মালদহে এক লাফে ২৮৮৪ থেকে বুথ বেড়ে হচ্ছে ৪২৩০, কেন এমন পদক্ষেপ নির্বাচন কমিশনের

মালদহে এক লাফে ২৮৮৪ থেকে বুথ বেড়ে হচ্ছে ৪২৩০, কেন এমন পদক্ষেপ নির্বাচন কমিশনের
কোনও একটি বুথে সর্বাধিক ১০৫০ জনের ভোটাধিকারের ব্যবস্থা থাকবে এবারের নির্বাচনে।

কোনও একটি বুথে সর্বাধিক ১০৫০ জনের ভোটাধিকারের ব্যবস্থা থাকবে এবারের নির্বাচনে।

  • Share this:

#মালদহ: কোভিড পরিস্থিতির কারণে  আগামী বিধানসভা নির্বাচনে   রাজ্য জুড়ে ব্যাপকভাবে বাড়ছে বুথের সংখ্যা। কোভিড পরিস্থিতিতে অল্প ভোটারের বুথ নির্দিষ্ট করার ওপরেই জোর কমিশনের। কোনও একটি বুথে সর্বাধিক ১০৫০ জনের ভোটাধিকারের ব্যবস্থা  থাকবে এবারের নির্বাচনে।

অর্থাৎ এর থেকে বেশি ভোটার রয়েছেন এমন সমস্ত বুথকে দুই ভাগে ভেঙে দেওয়া হচ্ছে। আর এই প্রক্রিয়াতে শুধু মালদহ জেলাতেই গত নির্বাচন পর্যন্ত যেখানে বুথের সংখ্যা ছিল ২৮৮৪। এবার এক লাফে তা বেড়ে যাচ্ছে ৪২৩০। তবে, এর ফলে একই সঙ্গে ভোট কর্মীর সংখ্যা বাড়ছে অনেকটাই। শুধু মালদহ জেলাতে প্রশাসনের হিসেবে এবারের ভোটে প্রায় ২১ হাজার ভোটকর্মীর প্রয়োজন হবে।মালদহ জেলা প্রশাসনের হিসেবে বিভিন্ন বিধানসভাতে এবার যে সংখ্যায় বুথ বাড়ছে তা এইরকম -- হবিবপুর বিধানসভায় আগে বুথ সংখ্যা ছিল ২৪৭ , এখন তা বেড়ে হচ্ছে ৩৫৪। গাজোল  বিধানসভায় আগে বুথ সংখ্যা ছিল ২৪৮ , এখন তা বেড়ে হচ্ছে ৩৮২ । চাঁচোল বিধানসভায় আগে বুথ সংখ্যা ছিল ২৪৩ , এখন তা বেড়ে হচ্ছে ৩৪৮ । হরিশ্চন্দ্রপুর বিধানসভায় আগে বুথ সংখ্যা ছিল ২৪১ , এখন তা বেড়ে হচ্ছে ৩৫৫। মালতীপুর বিধানসভায় আগে বুথ সংখ্যা ছিল ২৩১ , এখন তা বেড়ে হচ্ছে ৩২২। রতুয়া বিধানসভায় আগে বুথ সংখ্যা ছিল ২৭০ এখন তা বেড়ে হল ৩৯৬ । মানিকচক বিধানসভায় আগে বুথ সংখ্যা ছিল ২৪১ , এখন তা বেড়ে হচ্ছে ৩৫৫।  মালদহ বিধানসভায় আগে বুথ সংখ্যা ছিল ২৩৮ , এখন তা বেড়ে হচ্ছে ৩৪৫।  ইংরেজবাজার বিধানসভায় আগে বুথ সংখ্যা ছিল ২৬৬ , এখন তা বেড়ে হচ্ছে ৩৯৩ । মোথাবাড়ি বিধানসভায় আগে বুথ সংখ্যা ছিল ১৮৮, এখন তা বেড়ে হচ্ছে ২৭৭। সুজাপুর বিধানসভায় আগে বুথ সংখ্যা ছিল ২৩৪ , এখন তা বেড়ে হচ্ছে ৩৫৬ । বৈষ্ণবনগর বিধানসভায় আগে বুথ সংখ্যা ছিল ২৩৭, এখন তা বেড়ে হচ্ছে ৩৪৭।

জেলা নির্বাচন দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে , করোনা পরিস্থিতিতে শারীরিক দূরত্ব বিধি নিশ্চিত করতেই এমন পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। এর ফলে সমস্ত বুথেই ভিড় অনেকটাই কমবে । এতে সুষ্ঠুভাবে ভোট সম্ভব হবে। তবে জেলায় অন্যান্য বারের তুলনায় এবার ভোট কর্মীর বন্দোবস্ত করতে কিছুটা বেগ পেতে হচ্ছে । কারণ বুথের সংখ্যা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ভোট কর্মীর প্রয়োজনীয়তাও অনেকটাই বাড়ছে ।


Sebak DebSarma

Published by:Debalina Datta
First published: