বিপুল সোনা উদ্ধার শিলিগুড়িতে, কোথা থেকে এল বিপুল পরিমাণ সোনা? উঠছে প্রশ্ন

বিপুল সোনা উদ্ধার শিলিগুড়িতে, কোথা থেকে এল বিপুল পরিমাণ সোনা? উঠছে প্রশ্ন

চলতি আর্থিক বছরে উদ্ধার ২৭৫ কেজি সোনা।

  • Share this:

 Partha Sarkar

#শিলিগুড়ি: ফের সোনা উদ্ধার শিলিগুড়িতে। গ্রেফতার দুই পাচারকারী। উদ্ধার প্রায় ৫ কেজি ৮০০ গ্রাম সোনা। যার আনুমানিক বাজার মূল্য ২ কোটি ৫৩ লাখ টাকা। কোথা থেকে এল বিপুল পরিমাণ এই সোনা? আর কোথায় পাচারের ছক কষা হয়েছিল?

গোয়েন্দা সূত্রে জানা গিয়েছে, দুবাই থেকে বাংলাদেশে আনা হয়েছিল এই সোনা। তারপর ইন্দো-বাংলাদেশ সীমান্ত পার করে ঢুকে পড়ে কোচবিহারে। সেখান থেকে দুটি আলাদা সরকারী বাসে চেপে দুই পাচারকারী উত্তর দিনাজপুরের ডালখোলায় সোনা পাচারের ছক কষেছিল। যদিও তার আগেই গোপন সূত্রে খবর পেয়ে শিলিগুড়ির বিধাননগরে চলন্ত বাসে হানা দেয় ডিআরআই কর্তারা। গ্রেফতার করা হয় দুই পাচারকারীকে। ধৃতদের নাম হাসানুর জামান এবং লতিফ রহমান। হাসানুর মূর্শিদাবাদ রুটের সরকারী বাসে চেপে যাচ্ছিল। প্রথমে তাকে গ্রেফতার করা হয়। তাঁকে জেরা করেই লতিফের হদিস পায় পুলিশ। লতিফ মালদা রুটের বাসে সওয়ারী হয়েছিল। ধৃতেরা কোচবিহারের দিনহাটার বাসিন্দা। দু'জনের কাছ থেকে ৫০টি সোনার বিস্কুট উদ্ধার করা হয়।

কোথায় ছিল এই সোনার বিস্কুট? গোয়েন্দা সূত্রে জানা গিয়েছে, কোমরে স্পেশাল বেল্টে সোনার বিস্কুটগুলো মোড়া ছিল। যা এক ঝলকে নজরে পড়বে না। এক একটি সোনার বিস্কুটের ওজন প্রায় ১১৬ গ্রাম। ধৃতদের জেরা করে মূল পাচারচক্রীর খোঁজ শুরু করছে গোয়েন্দারা। প্রসঙ্গত, এর আগেও বহুবার শিলিগুড়িকে করিডর করে সোনা পাচার হয়েছে। কখনও এনজেপি স্টেশন, কখনও প্রধাননগর, আবার কখনও ঘোষপুকুর থেকে উদ্ধার করা হয় সোনা। কিন্তু মূল পাচারকারীরা অধরাই রয়ে গিয়েছে। তবে এর সঙ্গে যে আন্তর্জাতিক পাচার চক্র সক্রিয়, সেই বিষয়ে নিশ্চিত গোয়েন্দারা। চলতি আর্থিক বছরে উত্তরবঙ্গ ও সিকিম এলাকা থেকে ২৭৫ কেজি সোনা বাজেয়াপ্ত করেছে কেন্দ্রীয় রাজস্ব গোয়েন্দারা। ধৃতদের আজ শিলিগুড়ি মহকুমা আদালতে তোলা হয়। জামিন নামঞ্জুর করেছে আদালত। ধৃতদের ১৪ দিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছে আদালত।

First published: March 4, 2020, 7:17 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर