• Home
  • »
  • News
  • »
  • north-bengal
  • »
  • অন্য মহিলার সঙ্গে প্রেম, স্ত্রীকে বালিশ চাপা দিয়ে খুনের অভিযোগ স্বামীর বিরুদ্ধে

অন্য মহিলার সঙ্গে প্রেম, স্ত্রীকে বালিশ চাপা দিয়ে খুনের অভিযোগ স্বামীর বিরুদ্ধে

representative image

representative image

ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে

  • Share this:

#উত্তর  দিনাজপুর: বিবাহবর্হিভূত সম্পর্কের জেরে স্ত্রীকে বালিশ চাপা দিয়ে খুনের  অভিযোগ স্বামীর বিরুদ্ধে।  ঘটনাকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে  দিনাজপুর জেলার করনদিঘি  থানার কামারতোর কান্তিপাড়া গ্রামে। রায়গঞ্জ থানার পুলিশ আধিকারিক সুমিত কুমার জানিয়েছেন,খবর পাওয়ার সঙ্গেসঙ্গেই  পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। অভিযুক্ত স্বামী গা ঢাকা দিয়েছে। করনদিঘি থানার পুলিশ অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা দায়ের করেছে। অভিযুক্তকে গ্রেফতারে শুরু হয়েছে খোঁজ।

জানা গিয়েছে,বছর ১৫ আগে করনদিঘি থানার কান্তিপাড়া গ্রামের বাসিন্দা  কবীর আলির সঙ্গে বিয়ে হয়েছিল ওই গ্রামেরই মাদলি বিবির।  দম্পতির তিন সন্তান, দুই ছেলে ও এক মেয়ে। দীর্ঘ ১৫ বছর বিয়ের পরও কবীর আলি শ্বশুড়বাড়ির থেকে নানা সময়ে নানা দাবি করে থাকে। বছর দুয়েক আগেই  মোটরবাইক দাবি করে অভিযুক্ত। মাদলি বিবির পরিবার সেই দাবি পূরণও করে। এরই মধ্যে কবীর আলি স্থানীয়  এক মহিলার সঙ্গে অবৈধ সম্পর্কে জড়িয়ে পড়ে।  সংসারে শুরু হয় অশান্তি। পরিস্থিতি বেগতিক বুঝে মাদলিদেবীর পরিবার তাঁকে নিজের বাড়িতে নিয়ে এসে রাখেন।পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে মাদলির পরিবার গ্রামে শালিসী সভা বসায়। সেখানে দুই পক্ষের মিমাংসা করে মাদলিদেবীকে বাড়িতে ফিরিয়ে আনে কবীর আলি।

স্ত্রীকে বাড়িতে ফিরিয়ে আনার পরই অগ্নিমূর্তি ধারন করে কবীর আলি।পথের কাঁটা সরিয়ে দিতে এরআগেও  মাদলিদেবীকে রাতে ঘুমন্ত অবস্থায় বালিশ চাপা দিয়ে হত্যার চেষ্টা করে অভিযুক্ত। কিন্তু সে-যাত্রায় বেঁচে গেলেও গতকাল, বুধবার রাতে শেষ রক্ষা হল না। অভিযোগ, রাতের অন্ধকারে মাদলিদেবীকে খুন করে বাড়ি ছেড়ে পালিয়েছে কবির আলি।বৃহস্পতিবার সকালে ঘরের মধ্যেই মেলে মাদলিদেবীর মৃতদেহ। ঘটনাস্থলে পৌঁছায় করনদিঘি থানার পুলিশ। মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রায়গঞ্জ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে । মৃতার দাদা জবির আলির অভিযোগ ,' অবৈধ সম্পর্কের জেরেই বোনকে খুন হতে হল।' পুলিশের কাছে কবীরের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।

 Uttam Paul

Published by:Rukmini Mazumder
First published: