corona virus btn
corona virus btn
Loading

গত ২৪ ঘণ্টায় শিলিগুড়িতে আক্রান্তের গ্রাফ নিম্নমুখী, করোনার বিরুদ্ধে জিতে ঘরে ফিরলেন ৪২ জন

গত ২৪ ঘণ্টায় শিলিগুড়িতে আক্রান্তের গ্রাফ নিম্নমুখী, করোনার বিরুদ্ধে জিতে ঘরে ফিরলেন ৪২ জন

শিলিগুড়িতে মৃত ২

  • Share this:

#শিলিগুড়ি: চিকিৎসায় মিলছে ভাল সাড়া। সুস্থ হচ্ছেন আক্রান্তরা। সুস্থতার গ্রাফটাও ঊর্ধমুখী। আজ, মঙ্গলবার শিলিগুড়ির দুটি কোভিড স্পেশাল হাসপাতাল ও সেফ হাউস থেকে সুস্থ হয়ে ঘরে ফিরেছেন ৪২ জন করোনা যোদ্ধা। গতকাল ২৪ জন করোনা যুদ্ধে জয়ী হয়েছেন। সবমিলিয়ে এখনও পর্যন্ত একটা বড় অংশ আক্রান্ত সুস্থ হয়ে উঠেছেন।

এদিনও করোনা যোদ্ধাদের হাতে পুষ্পস্তবক তুলে দেওয়া হয়। সেইসঙ্গে করতালির মাধ্যমে উৎসাহিত করা হয়। একে একে বাড়ি ফিরছেন আক্রান্তরা। এলাকাতেও তাঁদের বরণ করে নেওয়া হচ্ছে। তবুও শিলিগুড়িতে আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলে আশঙ্কা করছেন চিকিৎসকেরা। এজন্য সাধারন মানুষদেরই দায়ী করছেন। কেননা আনলক চলছে। রাস্তায় নামছে সাধারন মানুষ। কিন্তু মানছেন না ন্যূনতম কোভিড প্রোটোকল। শারিরীক দূরত্ব মানার বালাই নেই। যা ভয়ঙ্কর। এমনকী মাস্কও পড়ছেন না অনেকেই। পড়লেও তা ঝুলছে গলায়। মুখ এবং নাক সঠিকভাবে ঢাকছেন না। শিলিগুড়ির বিশিষ্ট ফিজিশিয়ান ডাঃ শীর্ষেন্দু পাল জানান, প্রশাসনিক হস্তক্ষেপে বাজারে, মার্কেটে, রাস্তাঘাটে এর নিয়ন্ত্রণ করতে হবে। আক্রান্তের সংখ্যা কমাতে হলে এই পদক্ষেপ নিতে হবে প্রশাসনকে।

এদিকে গত ২৪ ঘণ্টায় শিলিগুড়িতে আক্রান্তের গ্রাফ নিম্নমুখী। যা অত্যন্ত ভাল দিক। তবে দুই আক্রান্তের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে এক আক্রান্ত মহিলা পুরসভার ৪২ নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা। অন্যজনের মৃত্যু হয় গত পরশু। তাঁর বাড়ি ১৭ নং ওয়ার্ডে। গতকাল তাঁর দেহ তুলে দেওয়া হয় পরিবারের হাতে। আজ রিপোর্ট পজিটিভ এসছে। কেন লালা রসের নমুনা রিপোর্ট হাতে না পেয়ে মৃতদেহ পরিবারের হাতে তুলে দেওয়া হল? এনিয়ে প্রশ্ন উঠছে নার্সিংহোম কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে। কেননা বাড়িতে দেহ গিয়েছে। তারপর শ্বশানে নিয়ে যাওয়া হয়। এর জেরে অনেকেই সংস্পর্ষে এসছে বলে অনুমান।

আজ নতুন করে শিলিগুড়িতে আক্রান্তের সংখ্যা ১১! এর মধ্যে ৩৯ নং ওয়ার্ডে আক্রান্ত ৩ জন। অন্যদিকে সুস্থতার পথে অশোক ভট্টাচার্য। বেসরকারী হাসপাতালের মেডিকেল বুলেটিনে জানানো হয়েছে, শারিরীক অবস্থার উন্নতি হয়েছে।

Partha Pratim Sarkar

Published by: Ananya Chakraborty
First published: June 30, 2020, 11:19 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर