corona virus btn
corona virus btn
Loading

ছয় মাসের বেতন দিয়ে সহকর্মীদের যাতায়াতের ব্যবস্থা ! নজির গড়লেন রায়গঞ্জের স্বাস্থ্যকর্মী সংগঠনের সভাপতি

ছয় মাসের বেতন দিয়ে সহকর্মীদের যাতায়াতের ব্যবস্থা ! নজির গড়লেন রায়গঞ্জের স্বাস্থ্যকর্মী সংগঠনের সভাপতি

চিকিৎসক, নার্সিং ষ্টাফ এবং স্বাস্থ্যকর্মীদের যাতায়াতের দায়িত্ব নিজের কাধে তুলে নিলেন রায়গঞ্জ মেডিক্যাল কলেজের অস্থায়ী কর্মী তথা আই এন টি টি ইউ সি স্বাস্থ্যকর্মী সংগঠনের সভাপতি প্রশান্ত মল্লিক।

  • Share this:

#রায়গঞ্জ: চিকিৎসক, নার্সিং ষ্টাফ এবং স্বাস্থ্যকর্মীদের যাতায়াতের দায়িত্ব নিজের কাধে তুলে নিলেন রায়গঞ্জ মেডিক্যাল কলেজের অস্থায়ী কর্মী তথা আই এন টি টি ইউ সি স্বাস্থ্যকর্মী সংগঠনের সভাপতি প্রশান্ত মল্লিক।নিজের ছয়মাসের বেতন দিয়ে চারটি টোটোর ব্যবস্থা করেছেন।সকাল থেকে রাত্রি নয়টা পর্যন্ত  হাসপাতালের চিকিৎসক,নার্স এবং স্বাস্থ্যকর্মীদের আনা নেওয়া করবেন। প্রশান্তবাবুর এই উদ্যোগে উপকৃত  হয়েছেন হাসপাতালের সমস্ত স্তরের স্বাস্থ্যকর্মীরা।

করোনা ভাইরাস মোকাবিলায় দেশ জুড়ে লকডাউন চলছে।এই লকডাউনের মধ্যেই দূরদূরান্ত থেকে নার্সিং ষ্টাফ,স্বাস্থ্যকর্মী এবং চিকিৎসকরা স্বাস্থ্য  পরিষেবা দিতে রায়গঞ্জ মেডিক্যাল কলেজে আসছেন। রাস্তায় অটো, টোটো না থাকায় পরিবারের সদস্যরা তাদের মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে পৌছে দিতে হচ্ছে।ডিউটি শেষ হবার পর আবার তাদের হাসপাতাল থেকে বাড়িতে নিয়ে যেতে হচ্ছে।পরিবারের সদস্যরা বাড়ি থেকে আসা যাওয়া করতে গিয়ে পুলিশের হয়রানির স্বীকার হতে হচ্ছে। তৃণমূল কংগ্রেসের স্বাস্থ্যকর্মী সংগঠনের সভাপতি তিনিই রায়গঞ্জ মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের অস্থায়ী কর্মী।হাসপাতালের কর্মী হবার সুবাদে হাসপাতালের নার্সিং ষ্টাফ, চিকিৎসক এবং স্বাস্থ্যকর্মীদের যাতায়াত করতে কি ধরনের সমস্যায় পড়ছেন তা তিনি অনুভব করেছেন।তাই নিজের ছয় মাসের বেতন দিয়ে তাদের আসা যাওয়ার জন্য চারটি টোটোর ব্যবস্থা করেছেন।সকাল সাতটা থেকে রাত্রি নয়টা পর্যন্ত এই পরিষেবা দেবার ব্যবস্থা করা হয়েছে।তারপরও কোন কর্মী টেলিফোন করলেই তার কাছে টোটো পৌছে যাবে। প্রশান্তবাবুর এই উদ্যোগে খুশী স্বাস্থ্যকর্মীরা।অপর্ণা সরকার নামে এক নার্সিং ষ্টাফ জানিয়েছেন,প্রশান্তবাবু তাদের জন্য এই ব্যবস্থা চালু করায় তার খুব উপকার হয়েছে।লকডাউন শুরু থেকেই তার কর্মস্থলে পৌছানো বেশ খানিকটা সমস্যার মধ্যে পড়তেন হচ্ছিল।কারন তার বাড়িতে হাসপাতালে পৌছে দেবার জন্য অন্য কোন ব্যাক্তি নেই।তাই এই ব্যবস্থা চালু করাতে তিনি উপকৃত হলেন।প্রশান্তবাবু জানান,চারটি টোটো দিয়ে চিকিৎসক,নার্সিং ষ্টাফ এবং স্বাস্থ্যকর্মীদের আনানেওয়া করবে।টোটোতে বেশ কয়েকটি মোবাইল নম্বর দেওয়া আছে।হাসপাতালের কর্মীরা ফোন করলেই টোটো তার বাড়িতে পৌছে যাবে বলে আশ্বাস দিয়েছেন প্রশান্তবাবু।

UTTAM PAUL 

First published: March 26, 2020, 11:33 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर