একের ঘাড়ে নিঃশ্বাস ফেলছেন আরেক জন, করোনাকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে চলছে টিকাকরণ

আজ ব্যাঙ্ক কর্মী এবং পোস্ট অফিসের কর্মীদের ছিল টিকার প্রথম ডোজ। আর তা ঘোষণা হতেই মেডিক্যালে ভিড় জমান দুই দফতরের কর্মীরা।

আজ ব্যাঙ্ক কর্মী এবং পোস্ট অফিসের কর্মীদের ছিল টিকার প্রথম ডোজ। আর তা ঘোষণা হতেই মেডিক্যালে ভিড় জমান দুই দফতরের কর্মীরা।

  • Share this:

Partha Sarkar

#শিলিগুড়ি: কোভিড বিধিকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে কোভিড টিকা! হ্যাঁ, আজ উত্তরবঙ্গ মেডিক্যালের টিকাকরণ সেন্টারের বাইরে দিনভর ছিল এই ছবি। কোথায় দূরত্ব বিধি? কে, কার কথা শোনে! সকাল থেকেই টিকা নেওয়ার লম্বা লাইন! যেখানে উধাও হয়ে যায় কোভিড বিধি। উপচে পড়া ভিড়! থিক থিক করছে টিকাকরণ সেন্টারের সামনে। একের ঘাড়ে আর একজন রীতিমতো নিঃশ্বাস ফেলছেন। মাঝে মধ্যে আবার চললো ধাক্কাধাক্কিও! সেই সকাল থেকেই লাইন। সময় যত বেড়েছে ততই বেড়েছে ভিড়। দেখা নেই মেডিক্যালের কোনও কর্মীর। আতঙ্ক, ভয়কে সঙ্গী করেই লাইনে দাঁড়ালেন। টিকা যে নিতে হবে! আজ ব্যাঙ্ক কর্মী এবং পোস্ট অফিসের কর্মীদের ছিল টিকার প্রথম ডোজ। আর তা ঘোষণা হতেই মেডিক্যালে ভিড় জমান দুই দফতরের কর্মীরা। অনেকেই বিরক্তবোধ করলেও উপায় নেই। মুখে মাস্ক থাকলেও তা অনেকেরই নাক ঢাকেনি। স্বাভাবিকভাবেও অনেক কর্মীই বললেন, "কি আর করা যাবে বলুন! দেখার কেউ নেই! অগত্যা এই ভিড় ঠাসাঠাসি। কর্তৃপক্ষের নজর দেওয়া আবশ্যক।"

দুপুর পর্যন্ত আজ এই ছবিই দেখলো মেডিক্যাল। মুখে কুলুপ মেডিক্যাল কর্তৃপক্ষের। কোভিডের দ্বিতীয় ঢেউয়ে কাবু গোটা রাজ্য। পিছিয়ে নেই শহর শিলিগুড়িও। সেখানে প্রথম সারির করোনা যোদ্ধাদের পর রাজ্য এবং কেন্দ্রীয় সরকারী ও বেসরকারী দফতরের কর্মীদের টিকাকরণের ব্যবস্থা করেছে স্বাস্থ্য দফতর। আর তাই টিকা নেওয়ার হিড়িক। কিন্তু ন্যূনতম কোভিড বিধি মানার বালাই নেই। যা নিয়ে উদ্বেগে স্বাস্থ্য দফতররের শীর্ষ কর্তারাও। একই ছবি শিলিগুড়ি জেলা হাসপাতালেও। সেখানে আজ থেকে শুরু হল ১৮-৪৫ বছর বয়সীদের প্রথম ডোজ। সেই ভিড়ের চেনা ছবি। একেবারে গাদাগাদি অবস্থা! ভিড়ের লাইন নিয়ে বিশৃঙখলাও ধরা পড়ে। বিশেষজ্ঞদের দাবি, টিকার লাইনেও দূরত্ব বিধি মানা উচিৎ। প্রয়োজনে গণ্ডি কেটে দিলে সুবিধে হবে। স্বাস্থ্যসম্মতভাবে টিকাকরণ প্রক্রিয়া চলবে।শহরের সরকারী অন্য স্বাস্থ্যকেন্দ্রগুলোতেও টিকার লম্বা লাইন নজরে এসছে। কিন্তু ভিড় নিয়ন্ত্রণে স্বাস্থ্য দফতর বা প্রশাসনের কাউকেই দেখা যায়নি।

Published by:Simli Raha
First published: