শিলিগুড়ি:  লকডাউনের আগে থেকেই সতর্কতা হিসেবে বন্ধ করা হয়েছিল শিলিগুড়ি লাগোয়া ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত। বন্ধ ছিল আমদানি, রফতানি বাণিজ্য। দুই দেশের বাসিন্দাদেরও সীমান্ত পারাপার করা বন্ধ ছিল। কেন্দ্র আগেই সীমান্ত খোলায় ছাড় দিয়েছিল। রাজ্য সবুজ সংকেত দিয়েছিল। অবশেষে শনিবার জলপাইগুড়ি জেলা প্রশাসন অনুমতি দেওয়ায় খুলে গেল ইন্দো-বাংলাদেশ সীমান্ত।

৮০ দিন পর খুলল সীমান্ত, অবশ্যই কোভিড প্রোটোকল মেনে। সীমান্তের ভারতীয় ভূখণ্ডে বসেছে হেলথ ক্যাম্প। থাকছেন স্বাস্থ্য কর্মী, প্রত্যেকেরই স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা হচ্ছে। থার্মাল স্ক্রিনিং করা হচ্ছে গাড়ি চালকদেরও। তারপর মিলছে যাতায়াতের অনুমতি। মানা হচ্ছে সোশ্যাল ডিস্ট্যান্সিং!  স্বাস্থ্য কর্মী থেকে সাফাই কর্মী সকলেই পিপিই কিট পরে কাজ করছেন। প্রতিটি পাথর বোঝাই লরি স্যানিটাইজ করা হচ্ছে। প্রথম দিনে ভারত থেকে স্রেফ পাথর রফতানি হয়েছে ওপার বাংলায়। নেপাল সীমান্ত বন্ধ থাকায় সেই দেশের পণ্য বাংলাদেশে রফতানি হয়নি। উলটো দিকে বাংলাদেশ থেকেও আমদানি বন্ধ রয়েছে। সীমান্তে বাণিজ্য পরিষেবা খতিয়ে দেখতে যান জেলা প্রশাসনের কর্তারা, ছিলেন বি এস এফ আধিকারিকরাও। আপাতত যাঁরা লকডাউনের জেরে আটকে পড়েছিলেন এপারে, তাঁদেরকেই নিজের দেশে ফেরানো হচ্ছে।

ওপার বাংলা থেকেও আটকে পড়া ভারতীয়দের দেশে ফেরার ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে। ১৮০ নং ব্যটেলিয়নের বি এস এফের অ্যাসিস্ট্যান্ট কমান্ডার জানান, কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের নির্দেশ মেনেই সীমান্ত খোলা হয়েছে। স্বাস্থ্য বিধি মানা হচ্ছে কি না প্রতিনিয়ত খতিয়ে দেখা হবে। আড়াই মাসের বেশি সময় পর সীমান্ত খোলায় খুশী স্থানীয় ট্রাক চালকদের সংগঠন। তবে আপাতত সাধারন বাসিন্দাদের সীমান্ত পারাপারে অনুমতি না মেলায় সীমান্তে ব্যবসা তেমন হবে না। আর তাই সীমান্তে হোটেল-সহ বিদেশি মুদ্রা বিনিময় কেন্দ্রের মতো ব্যবসা বন্ধ।

PARTHA PRATIM SARKAR

Published by:Rukmini Mazumder
First published: