কার্শিয়ংয়ে দুঃস্থ ও কোভিড যোদ্ধাদের পাশে জিটিএ, প্রতিদিন সাড়ে ১২০০ প্যাকেট খাবার বিলি

কী থাকছে মেনুতে? রকমারী খাবার। ছয় দিনই নিরামিষ। তবে এক পেশে খাবার নয়। থাকছে জিভে জল আনা স্বাস্থ্যকর খাবার। কোনও দিন ভেজ ফ্রায়েড রাইস আর আলু দম। আবার কোনও দিন ভেজ বিরিয়ানি!

কী থাকছে মেনুতে? রকমারী খাবার। ছয় দিনই নিরামিষ। তবে এক পেশে খাবার নয়। থাকছে জিভে জল আনা স্বাস্থ্যকর খাবার। কোনও দিন ভেজ ফ্রায়েড রাইস আর আলু দম। আবার কোনও দিন ভেজ বিরিয়ানি!

  • Share this:

#কার্শিয়ং: কার্শিয়ংয়ে কমিউনিটি কিচেন! গোর্খাল্যাণ্ড টেরিটোরিয়াল এডমিনিস্ট্রেশনের (জিটিএ) উদ্যোগে পাহাড়ের চার জায়গায় চালু হয়েছে এই কিচেন। শুরুটা হয় কালিম্পংয়ে। পরবর্তীতে দার্জিলিং। তারপর কার্শিয়ং এবং মিরিকে। কার্শিয়ংয়ের কমিউনিটি হলে চলছে রান্না করার এই মহাযজ্ঞ। কার্শিয়ংয়ের একদল যুবক, যুবতীরা সামিল হয়েছেন। একেবারে স্বাস্থ্যসম্মত খাবার।

কী থাকছে মেনুতে? রকমারী খাবার। ছয় দিনই নিরামিষ। তবে এক পেশে খাবার নয়। থাকছে জিভে জল আনা স্বাস্থ্যকর খাবার। কোনও দিন ভেজ ফ্রায়েড রাইস আর আলু দম। আবার কোনও দিন ভেজ বিরিয়ানি! সঙ্গে পাহাড়ি শাক, সবজি মিলিয়ে স্পেশাল ডিশ, মিক্সড ভেজ, ডাল। রান্না করা হচ্ছে স্বাস্থ্য বিধি মেনে। সপ্তাহে এক দিন নন ভেজ মেনু। এক দিনই খাওয়ানো হচ্ছে ডিম কারি। প্রতি বুধবার নন ভেজ আইটেম।

সকাল থেকে ব্যস্ততা শুরু হয় ব্যবস্থা। বাজার শেষে রান্না। তারপর প্যাকেটিং! তারপর খাবারের প্যাকেট নিয়ে বেড়িয়ে পড়া। ভবঘুরেদের পাশাপাশি আটকে পড়া পরিযায়ী শ্রমিকদের হাতে হাতে তুলে দেওয়া হচ্ছে খাবার। প্রতিদিনই দু'বেলা খাবার বিলি হচ্ছে এই কমিউনিটি কিচেন থেকে। দিনে ৮০০ জনকে এবং রাতে সাড়ে ৪০০ জনকে দেওয়া হচ্ছে স্বাস্ত্য সম্মত খাবারের প্যাকেট। পাশাপাশি এলাকার অসহায়, দুঃস্থ পরিবারদের হাতে তুলে দেওয়া হচ্ছে খাবার।

লকডাউনের জেরে পর্যটন ব্যবসায় বড়সড় ধাক্কা। সংকটে এই শিল্পের সঙ্গে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে জড়িত পাহাড়বাসী। কাজ নেই, হাতে টাকাও নেই। এই দুঃসময়ে তাদের পাশে দাঁড়িয়েছে জিটিএ। শুধুই কি অসহায়দের পাশে? না, কর্তব্যরত পুলিশ কর্মী থেকে কার্শিয়ং মহকুমা হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক, নার্স সহ স্বাস্থ্য কর্মীদের হাতেও তুলে দেওয়া হচ্ছে খাবার। যত দিন লকডাউন চলবে, এই পরিষেবা জারি থাকবে, জানিয়েছেন জিটিএ'র চেয়ারম্যান অনীত থাপা৷ চার জায়গায় একযোগে চলছে এই যজ্ঞ। এই কাজে যারা ব্যস্ত প্রত্যেকেই হ্যাণ্ড গ্লাভস, হেয়ার ক্যাপ পড়ছেন। পাশাপাশি হ্যাণ্ড স্যানিটাইজারও ব্যবহার করছেন প্রতি মূহূর্তে৷

Published by:Pooja Basu
First published: