চিনা দ্রব্য বয়কটের সুফল! কেন্দ্রীয় সরকারের সিদ্ধান্তে ধুকতে থাকা মোমবাতি শিল্পে আশার আলো !

চিনা দ্রব্য বয়কটের সুফল! কেন্দ্রীয় সরকারের সিদ্ধান্তে ধুকতে থাকা মোমবাতি শিল্পে আশার আলো !

চিনা লাইট বাজারে আসবে না ধরে নিয়ে মোমবাতির চাহিদা একলাফে বেড়ে গেছে।

চিনা লাইট বাজারে আসবে না ধরে নিয়ে মোমবাতির চাহিদা একলাফে বেড়ে গেছে।

  • Share this:

#রায়গঞ্জ: কেন্দ্রীয় সরকারের সিদ্ধান্তে ধুকতে থাকা শিল্প নতুন করে আশার আলোর দেখতে শুরু করেছে।দীর্ঘ কয়েকবছর পর এবারে মোমবাতির চাহিদা কয়েক গুন বেড়ে যাবার ফলে  নতুন করে এই শিল্প মুখ তুলে দাঁড়াবার চেষ্টা করছেন। এবছর মোমবাতির চাহিদায় খুশি মোমবাতি শিল্পের মালিক। চাহিদা মেটাতে দিনরাত উৎপাদন চালু রেখেছেন শিল্পের মালিক।

দীপাবলি মানেই বাড়িতে মোমবাতি এবং মাটিরব প্রদীপের আলো। সেই চিরাচরিত প্রথা ভেঙে দিয়ে চিনা লাইট।বিভিন্ন ধরনের চাইনিস লাইট বাজারে আসার পর দেশের মানুষ মোমবাতি এবং মাটির প্রদীপ ছেড়ে চাইনিস লাইটের দিকে ঝুকে পড়েছিল। অল্প পরিশ্রমে ঝকেঝকে আলোতেই মানুষ ব্যবহার করতে শুরু করেছিল।এই চাইনিস লাইট ব্যবহারের ফলে মুখ থুবরে পড়েছিল মোমবাতি শিল্প। মাটির প্রদীপের দাহিদা কমে যাওয়ায় চরম সমস্যায় পড়েছিলেন মৃৎ শিল্পের সঙ্গে যুক্ত শিল্পীরা।

এবারে চিত্রটা একটু বদলেছে।গালওয়ান উপত্যাকায় চিনের সঙ্গে ভারতের দ্বন্দের কারণে কেন্দ্রীয় সরকার চিনা দ্রব্য বয়কটের ডাক দেয় ।  কেন্দ্রীয় সরকারের এই সিদ্ধান্তের ফলে মোবাইলে বেশ কিছু এপস বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। চিনা সামগ্রী ভারতে প্রবেশের ক্ষেত্রে বেশ কিছু বিধিনিষেধ আরোপ করেন। সেই কারণে এবারে চিনা লাইট বাজারে আসবে না ধরে নিয়ে মোমবাতির চাহিদা একলাফে অনেকগুন বেড়ে গেছে। চাইনিস লাইটের দাপটে ধুকতে থাকা মোমবাতি শিল্প নতুন করে আশার আলো দেখছে।দীপাবলির বাকি আর মাত্র ১০ দিন বাকি। মোমবাতির চাহিদা একলাফে অনেকগুন বেড়ে যাওয়ায় দিনরাত মোমবাতির উৎপাদন চালু রেখেছে।মোমবাতি শিল্পের মালিক দেবাংশু সাহা জানিয়েছেন, কেন্দ্রীয় সরকার সিদ্ধান্তে  মানুষ পাশ্চাত্য সংস্কৃতিকে বর্জন করছে।সেই কারনে এবারে চিনা লাইট ব্যবহার কমে যাবে। মানুষ আবার চিরাচরিত মোমবাতি এবং মাটি প্রদীপ জ্বালিয়ে দীপাবলি পালন করবে। হোল সেলারদের চাহিদা মেটাতে তারা দিনরাত উৎপাদন চালু রেখেছেন

UTTAM PAUL

Published by:Piya Banerjee
First published:

লেটেস্ট খবর