Home /News /north-bengal /
Mosquitoes|| মশার তাণ্ডবে নাজেহাল! মশা দমনে অভিনব পদক্ষেপ ভারত-ভুটানের, কী সেই পদ্ধতি?

Mosquitoes|| মশার তাণ্ডবে নাজেহাল! মশা দমনে অভিনব পদক্ষেপ ভারত-ভুটানের, কী সেই পদ্ধতি?

প্রতীকী ছবি।

প্রতীকী ছবি।

India-Bhutan takes major steps to combat with Mosquitoes: ম্যালেরিয়া, ডেঙ্গু, এনসেফালাইটিস এমনকি কালাজ্বরের মতো রোগ প্রতিরোধে রোগের বাহক মশা-মাছিদের খুঁজে খুঁজে খতম করতে এ বার একযোগে অভিযানে চালাবে দুই দেশ।

  • Share this:

    #ভুটান: মশা দমনে এ বার এক যোগে অভিযান চালানোর ব্যাপারে সহমত পোষণ করল ভারত-ভুটান দুই দেশ। ফের একযোগে অপারেশনের পথে হাঁটতে চলেছে প্রতিবেশী দুই বন্ধু রাষ্ট্র। তবে এ বার আর সেনাবাহিনী নয়, অপারেশনের দায়িত্ব বর্তাতে চলছে দু-দেশের স্বাস্থ্য দফতরের কাঁধে।ম্যালেরিয়া, ডেঙ্গু, এনসেফালাইটিস এমনকি কালাজ্বরের মতো রোগ প্রতিরোধে রোগের বাহক মশা-মাছিদের খুঁজে খুঁজে খতম করতে এ বার একযোগে অভিযানে চালাবে দুই দেশ। সম্প্রতি দুই দেশের স্বাস্থ্য দফতরের শীর্ষ কর্তাদের মধ্যে এই নিয়ে আলোচনায় হয়। ভার্চুয়ালি সেই বৈঠকে ভুটান সংলগ্ন জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার এবং কালিম্পং জেলার স্বাস্থ্য দফতরের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত ছিলেন।

    কেন এই যৌথ অভিযান? স্বাস্থ্য দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, সীমান্তের এক প্রান্তে যখন ম্যালেরিয়া, ডেঙ্গু, কালাজ্বরের বাহক মশা, মাছিদের দমনে স্প্রে অভিযান চালানো হয় তখন এই পতঙ্গ অনায়াসে উড়ে গিয়ে সীমান্তের অন্য দিকে আশ্রয় নেয়। যার ফলে অভিযান পুরোপুরি সাফল্য পায় না। এই নিয়ে কেন্দ্রের পতঙ্গবাহিত রোগ নিয়ন্ত্রন শাখা যতটা চিন্তিত ততটাই চিন্তিত ভুটানের স্বাস্থ্য দফতরও। বৈঠকে ক্রস বর্ডার এলাকায় পতঙ্গবাহিত রোগ নির্ণয়ে যৌথ সমীক্ষার বিষয়ে আলাচনা হয়েছে। আলোচনা ফলপ্রসূ হয়েছে বলে জলপাইগুড়ি জেলা স্বাস্থ্য দফতরের এক কর্তা জানিয়েছেন।

    আরও পড়ুন: আজও চলবে ভয়াবহ তাপপ্রবাহ! কবে বৃষ্টি হতে পারে? জানুন হাওয়া অফিসের Latest Updates...

    আলিপুরদুয়ার জেলার এক আশে রয়েছে ভুটানের ছুকা জেলা। জয়গাঁ লাগোয়া ভুটানের ফুন্টসিলিং ও ছুকা জেলার অন্তর্গত। পাশাপাশি জলপাইগুড়ি জেলার চামুর্চি, নাগরাকাটার জিতি, ক্যারন, চ্যাংমারি, গাঠিয়া, লালঝামেলা বস্তির মতো এলাকা ভুটানের সামচি জেলার অন্তর্গত। গত বছর নাগরাকাটার লাল ঝামেলা বস্তি এলাকায় কালাজ্বরে আক্রান্ত একজন রোগীর সন্ধান পাওয়া যায়। সেই সময় সমীক্ষা চালিয়ে এলাকায় বেশ ভাল সংখ্যায় কালাজ্বরের বাহক স্যান্ড ফ্লাই মশা খুঁজে পান জেলার পতঙ্গ বিশেষজ্ঞরা।

    আরও পড়ুন: রাতভর ঝড়-শিলাবৃষ্টির তাণ্ডব! তছনছ নকশালবাড়ির গ্রামের পর গ্রাম! এখন কী পরিস্থিতি?

    লাল ঝামেলা বস্তির গা ঘেঁসে বয়ে চলছে জলঢাকা নদী। নদী পার হলেই ভুটান। সেই সময় সমীক্ষায় নদীর দু-পারে মশা, মাছির অবাধ গতিবিধি আরও স্পষ্ট হয়। আলোচনায় উপস্থিত জলপাইগুড়ি জেলা স্বাস্থ্য দফতরের পতঙ্গবিদ রাহুল সরকার জানান, 'একই সঙ্গে যদি সীমান্তের দু-পাশে স্প্রে অভিযান চলে তাহলে মশা আর মাছির দল এক জায়গা থেকে পালিয়ে আরেক জায়গায় আত্মগোপনের আর সুযোগ পাবে না। বিষয়টি নিয়ে সহমত পোষণ করেছেন দুই দেশের শীর্ষ কর্তারা। আলোচনা ফলপ্রসূ হয়েছে। তবে এখনও দিনক্ষণ ঠিক হয়নি। যে ভাবে নির্দেশ আসবে সেই মতো পদক্ষেপ হবে। এতে দু-দেশের পতঙ্গবাহিত রোগ প্রতিরোধ কাজ অনেকটাই সুবিধা বলে মনে করেন তিনি।

    Santanu Kar

    Published by:Shubhagata Dey
    First published:

    Tags: Mosquito

    পরবর্তী খবর