• Home
  • »
  • News
  • »
  • north-bengal
  • »
  • পাহাড়ে বনধ ব্যর্থ করতে নজিরবিহীন সরকারি নির্দেশ

পাহাড়ে বনধ ব্যর্থ করতে নজিরবিহীন সরকারি নির্দেশ

মোর্চার ডাকা বনধে পাহাড়ের জনজীবন স্বাভাবিক রাখতে বদ্ধপরিকর রাজ্য সরকার ৷ নজিরবিহীনভাবে বনধের দিন সমস্ত সরকারি দফতরে হাজিরা বাধ্যতামূলক করে নোটিফিকেশন জারি করল রাজ্য সরকার ৷

মোর্চার ডাকা বনধে পাহাড়ের জনজীবন স্বাভাবিক রাখতে বদ্ধপরিকর রাজ্য সরকার ৷ নজিরবিহীনভাবে বনধের দিন সমস্ত সরকারি দফতরে হাজিরা বাধ্যতামূলক করে নোটিফিকেশন জারি করল রাজ্য সরকার ৷

মোর্চার ডাকা বনধে পাহাড়ের জনজীবন স্বাভাবিক রাখতে বদ্ধপরিকর রাজ্য সরকার ৷ নজিরবিহীনভাবে বনধের দিন সমস্ত সরকারি দফতরে হাজিরা বাধ্যতামূলক করে নোটিফিকেশন জারি করল রাজ্য সরকার ৷

  • Pradesh18
  • Last Updated :
  • Share this:

    #কলকাতা: মোর্চার ডাকা বনধে পাহাড়ের জনজীবন স্বাভাবিক রাখতে বদ্ধপরিকর রাজ্য সরকার ৷ নজিরবিহীনভাবে বনধের দিন সমস্ত সরকারি দফতরে হাজিরা বাধ্যতামূলক করে নোটিফিকেশন জারি করল রাজ্য সরকার ৷ শুধু তাই নয় বনধের দিন পাহাড়কে স্বাভাবিক রাখার সমস্ত প্রচেষ্টা করা হচ্ছে রাজ্য সরকারের তরফে ৷ পাহাড়ে জমি ফিরে পেতে মরিয়া মোর্চা আগামী ২৮ সেপ্টেম্বর পাহাড়ে বনধ ডেকেছে ৷ বনধ ব্যর্থ করতে কড়া রাজ্য সরকার ৷ সমস্ত সরকারী দফতর, স্কুল কলেজ খোলা রাখার নির্দেশিকা জারি করেছে রাজ্য অর্থ দফতর ৷

    রাজ্য পরিবহণ দফতর সূত্রে খবর, বনধের দিন জনজীবন স্বাভাবিক রাখতে শিলিগুড়ি,দার্জিলিং, কালিম্পং ও কার্শিয়াঙে বিশেষ ব্যবস্থা রাখছে সরকার ৷ বনধের দিন পরিবহণ দফতরের সমস্ত কর্মীদের কাজে যোগ দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে ৷ ওইদিন রাস্তায় নামানো হবে NBSTC-র সমস্ত বাস ৷ রাস্তায় থাকবে এনবিএসটিসি-র সব বাস ৷ শিলিগুড়ি-দার্জিলিং ও শিলিগুড়ি-কালিম্পং রুটে অতিরিক্ত বাস চলবে ৷বনধের দিন কাজে যোগ দিতে হবে সব সরকারি কর্মীদের ৷ বেসরকারি বাস ও যাত্রিবাহী গাড়ি নামাতেও আবেদন জানানো হয়েছে মালিক ও চালকদের সংগঠনগুলিকে ৷ তাদের নিরাপত্তার ব্যবস্থা করবে রাজ্য সরকার ৷

    রাজ্য সরকারের নির্দেশিকা অনুযায়ী, সরকারি দফতরে কর্মীদের হাজিরা বাধ্যতামূলক ৷ কোনও ছুটি গ্রাহ্য হবে না ৷ অনুপস্থিত হলে কাটা যাবে বেতন ৷ অনুপস্থিতির উপযুক্ত কারণ দেখাতে না পারলে করা হবে শোকজ ৷ একইসঙ্গে বনধের আগের ও পরের দিনও উপস্থিত থাকারও কড়া নির্দেশ দিয়েছে রাজ্য সরকার ৷

    দলবদলের চাপ। সঙ্গে শাসকদলের রাজনৈতিক কৌশল। সদ্য পাহাড় সফরেও মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় উন্নয়ন নিয়ে সওয়াল করেছেন। ঘরে-বাইরে চাপে জমি হারাচ্ছে মোর্চা। মরিয়া হয়ে ফের গোর্খাল্যান্ডের দাবিকেই অস্ত্র করেছে তারা। ২৮ সেপ্টেম্বর বনধের ডাকও দিয়েছে মোর্চা। সমতলের মতো পাহাড়েও বনধ রুখতে ময়দানে রাজ্য সরকার। কোনঠাসা বিমল গুরুঙের হাতিয়ার পালটা হুমকি। তৃণমূল বনধ রোখার হুঁশিয়ারি দিতেই মোর্চা প্রধানের পালটা হুমকি, ২৮ সেপ্টেম্বর পুলিশ কড়াকড়ি করলে পাহাড়ে অনির্দিষ্ট কালের বনধের ডাক দেওয়া হবে।

    পাহাড়ে বনধ রুখতে এদিন আবার জোড়া জনস্বার্থ মামলা দায়ের হয় হাইকোর্টে। একটি মামলা দায়ের করেন আইনজীবী রমাপ্রসাদ সরকার। দ্বিতীয় মামলাটি করেন তৃণমূল সাংসদ ইদ্রিশ আলি। মঙ্গলবার প্রধান বিচারপতির বেঞ্চে দু'টি মামলার শুনানি। মোর্চার বনধ মোকাবিলায় রেলকেও পাশে পেয়েছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার। দার্জিলিং-হিমালয়ান রেলওয়ের তরফে জানানো হয়েছে, ২৮ তারিখ নিধারিত সূচি মেনেই চলবে টয়ট্রেন।

    এই প্রথম পাহাড়ে কোনও বনধ কর্মসূচির বিরোধিতা করার মতো পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে ৷ তাই নিজেদের শক্তি প্রদর্শনের জন্য সর্বশক্তি দিয়ে ঝাঁপাচ্ছে মোর্চা ৷ জমি ছেড়ে দিতে চায় না তৃণমূলও ৷ তাই সরকারী তরফে বনধ রুখতে কড়া ব্যবস্থার দাওয়াই ৷ এ ওষুধে সমতলে মিলেছে সাফল্য ৷ এবার দেখা যাক বনধ ঘিরে উত্তপ্ত পাহাড়ে কিভাবে কাজ করে এই বনধ বিরোধী ফর্মূলা ৷ তবে দুইয়ে মিলে উত্তপ্ত রাজ্যের হিল স্টেশন ৷

    First published: