একে-47 ও গ্রেনেড প্রশিক্ষিত গুরুঙবাহিনী, নেপালের মাওবাদীদের মদতের সম্ভাবনা জোরালো

নিজস্ব চিত্র

সিকিমে বসেই পাহাড়ে নতুন করে অশান্তির ছক বিমল গুরুঙের। আগামী ষোলোই অক্টোবর রাজ্য সরকারের সঙ্গে বৈঠক ভেস্তে দিতেই সিরুবাড়িতে পুলিশের উপর হামলা।

  • Share this:

    #কলকাতা: সিকিমে বসেই পাহাড়ে নতুন করে অশান্তির ছক বিমল গুরুঙের। আগামী ষোলোই অক্টোবর রাজ্য সরকারের সঙ্গে বৈঠক ভেস্তে দিতেই সিরুবাড়িতে পুলিশের উপর হামলা। ঘটনায় বিদেশি শক্তির হাত পুরোপুরি স্পষ্ট। নেপালের মাওবাদী ও উত্তরপূর্বের জঙ্গিগোষ্ঠীগুলির কাছে বিমল গুরুংপন্থীদের অস্ত্র প্রশিক্ষণের তথ্যও প্রকাশ্যে আসছে।

    বৃহস্পতিবার অডিও বার্তায় হুমকি দিয়েছিলেন মোর্চা নেতা বিমল গুরুং। তা সিরুবাড়িতে পুলিশ অফিসারকে খুন করে কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই প্রমাণ করলেন মোর্চা নেতা। কেন পুলিশের উপর হামলা চালাল গুরুংপন্থীরা? শুধু কি নেতাকে বাঁচাতেই গুলিবৃষ্টি, নাকি পিছনে অন্য কোনও ষড়যন্ত্র?

    হামলার পিছনে ষড়যন্ত্র - বনধ উঠে যাওয়ায় পাহাড়ে শান্তি বজায় রয়েছে - পাহাড়ে বিনয় তামাঙের উত্থানে বিমল গুরুঙ অনেকটা পিছিয়ে পড়েছেন - সেই পরিস্থিতি নষ্ট করে পাহাড়ে অশান্তি তৈরির ছক বিমল গুরুঙের - সেই লক্ষ্যেই পাহাড়ে ঢোকার চেষ্টা করেন তিনি - সিকিমে বসেই সেই অশান্তির ছক তৈরি করেন ওই মোর্চা নেতা - শুধু তাই নয়, ১৬ অক্টোবর রাজ্যের সঙ্গে বৈঠক ভেস্তে দেওয়ার পরিকল্পনাও ছিল বিমলের

    বিমল গুরুং হাতছাড়া হলেও ঘটনাস্থল থেকে ন'টি এ কে- 47 ও পিস্তল উদ্ধার হয়েছে। সরকারের বিরুদ্ধে এমন যুদ্ধের প্রস্তুতিতে অটোম্যাটিক রাইফেল তুলে দিয়ে কারা মদত যোগাচ্ছে? পুলিশের হাতে তা নিয়ে বিস্ফোরক তথ্য এসেছে।

    ষড়যন্ত্রে বিদেশি শক্তি - বিমল গুরুংদের মদত দিচ্ছে নেপালের মাওবাদীরা - সেইসঙ্গে উত্তরপূর্বের জঙ্গি গোষ্ঠীগুলিরও যোগ রয়েছে - এই জোড়া মদতেই চলছে গুরুংপন্থী মোর্চা সমর্থকদের অস্ত্র প্রশিক্ষণ - শেখানো হচ্ছে দেশীয় প্রযুক্তি ব্যবহার করে গ্রেনেড বানানো - চোরা কারবারীদের সঙ্গে যোগাযোগ করে চলছে অস্ত্র আমদানি - প্রতিবেশী সিকিমের বিরুদ্ধে মদত দেওয়াও প্রমাণিত - সেই 'ভরসা'তেই 'যুদ্ধ' ঘোষণা করেছেন গুরুং হামলার ধাঁচ দেখে, মাওবাদীদের সঙ্গে বিমল গুরুঙের যোগাযোগ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন বিনয় তামাংরাও।

    বিমল গুরুঙের বিরুদ্ধে ইউএপিএ-তে মামলা আগে থেকেই ঝুলছিল। এবার তাতে যোগ হল পুলিশ অফিসার খুনের মামলাও। আর তাতে পাহাড় পরিস্থিতি নিয়ে কেন্দ্রীয় সরকারের উপরেও আরও চাপ বাড়ল।

    First published: