করোনা আবহেও উৎসবে খামতি নেই, রায়গঞ্জে পালিত হল হ্যালোইন নাইট

পঞ্চম বর্ষে পড়ল রায়গঞ্জের হ্যালোইন নাইট। করোনা আবহের মধ্যে অধিক রাতে দোকানপাট সব বন্ধ হয়ে যাওয়ায় হ্যালোইন নাইটের ভূতেরা পথ চলতি মানুষদের হতে উপহার হিসেবে বিস্কুট, লজেন্স, কেক তুলে দিতে না পারায় দুঃখিত উদ্যোক্তারা।

পঞ্চম বর্ষে পড়ল রায়গঞ্জের হ্যালোইন নাইট। করোনা আবহের মধ্যে অধিক রাতে দোকানপাট সব বন্ধ হয়ে যাওয়ায় হ্যালোইন নাইটের ভূতেরা পথ চলতি মানুষদের হতে উপহার হিসেবে বিস্কুট, লজেন্স, কেক তুলে দিতে না পারায় দুঃখিত উদ্যোক্তারা।

  • Share this:

#রায়গঞ্জ: পঞ্চম বর্ষে পড়ল রায়গঞ্জের হ্যালোইন নাইট। করোনা আবহের মধ্যে অধিক রাতে দোকানপাট সব বন্ধ হয়ে যাওয়ায় হ্যালোইন নাইটের ভূতেরা পথ চলতি মানুষদের হতে উপহার হিসেবে বিস্কুট, লজেন্স, কেক  তুলে দিতে না পারায় দুঃখিত উদ্যোক্তারা।

রায়গঞ্জ উকিলপাড়ার বাসিন্দা সীমা ঘোষ পাঁচ বছর আগে দুই তিনজনকে নিয়ে শুরু করেছিলেন হ্যালোইন নাইট। অধিকরাতে রাতে ভূত সেজে রায়গঞ্জের রাজপথে এদের দেখে পথচারীরা কিছুটা আঁতকে উঠেছিলেন প্রথমবার। বছর বছর এই ৩০ অক্টোবর রাতে তিনি এই হ্যালোইন নাইট পালন করায় রায়গঞ্জের মানুষ কিছুটা ধাতস্ত হয়েছেন। বিগত বছর গুলোতে ভূতের সংখ্যা তিন চারের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকলেও এবারে সেই সংখ্যা কিছুটা বেড়েছে। এবারে ভূত সেজে রাস্তায় বেরিয়েছিলেন সায়নি, মৌসুমী, পপি, রবিউল, সীমার মত অনেকে।

পাশ্চাত্য দেশগুলোতে এই হ্যালোইন নাইট পালন করেন। কারন যে মানুষগুলো তাদের ছেড়ে চলে গেছেন সেই মানুষগুলোকে আনন্দ দেবার জন্য ৩০ অক্টোবর রাতে ভূত সেজে বেরিয়ে পড়েন। ভূত সেজে গান, নাচ করে তাঁরা আনন্দ দিয়ে থাকেন।সীমা ঘোষ গোষ্টী সেই পাশ্চত্য সংস্কৃতিকে অনুকরন করে রায়গঞ্জেও বিগত পাঁচ বছর ধরে এই হ্যালোইন নাইট পালন করছেন।

তবে এবারে চিত্রটা একটু অন্য রকম। করোনা আবহে রাস্তাঘাটে মানুষের চলাচল এমনতেই কম। তার উপর অধিকরাত। সীমা ঘোষ সেই বিষয়টি অনুধাবন করেন। ভূতেরা যাতে আনন্দ পান সেইজন্য তাদের সঙ্গে রাখা হয়েছিল গিটার বাদক দেবপর্নকে। বাংলা ব্যান্ডের আদলে তিনি গান করে ভূতদের আনন্দ দিয়েছেন। ভূতের সেই গানের তালে তালে নেচে আনন্দ নিয়েছেন। করোনা আবহের কারণে  এবারে হ্যালোইন নাইট কিছুটা ম্লান হয়েছে। কারন হ্যালোইন নাইটে  অংশগ্রহনকারী ভূতেরা রাতের পথচারীদের হাতে লজেন্স, বিস্কুট, কেক তুলে দেন। রায়গঞ্জ স্কুল রোডে অধিকরাতে সমস্ত দোকান বন্ধ হয়ে যাওয়ায় এবারে সেই উপহার তারা তুলে দিতে না পারায় হতাশ সকলেই।

হ্যালোইন নাইটের উদ্যোক্তা সীমা ঘোষ জানান, ভূত মানেই খারাপ নয় এটা বোঝাতেই তারা এই দিনটি পালন করছেন। মূলত পাশ্চত্য দেশগুলোতে এই দিনটি পালিত হয়ে আসছে। সেই পাশ্চত্য দেশের অনুকরণে তারা ৩০ অক্টোবরকে হ্যালোইন নাইট পালন করছেন।তবে করোনা আবহের মধ্যে এই দিনটি পালিন করছেন। রাতে রাস্তাঘাটে লোক চলাচল কম থাকার কারনেই তারা রাতে বেরিয়েছেন। সায়নী দাস নামে এক ভূত জানালেন, তারা শুধু মাত্র আনন্দ করতে এই দিনটি পালন করছেন। পাশ্চত্য দেশগুলো এই হ্যালোইন নাইট পালন করে। তার অনুকরনেই এখানে পালন করা হচ্ছে।

Uttam Paul

Published by:Shubhagata Dey
First published: