পাহাড়ে শান্তি ফেরাতে সর্বদলীয় বৈঠকে যোগ দিচ্ছে গোর্খা জনমুক্তি মোর্চা

পাহাড়ে শান্তি ফেরাতে সর্বদলীয় বৈঠকে যোগ দিচ্ছে গোর্খা জনমুক্তি মোর্চা

পাহাড়ে শান্তি ফেরাতে সর্বদলীয় বৈঠকে যোগ দিচ্ছে গোর্খা জনমুক্তি মোর্চা

  • Share this:

#দার্জিলিং: পাহাড়ে শান্তি ফেরাতে রাজ্যের ডাকা সর্বদলীয় বৈঠকে যোগ দিচ্ছে গোর্খা জনমুক্তি মোর্চা। শুক্রবার মঙপুতে মোর্চার কেন্দ্রীয় কমিটির বৈঠকে এই বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক চাপে পড়ে রাজ্যের ডাকা বৈঠকে হাজির থাকছে মোর্চা। তবে বৈঠকে তাঁরা গোর্খাল্যান্ড নিয়েই আলোচনা করতে চান। বৈঠকে থাকবে গোর্খাল্যান্ড সমন্বয় কমিটির সদস্যরাও।

নিজের এই বক্তব্যেই যে তিনি অনড় তা বারবার বোঝানোর চেষ্টা করেছেন বিমল গুরুঙ। যদিও পাহাড় বনধের ৭০ দিন পরে তাঁর রাজনৈতিক অস্তিত্ব যে চ্যালেঞ্জের মুখে সেটাওবুঝেছেন। এই অবস্থায় পাহাড় প্রমাণ চাপ থেকে মুক্তি পেতে সম্মানজনক রাস্তা খুজে বার করতে রাজ্যের ডাকা আলোচনায় নবান্ন আসতে রাজি মোর্চা।

বনধের জেরে পাহাড়ে তৈরি হয়েছে তীব্র খাদ্য সংকট। সংঘর্ষে জড়িয়ে পাহাড়ের সাধারণ মানুষের মৃত্যু ঘটেছে। পাহাড়ের অর্থনৈতিক কাঠামো চা ও পর্যটন শিল্প সম্পূর্ণ ক্ষতিগ্রস্ত। আর গত কয়েকদিন ধরেই পাহাড়ের একাধিক জায়গায় শক্তিশালী বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটছে। প্রতি ক্ষেত্রেই অভিযোগ উঠছে সেই বিমল গুরুঙের বিরুদ্ধে। তাই তার বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া ইউ এ পি এ- মামলা থেকে অব্যাহতি দিতে হবে এই দাবি রেখেই তিনি প্রতিনিধি পাঠাচ্ছেন নবান্নে। সূত্রের খবর, গুরুং ঘনিষ্ঠ বিনয় তামাং হাজির থাকবেন নবান্নের বৈঠকে।

শুক্রবারই পাহাড়ে বৈঠকে বসে গোর্খাল্যান্ড সমন্বয় কমিটি। যদিও কমিটিতে থাকা অন্যতম সদস্য জিএনএলএফ আগেই রাজ্যকে চিঠি দিয়ে বৈঠকে যোগদানের ব্যাপারে সিদ্ধান্ত জানিয়ে দেয়। ফলে পাহাড়ের বাকি রাজনৈতিক দলগুলি প্রশ্ন তুলতে শুরু করে গোর্খাল্যান্ড সমন্বয় কমিটির অস্তিত্ব নিয়ে।

পাহাড়ে বনধ ডাকার সিদ্ধান্ত নেয় মোর্চা। আন্দোলনের রাশ নিজের হাতে রাখতে না পেরে মোর্চার উদ্যোগেই তৈরি হয় গোর্খাল্যান্ড সমন্বয় কমিটি। অভিযোগ ওঠে কমিটি থাকলেও মোর্চা নিজের সিদ্ধান্ত চাপিয়ে দিত। এই অবস্থায় বাকি রাজনৈতিক দলগুলি,পাহাড়ের অশান্তির দায় নিতে রাজি নয়। ফলে সিংমারি-চকবাজার-সোনাদা-কালিম্পং সহ প্রতি এলাকার অশান্তির দায় মোর্চার ঘাড়েই এসে পড়ে। সমস্ত দায় এড়াতে তাই চার দফা দাবি সামনে রেখে মোর্চা আলোচনায় বসতে চায়।

যদিও বাকি রাজনৈতিক দলগুলির তরফে কারা কারা যোগ দেবেন তা নিয়ে এখনও চুড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। রাজ্যের তরফ থেকে চিঠি পাইনি বলে অবশ্য শর্ত চাপানোর চেষ্টা করছে গোর্খাল্যান্ড সমন্বয় কমিটি। রাজনৈতিক মহলের অবশ্য মত, মোর্চা ও জিএনএলএফের মতো দুই প্রধান রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বী যখন নবান্নে বৈঠকে হাজির থাকবে। তখন বাকি দল আসতে কার্যত বাধ্য হবে। অপেক্ষা পহাড়ে শান্তি ফেরার।

First published: 07:35:05 PM Aug 25, 2017
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर