সেতুর দাবিতে রায়গঞ্জ খলসি গ্রাম বাসিদের ভোট বয়কটের ডাক

সেতুর দাবিতে রায়গঞ্জ খলসি গ্রাম বাসিদের ভোট বয়কটের ডাক

রায়গঞ্জ সেতু দাও ভোট নাও* এই দাবিতে ভোট বয়কটের ডাক দিয়েছে খলসি গ্রামের বাসিন্দারা। 

রায়গঞ্জ সেতু দাও ভোট নাও* এই দাবিতে ভোট বয়কটের ডাক দিয়েছে খলসি গ্রামের বাসিন্দারা। 

  • Share this:

#রায়গঞ্জ :  রায়গঞ্জ শহর সংলগ্ন গ্রাম খলসি। শহরের পাশ দিয়ে বয়ে গেছে কুলিক নদী।এই কুলিক নদী খলসি, মেহেন্দিগ্রাম,শেরপুর,দক্ষিন শেরপুর, খোকসা সহ বেশ কয়েকটি গ্রাম থেকে বিচ্ছিন্ন করে রেখেছে।শুখা মরসুমে বাশের সাঁকো দিয়ে যাতয়াত করা গেলেও বর্ষার সময় নদীর জলস্ফিতি ঘটলেই এই এলাকার মানুষকে ঘুর পথে রায়গঞ্জ শহরে আসতে।

রায়গঞ্জ থেকে খলসির দূরত্ব মাত্র ১০ থেকে ১২ কিলোমিটার।বর্ষার সময় বিন্দোল হয়ে তাদের শহরে আসতে হয়।যার দূরত্ব প্রায় ৩০ কিলোমিটার। ভোট আসে ভোট যায়। ভোট এলেই রাজনৈতিক দলের নেতারা খোকসা সেতু তৈরীর প্রতিশ্রুতি দেয়।ভোট চলে যাবার পর সেতু তৈরীতে কেউ উদ্যোগ নেয় না। আগামী ২২ মে রায়গঞ্জ সহ নয়টি বিধানসভা ভোট। নির্বাচন ঘোষনা হতেই গ্রামবাসিরা ভোট বয়কটের সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন।রাজনৈতিক দলের কোন প্রতিশ্রুতির কাছে  তারা মাথা নত করবে না সেই লক্ষ্যে এবারের বিধানসভা নির্বাচনে কোন রাজনৈতিক দলকে এলাকা প্রচার করতেই দেয় নি স্থানীয় বাসিন্দারা। ভোট গ্রহনের এক দিন আগে সেতুর দাবিতে মিছিল করল বাসিন্দারা।আবাল বৃদ্ধ বনিতা এই মিছিলে পা মেলান।কমলাবাড়ি গ্রাম পঞ্চায়েতের শেরপুর, খোকসা এবং সুবর্নপুর বুথে ভোট বয়কটের ডাক দিয়েছে। প্রায় পাঁচ হাজার বাসিন্দা এই ভোট বয়কটে সামিল হবেন বলে জানানো হয়েছে। আন্দোলনকারি কালেশ্বর বর্মন জানান, খোলসি সেতুর দাবিতে তারা দীর্ঘদিন যাবদ আন্দোলন করছেন। ভোট এলেই রাজনৈতিক দলের পক্ষ থেকে সেতু নির্মানের প্রতিশ্রুতি দেয়। ভোট পেরিয়ে যাবার পর মানুষের যে সমস্যা, সমস্যাতেই থেকেই যায়। গত লোকসভা নির্বাচনের পর সেতু নির্মানের জন্য মাটি পরীক্ষাও করা হয়েছিল। মাটি পরীক্ষা করার কয়েক বছর কেটে যাবার পরও সেতু নির্মানের কাজে হাত দেয় নি। বর্ষায় মানুষ চরম দুর্ভোগের স্বীকার হন।  তাই এবারে ভোটে কোন প্রতিশ্রুতি নয় আগে সেতু পরে ভোট এই দাবিতেই বাসিন্দারা আন্দোলনে সামিল হয়েছেন। স্থানীয় বাসিন্দা দীপালি রায় জানান, দীর্ঘ আন্দোলনেও তারা সেতু নির্মান করাতে পারছেন না।তাই এবারে এধরনের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

Uttam Paul

Published by:Debalina Datta
First published: